Tuesday, March 20, 2012

আজব কিছু ঘটনা, তন্মৃমধ্যে মৃত্যুঞ্জয়ী প্রেম, মর্গে হল বিয়ে! [Marriage in Marge]

>মৃত্যুঞ্জয়ী প্রেম, মর্গে হল বিয়ে
তাসনিম জাহানঃ মাইকেল থমাস নামের একজন নারী হাসপাতালের মর্গে তার মৃত বাগদত্তাকে বিয়ে করেছেন। তার মৃত এই আইরিশ স্বামীর নাম কেভিন লাভেল্লে। কেভিন ছিলেন দুই সন্তানের পিতা। আর তার এই দুই সন্তানের মা থমাস। তাই থমাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে ঘরে তোলার জন্য টাকা রোজগার করতে বের হন তিনি। কিন্তু তিনি দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হন। কেভিন থমাসের কাছে ফেরেন মৃত লাশ হয়ে । অক্সফোর্ডশায়ার থেকে কাজ করে ফেরার পথে ৯ জন ডাকাত তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। কিন্তু মৃত্যু তাকে থমাসের কাছ থেকে আলাদা করতে পারে নি। অক্সফোর্ডের জন র‍্যাডক্লিফ হাসপাতালের মর্গে মাইকেল একটা বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই সময় তার পরিবারের লোকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। থমাস বুক ভাঙ্গা কষ্ট নিয়ে এই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন। কেভিনের কফিনের সামনে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। তাদের দুই সন্তানও তাদের মা-বাবার এই বিয়েতে উপস্থিত ছিল। কেভিনের পিতা তার ছেলের পক্ষ থেকে ছেলে বউকে আংটি পড়িয়ে দেন আর থমাস কেভিনের হাতে। এরই নাম মৃত্যুঞ্জয়ী প্রেম।
>বিবাহ বিচ্ছেদ নিষিদ্ধ
দেশে-দেশে ডেস্কঃ বিয়ে করে বৌ পছন্দ হলনা, দিয়ে দিলেন তালাক। আবার আরেকটি বিয়ে করে ঘরে আনলেন নতুন বৌ! এই সুযোগ আপনি পাবেন না ভ্যাটিকান সিটি আর ফিলিপাইনে। এই দুই দেশে বিবাহ বিচ্ছেদ নিষিদ্ধ। অন্য দেশ গুলো যেখানে কিছু শর্ত সাপেক্ষে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয়, এই দুটি দেশ তা দেয় না। যদিও ভ্যাটিকান সিটিতে লোকসংখ্যা হাজারেরও কম, তবুও ক্যাথলিক মতবাদ রক্ষার্থে তারা বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় না। আরেক দিকে ফিলিপাইনে বসবাসকারী সকলের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ বেআইনি। যদিও বা বিশেষ অবস্থায় আপনি এখানে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চান, তাহলে আপনার খরচের পরিমাণ ও হবে বিশাল। প্রায় এক বছরের বেতনের সমান! যদিও এদেশে মুসলমানদের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের আইন আছে। তবে শর্তসাপেক্ষে।

>তসলিমা নাসরিন বনাম পুনম যুদ্ধ
দেশে-দেশে ডেস্কঃ অ্যাটিচুড হল অন্তর্বাসের মতো। আপনাকে এটা পরতেই হবে, কিন্তু কখনো দেখাতে পারবেন না। কিন্তু আমি সব সময়ই অ্যাটিচুড সবার সামনে দেখাতে ভালোবাসি। কয়েকদিন আগে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ট্যুইটারে এই মন্তব্য করেছিলেন পুনম পাণ্ডে। আর পুনম পাণ্ডের এই মন্তব্য মোটেই খুশি করতে পারে নি বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে। এই মন্তব্যে তিনি ভীষণ চটেছেন পুনম পাণ্ডের উপর। এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘পুনম পাণ্ডে সর্বসমক্ষে নগ্ন হয়েও সন্তুষ্ট হয় নি। ও এখন এমন কিছু করতে চায় যা আগে কেউই করেনি। ও সর্বসমক্ষে যৌন সম্পর্ক করতে চায়। কিন্তু নিজের বইতে সবসময় খোলামেলা লেখার জন্য তসলিমা সমালোচিত, সেই তিনিই কেন পুনম পাণ্ডের উপর চটলেন সেটাই মিলাতে পারছে না তার ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। তবে কি তসলিমা নিজের স্পষ্টবাদিতা থেকে সরে গেছেন! যদি তাই হয় তবে তা হবে তার ভক্তদের জন্য একটা বড় আঘাত।

>ইরানে নারীদের নগ্ন আন্দোলন
দেশে-দেশে ডেস্কঃ এবার অধিকার আদায়ের ভিন্ন পথ অবলম্বন করলেন ইরানের এক দল নারী। তারা নগ্ন হয়ে তাদের এই দাবি জানান।নারীর সমানাধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে গত ৮ মার্চ নারী দিবসে একটি ভিডিওতে নগ্ন হন এই নারীরা। নারী দিবসে এটি একটি বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে। ওই ভিডিওতে যে বার্তা ছিল সেগুলো এই রকম-
আমি পুরুষ ও নারীর সমানাধিকার বিশ্বাস করি।
আমার নগ্নতা আমার মৃত্যু নয়।
আমার চিন্তা, আমার শরীর, আমার পছন্দ।
ইসলামি রাজনীতিকে আমার নগ্নতার না।
উল্লেখ্য, ন্যুড ফটো রেভলিউশনারি নামক একটি ক্যালেন্ডারের বিপণন বাড়ানোর জন্য এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।

>অপরাধ ডেস্কঃ বউয়ের অবৈধ সম্পর্ক ধরার জন্য বিছানার নিচে
ট্রান্সমিটার রাখার অপরাধে তার স্বামীকে পুলিশ অভিযুক্ত করেছেন এক নারী। র‍্যাকন টাউনশিপের বাসিন্দা সুজানি ক্রিপ নামের এই নারী পুলিশকে জানান, সে তার বিছানার নিচে একটি ট্রান্সমিটার খুজে পেয়েছে এবং তার ধারণা এটি তার স্বামী ওয়েন কমেট ক্রিপেরই কাজ।
দম্পতিটি বেশ কিছুদিন আগেই বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও তারা একই বাসাতে বসবাস করে আসছিল কিন্তু তাদের বেডরুম ছিল আলাদা। যখন পুলিশ ওয়েনের সাথে যোগাযোগ করে তখন সে অকপটে ট্রান্সমিটার রাখার কথা স্বীকার করে নেয়। সে পুলিশকে বলে, তার স্ত্রী ও তার স্ত্রীর ছেলেবন্ধু কখন যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয় তা জানার জন্যই মূলত তিনি ট্রান্সমিটারটি বিছানার নিচে রেখেছিলেন। ট্রান্সমিটারের রিসিভারটি ওয়েনের ট্রাকে ছিল ও সে পুলিশকে বলে যে রিসিভারটি ঠিকমত কাজ করছিল না এই জন্য তিনি সেটিকে ফেলে দেন। তাকে কারো গোপন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য প্রথমে লঘূ অভিযোগে অভিযুক্ত করা হলেও, পরে কারো অজান্তে জেনেশুনে তার যোগাযোগকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য গুরু অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়। আগামী ২৩ মার্চ ওয়েনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

>অপরাধ ডেস্কঃ নতুন একটা সমীক্ষাতে এমনটি দাবি করা হয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০
শতাংশ নারী অন্য পুরুষ দ্বারা মা হচ্ছেন। গবেষকেরা হিসাব করে বের করেছেন যে, অনগ্রসর শ্রেণীর মধ্যে এই প্রবণতা বেশি এবং কম শিক্ষিত নারীদের মাঝে বেশ বেশি। ২৭ বছর ধরে ৪ হাজার জন মার্কিন নারীদের মধ্যে এই গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন মিশিগান ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল রিসার্চ। গবেষণাটি শেষ করে তারা পপুলেশন অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকার কাছে রেপোর্টটি জমা দেন। গবেষক দলের অন্যতম কাসান্দ্রা দুরিয়াস জানিয়েছেন, ‘ যেসব মহিলারা বিভিন্ন পুরুষের সন্তানের মা হন তারা অন্য মায়েদের থেকে শিক্ষা এবং আয়ের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে থাকেন।

>অপরাধ ডেস্কঃ ফ্লোরিডার একটি হাই স্কুলের শিক্ষিকা স্টেপহানিয়ে
কবের বিরুদ্ধে তার স্কুলের এক ছাত্রের সাথে অনৈতিক যৌন সম্পর্কের অভিযোগ আনা হয়েছে। ২৬ বছর বয়সি এই নারী ডিসেম্বরে রিজাইন করেন। কারণ তিনি পুলিশকে ৯১১ এ কল করে বলেন তার একজন বন্ধু তাকে আত্মহত্যার মেসিজ পাঠিয়েছে। অপরিচিত এই ব্যক্তির নাম্বার কবের মোবাইল ট্র্যাক করে উদ্ধার করে পুলিশ। তারপর পুলিশকে কব ১৬ বছর বয়সি এই যুবকের ফোন নাম্বার এবং বাসার ঠিকানা দেন। কিন্তু পুলিশ প্রতিনিধির কাছে ছেলেটি আত্মহত্যার কথা অস্বীকার করেন। ছেলেটির পরিবারের সদস্যরা তদন্ত কর্মকর্তাদের বলেন- তার একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে এবং মেয়েটি তার ঘাড়ে চেপে আছে। তদন্তকারীদের কাছে কবের স্কুলের অফিস থেকে জানানো হয় যে কবের সাথে ছাত্রের প্রেমের গুজব শোনা যায় এবং তাদেরকে ঘনিষ্ঠভাবে বেশ কিছুবার দেখা গেছে। তদন্তকারীরা যখন কবকে প্রশ্ন করেন যে সে ওই ছাত্রকে চুমা বা আলিঙ্গন করেছে কিনা, তিনি উত্তরে বলেন- আমি মনে করতে পারছি না। ছাত্রটি পুলিশের জেরার মুখে বলেন তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। তারা কারের মধ্যে সেক্স করেছে এবং একে অপরকে ভালবাসে। সে আরও বলে শিক্ষিকার সাথে কলেজ বিষয়ে কথা বলতে বলতে সে তার প্রেমে পরে। প্রতিদিন ক্লাসে তাকে দেখে ভালবাসা বাড়তে থাকে। ফোন রেকর্ড থেকে দেখা যায় এই যুগল প্রায় ১২০০০ টেক্সট মেসিজ এবং চার মাসের মধ্যে একে অপরকে ৫০০ বারের বেশি কল করেছে। কবকে গত রবিবার গ্রেপ্তার করা হয়ছে। তার জামিন মূল্য ধরা হয়েছে ২৫০০০ ডলার।

>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ দীর্ঘ ১১৭০০ রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন তিনি। হাই এঙ্গগ নামে পরিচিত এই ব্যক্তির নাম থাই এঙ্গগ।
তিনি বলেন, ‘ ১৯৭৩ সালে এক অসুখের পর থেকে আমি এই দীর্ঘ এতোগুলো রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। আমি জানিনা এই অনিদ্রা আমার শরীরের উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারছে কিনা। কিন্তু আমি এখনো সুস্থ এবং অন্যদের মতোই স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারি।তার একজন প্রতিবেশি জানান, ‘ থাই প্রতিদিন ৫০ কেজি ওজনের সারের বস্তা মাথায় করে ৪ কিমি পথ পারি দিয়ে বাড়ি আসতে পারে।
থায়ের স্ত্রী জানান, ‘ আমার স্বামীর ঘুম স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু একটা অসুখের পর ডাক্তারের দেয়া কিছু ওষুধ খাওয়ার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মি থাই এখন নিজের ফার্মে মুরগি আর শুকর চাষ করে সময় কাটান। তিনি স্ত্রী ও ছয় সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটাচ্ছেন। তিনি তার এই নিদ্রাহীনতাকে কাজে লাগাচ্ছেন ভালভাবেই। রাত জেগে তার ফার্ম পাহারার সাথে সাথে তিনি মাছ চাষের জন্য দুইটা পুকুরও কেটে ফেলেছেন।