Thursday, August 4, 2011

ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ


ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ

বিজ্ঞান আর ধর্মে কোন প্রভেদ নেই । প্রভেদ শুধু দৃষ্টিভঙ্গিতে । বিজ্ঞান শুধু "কি" তার উত্তর দিতে পারে "কেন" বা "কি হওয়া উচিত" সে উত্তর দেয়ার ক্ষমতার নেই । অপরদিকে ধর্ম শুধু মানুষের কাজ আর চিন্তার মূল্যায়ন করতে পারে মাত্র । সে হয়ত মানব জীবনের লক্ষ নির্ধারণ করতে পারে কিন্তু সে লক্ষ্যে পৌঁছবার পথ বলে দেয় বিজ্ঞান । ... তাই ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান পঙ্গু আর বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ ।

ইমাম আবু হানিফা

অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি কুরআন হাদিস কিকাহ ইলমে কালাম আদব ব্যুৎপত্তি লাভ করেন। ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বাল্যকালে লেখাপড়ার কোন সুযোগ পাননি । 
কারণ তখন কুফায় এসে মারওয়ানী খিলাফতের যুগ । আব্দুল মালেক ইবনে মারওয়ান ছিলেন খিলাফতের প্রধান এবং যগের অভিশাপ, নিষ্ঠুর ও অত্যাচারী হাজ্জাজ ইবনে ইউসুফ ছিলেন ইরাকের শাসনকর্তা । 

দেশের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো প্রায় বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল । ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) ১৪/১৫ বছর বয়সে একদিন যখন বাজারে যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে তৎকালীন বিখ্যাত ইমাম হযরত শা'বী (রহঃ) তাঁকে দেখে জিজ্ঞাস করলেন, হে বালক, তুমি কি কোথাও লেখাপড়া শিখতে যাচ্ছ? উত্তরে তিনি অতি দুঃখিত স্বরে বললেন, "আমি কোথাও লেখাপড়া শিখি না ।" 

ইমাম শা'বী (রহঃ) বললেন, "আমি যেন তোমার মধ্যে প্রতিভার চিহ্ন দেখতে পাচ্ছি । ভাল আলেমের কাছে তোমার লেখাপড়া শিখা উচিত" ইমাম শা'বী (রহঃ) -এর উপদেশ ও অনুপ্রেরণায় ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) ইমাম হাম্মাদ (রহঃ) ইমাম আতা ইবনে রবিয়া (রহঃ) ও ইমাম জাফর সাদিক (রহঃ) -এর মত তৎকালীন বিখ্যাত আলেমদের কাছে শিক্ষা লাভ করেন । খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কুরআন, হাদিস, কিকাহ, ইলমে কালাম, আদব প্রভৃতি বিষয়ে ব্যুৎপত্তি লাভ করেন । জ্ঞান লাভের জন্যে তিনি মক্কা, মদীনা, বসরা এবং কুফার বিভিন্ন এলাকায় অবস্থানরত আলেমদের কাছে গিয়েছিলেন । বিভিন্ন স্থান হতে হাদিসের অমূল্য রত্ন সংগ্রহ করে স্থীয় জ্ঞান ভান্ডার পূর্ণ করেন । উল্লেখ্য যে, তিনি প্রায় চার সহস্রাধিক আলেমের কাছে শিক্ষা লাভ করেছিলেন । শিক্ষকের বাড়ীর দিকে পা মেলে বসেননি
ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) হাদিসের অমূল্য রত্ন সংগ্রহ করে স্থীয় জ্ঞান ভান্ডার পূর্ণ করেন । উল্লেখ্য যে, তিনি প্রায় চার সহস্রাধিক আলেমের কাছে শিক্ষা লাভ করেছিলেন ।
 
ইমাম মালেক (রহঃ)-এর কাছেও তিনি হাদিস শিক্ষা লাভ করেন । ইমাম মালেক (রহঃ)যদিও বয়সের দিক থেকে তাঁর চেয়ে ১৩ বছরের ছোট ছিলেন; তাথাপি ইমাম ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) তাঁকে অশেষ সন্মান করতেন । শিক্ষকদের প্রতি ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-এর এত ভক্তি শ্রদ্ধা ছিল যে, তিনি নিজেই বর্ণনা করেছেন, "আমার শিক্ষক ইমাম হাম্মদ (রহঃ) আমি তাঁর বাড়ীর দিকে পা মেলে বসিনি । তিনি বল্লেন, আমার ভয় হতো শিক্ষকের প্রতি আমার বেয়াদবী হয়ে যায় কিনা ।

তিনি আত্মসংযমী মহান চরিত্রবান পরহেজগার উদর দানশীল অতিশয় বিচক্ষণ মুত্তাক্বিন

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) চরিত্র ছিল বহু গুণে গুণান্বিত । তিনি ছিলেন আত্মসংযমী, মহান চরিত্রবান, পরহেজগার, উদর, দানশীল, অতিশয় বিচক্ষণ এবং মুত্তাক্বিন । তিনি ছিলেন, হিংসা, লোভ, ক্রোধ ইত্যাদি থেকে পবিত্র । বিনা প্রয়োজনে কোন কথা বলতেন না । তিনি সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর পর্যন্ত এশার নামাযের ওজু দিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করতেন । এতে এটাই বুঝা যায় যে, তিনি সারা রাত আল্লাহর ইবাদত ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণায় মগ্ন থাকতেন ।ৱ

ফিকাহ শাস্ত্রের উন্নতি

সুদীর্ঘ ৩০ বছর কাল ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)ও অন্যান্যদের আপ্রাণ চেষ্টা ও সাধনার ফলে ফিকাহ শাস্ত্রের উন্নতি সাধিত হয় । তিনি তাঁর শিক্ষাকতা জীবনে পৃথিবীতে হাজার হাজার মুফাচ্ছির, মুহাদ্দিস ও ফকীহ তৈরি করে গিয়েছেন । 
বর্তমান বিশ্বের প্রায় মুসলমান হানাফী মাজহাবের অনুসারী
কারো মতে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) তাবেয়ী ছিলেন । তবে তাবে' তাবেয়ী হবার ব্যাপারে কোন মতবিরোধ নেই । ইমাম আবু হানিফ (রহঃ)-এর শিক্ষকরা প্রায় সবাই তাবেয়ী ছিলেন । ফলে হাদিস সংগ্রহের ব্যাপারে তাঁদের মাএ একটি মধ্যস্থতা অবলম্বন করতে হত । তাই তাঁর সংগৃহীত হাদিসসমূহ সম্পূর্ণ ছহীহ বলে প্রমাণীত হয়েছে । তাফসীর ও হাদিস শাস্ত্রে তাঁর অসাধারণ অভিজ্ঞতা ও পান্ডিত্য থাকা সত্বেও ফিকাহ শাস্ত্রেই তিনি সর্বাধিক খ্যাতি লাভ করেছেন । তিনি কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের ভিত্তিতে বিবিধ বিষয়ে ইসলামী আইনগুলোকে ব্যাপক ও পুঙ্খানপুঙ্খভাবে আলোচনা করেছেন । বর্তমান বিশ্বের প্রয় মুসলমান হানাফী মাজহাবের অনুসারী । 
ন্যায় ও সত্যের আদর্শ থেকে বিন্দু মাত্র পদঙ্খন ঘটাতে পারেনি তিনি সমাজের অধঃপতনের সময় আলোক-বর্তিকা নিয়ে যে সকল মনীষীরা পৃথিবীর বুকে আবিভুত হয়েছিলেন, পার্থিব লোভলালসা ও ক্ষমতার মোহ যাদেরকে ন্যায় ও সত্যের আদর্শ থেকে বিন্দু মাত্র পদঙ্খন ঘটাতে পারেনি; যাঁরা অন্যায় ও অসত্যের কাছে মাথা নত করেননি, ইসলাম ও মানুষের কল্যাণে সারাটা জীবন যাঁরা পরিশ্রম করে গিয়েছেন, সত্যকে আঁকড়ে থাকার কারণে যাঁরা জালেম সরকার কর্তৃক অত্যাচারিত, নিপীড়ীত, নির্যাতিত; এমনকি কারাগারে নির্মমভাবে প্রহারিত হয়েছেন তিনি ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) তাঁদের মধ্যে অন্যতম । 

নির্যাতনের ভয়ে জালিম সরকারের কাছে মাথা নত করেননি

তিনি কাপড়ের ব্যবসা করে নিজের এবং পরিবারের জীবিকা উপার্জন করতেন । কতিপয় কর্মচারীর দ্বারা ব্যবসা পরিচালনা করতেন । ব্যবসায় যাতে হারাম অর্থ উপার্জিত না হয় সে জন্যে তিনি কর্মচারিদের সব সময় সতর্ক করতেন । একবার তিনি দোকানে কর্মচারীদের কিছু কাপড়ের দোষ-ত্রুটি দেখিয়ে বললেন, "ক্রেতার কাছে যখন এগুলো বিক্রি করবে তখন কাপড়ের এ দোষগুলো দেখিয়ে দিবে এবং-এর মূল্য কম বাখবে ।" কিন্তু পরবর্তীতে কর্মচারীরা ভুলক্রমে ক্রেতাকে কাপড়ের দোষ-ত্রুটি না দেখিয়েই বিক্রি করে দেন । এ কথা তিনি শুনতে পেয়ে খুবই ব্যথিত হয়ে কর্মচারীদের তিরস্কার করেন এবং বিক্রিত কাপড়ের সমুদয় অর্থ সদকা করে দেন । 
তাঁর সততার এ রকম শত শত ঘটনা রয়েছে । তিনি কখনো সরকারি কোন অনুদান গ্রহণ করেননি এবং অবৈধ ক্ষমতা ও অর্থের লোভলালসা তাঁকে কোনদিন স্পর্শ করতে পারেনি । তাই সত্যকে প্রকাশ করতে তিনি কাউকে ভয় করতেন না । ইয়াজিদ ইবনে হুরায়রার আমন্ত্রন পেলেন বিচারপতি পদ গ্রহন করার জন্য কিন্তু প্রত্যাখ্যানই করলেন না বরং সুস্পষ্ট ভাষায় বলেদিয়েছিলেন. "প্রধান বিচারপতির পদ গ্রগণ করাতো দুরের, মোটা অংকের বেতন দিয়ে ইয়াজিদ যদি মসজিদের দরজা জানালাগুলো গুণবার মত হালকা দায়িত্বও দেয়, তথাপি এ জালেম সরকারের অধীনে আমি তা গ্রহণ করব না ।" এতে ইয়াজিদ ক্ষিপ্ত হয়ে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-কে গ্রেফতার করে কারাগারে বন্দী করেন । এরপর কারাগারে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করার জন্যে অনুরোধ জানান । কিন্তু এতেও তিনি রাজী না হওয়ায় কারাগারে প্রতিদিন তাঁকে বেত্রাঘাত করা হত । কিন্তু ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)নির্যাতনের ভয়ে জালিম সরকারের কাছে মাথা নত করেননি । অবশেষে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি মক্কায় চলে আসেন ।

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বিষ ক্রিয়ায় সিজদায় পড়ে যান এবং সিজদা অবস্থায়ই পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণ করেন

খলিফা মনসুর, ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-কে বাগদাদের খলিফার দরবারে তলব করেন । তিনি খনিফার দরবারে উপস্থিত হলে তাঁকে প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণ করার অনুরোধ জানান । কিন্তু ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) জালেম সরকারের অধীনে এ পদ গ্রহন করতে রাজি হলন না । তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে একটা মনসুরের গভীর ষড়যন্ত্র । এছাড়া এ পদ গ্রহণ করার অর্থ হবে ন্যায়, ইনসাফ ও ব্যাক্তিত্বকে বিসর্জন দিয়ে জালেমের পুজারী হওয়া । তাই ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) খলিফা মনসুরকে বললেন, "আমি প্রধান বিচারপতির পদ গ্রহণ করার য়োগ্য নই ।" এতে খলিফা রাগন্বিত স্বরে বললেন, আপনি মিথ্যাবাদী । প্রত্যুত্তরে ইমাম সাহেব বললেন, "আপনার কথা যদি সত্যি হয় তাহলে আমার কথাই সঠিক । কারণ একজন বিথ্যাবাদী রাষ্ট্রের 'প্রধান বিচারপতি' পদের যোগ্য নয় ।"
অতঃপর খলিফা মনসুর কোন উত্তর দিতে না পেরে ক্রুদ্ধ হয়ে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) কে গ্রেফতার করে কারাগারে বন্দী করার নির্দেশ দেন । কারাগারে বসেও ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) ফিকাহ শাস্ত্রে তাঁর কঠোর সাধনা চালিয়েছিলেন । কারগারে বসেই তিনি বিভিন্ন কঠিন মাসআলার জবাব দিতেন । বিভিন্ন জায়গা থেকে শত শত মানুষ এসে কারাগারেই মাসআলা শিক্ষা লাভ করে যেতেন । ইমাম আবু ইউসুফ (রহঃ) লিখেছেন, ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) কেবল মাত্র কারাগারে বসেই ১২ লক্ষ ৯০ হাজারের অধিক আসআলা লিপিবদ্ধ করেছিলেন । 
এরপর খলিফা মনসুর একদিন খাদ্যের সাথে বিষ মিশিয়ে দেন । ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) বিষ ক্রিয়া বুঝতে পেরে সিজদায় পড়ে যান এবং সিজদা অবস্থায়ই তিনি ১৫০ হিজরীতে এ নশ্বর পৃথিবী থেকে বিদায় গ্রহণ করেন । 
ঈসা (আ.) মো'জেজা
হজরত ঈসা (আ.) তার নবু্য়্যতের প্রমাণ সরূপ বহু আলৌকিক কর্যাবলি দেখাতে শুরু করলেন । মাটি দ্বারা পাখি তৈরি করে উড়িয়ে দেয়া, অন্ধকে দৃষ্টিদান, বোবাকে বাক্শক্তি দান, কুষ্ঠকে আরোগ্য করা, পানির উপর হাঁটা ইত্যাদি তাঁর মো'জেজা ছিলো ।
শ্রেষ্ঠ ঘোষনা

"উচ্চ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করলেন এবং..
বিশ্বনবী (স.) নারী জাতিকে সর্বো "মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত "


"আত্মার সাত্বিক কাছে জড়দেহের ভোগ, সুখের মূল্য কিছুই না যত দিন না মানুষ পরকে সুখ দিতে আনন্দ বোধ করবে ; তত দিন তার যথার্থ কল্যণ নাই " "পাঁচটি ঘটনার পূর্বে পাঁচটি জিনিস মূল্যবান জ্ঞান করিবেঃ তোমর বৃদ্ধ বয়সের পূর্বে তোমার যৌবনকে, ব্যাধির পূর্বে স্বাস্থ্যকে, দ্রারিদ্রোর পূর্বে সচ্চলতাকে, কর্মব্যস্ততার পূর্বে অবসরকে এবং মৃত্যুর পূর্বে জীবনকে

শ্রেষ্ঠ ঘোষনা

"মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত "
আজও যারা শ্রেষ্ঠ:

বিদায় হজ্জের ভাষনে বিশ্বননবী (সা.) মানবাধিকার সম্পর্কিত যে সনদপত্র ঘোষণা করেন দুনিয়ার ইতিহাসে তাহা আজও শ্রেষ্ঠ ।

(১) হেবন্ধুগন, স্মরণ রেখ, আজিকার এ দিন, মাস এবং এ পবিত্র নগরী তোমাদে কাছে যেমন পবিত্র, তেমনি পবিত্র তোমাদের সকলের জীবন, তোমাদের ধন_সম্পদ, রক্ত এবং তোমাদের মান-মর্যাদা তোমাদের পরস্পরের কাছে । কখনো অনোর উপর অন্যায়ভাবে সস্তক্ষেপ করবে না ।
(২) মনে রেখ, স্ত্রীদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার আছে, তোমাদের উপরও স্ত্রীদের তেমন অধিকার আছে ।
(৩) সাবধান, শ্রমিকের মাথার ঘাম শুকাবার পূর্বেই তার উপযুত্ত পারিশ্রমিক পরিশোধ করে দেবে ।
(৪) মনে রেখ, যে পেট ভরে খায় অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে সে প্রকৃত মুসলমান হতে পারে না ।
(৪) চাকর চাকরাণীদের প্রতি নিষ্ঠুর হয়ো না । তোমরা যা খাবে, তাদরকে তাই থেতে দেবে ; তোমরা যা পরিধান করবে, তাদেরকে তাই (সমমূল্যের)পরিধান করতে দেবে ।
(৬) কোন অবস্থাতে ইয়াতীমের সম্পদ আত্মসৎ করবে না । এমনিভাবে মানবাধিকর সম্পর্কিত বহু বানী তিনি পেশ করে যান ।