Tuesday, January 9, 2018

> গাছ হচ্ছে পাখির নীড়।
গাছেই পাখি খুঁজে বেড়ায় তার শান্তির আবাস স্থল। কিন্তু এই গাছেই যখন পাখি গলারধকরন করে তখন বিষয়টি কেমন হয়। মনে হতে পারে যেন রূপকথার গল্প। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ইংল্যান্ড এর সমারসেটে। সেখানে একটি মাংসাশী উদ্ভিদ আছে যার নাম pitcher plant। সেই গাছের তত্ত্বাবধায়ক গাছটির আসে পাশে একটি পাখির অবশিষ্টাংশ খুজে পান। গাছটি প্রথমে ছোট প্রাণী সমূহকে ধরে গাছের ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলে। তারপর একধরনের বিশেষ তরল পদার্থ দ্বারা প্রাণীটিকে গলিয়ে ফেলে। যেখানে পোকামাকড়, ছোট ইঁদুর এবং টিকটিকি থাকে সেসব অঞ্চলে এ গাছ পাওয়া যায়। গাছের তত্ত্বাবধান করেন এমন একজন বলেন যে, এইটা এই দিয়ে দ্বিতীয় বার ঘটলো। গাছ পাখি শিকার করে ফেলেছ। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করে যে, যখন পাখিরা ছোট পোকামাকড় খেতে গাছের আসে পাশে যায় তখন দুর্ঘটনাবশত পাখিরাই গাছের দ্বারা শিকার হয়ে যায়।

>দুমুখো সাপের কথা শুনেছেন। কিন্তু
কখনো কি শুনেছেন দুমুখো মানুষ? এই বিচিত্র মানুটির নাম এডওয়ার্ড মরড্রেক। তিনি মাথার পিছনে আরেকটি মুখ নিয়ে জন্মেছেন। এখন তার দুই মুখ, একটা সামনে আর একটা মাথার পেছনে। যদিও পেছনের মুখটি দিয়ে তিনি কথা বলতে পারেন না, এই মুখ দিয়ে তিনি শুধু হাসতে এবং কাঁদতে পারেন। মরড্রেক ডাক্তারদের তার এই ‘দুষ্ট মাথা’ সরিয়ে ফেলতে বলেন। কারণ রাতে ঘুমানোর সময় তাকে এই মাথা সমস্যা সৃষ্টি করে। কিন্তু কোন ডাক্তারই এই কাজ করতে সাহস পাননি। ২৩ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার এই অবস্থার কারণ এখনো অজানা। কিন্তু এই অতিরিক্ত মুখটির জন্য তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

> চালস টমবি নামের একজন সুদানের
একজন লোককে জোর করে ছাগলের সাথে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জুবা উপশহরের হাই মালাকাল নামক স্থানের একটা ছাগলের সাথে সেক্স করার সময় ধরা পরেছেন। ছাগলের মালিক টমবিকে ধরে নিয়ে গিয়ে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ব্যাপারটা মীমাংসা করতে বলেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আদেশ দেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছাগলটাকে বিয়ে করতে হবে! ছাগলের মূল্য দিতে হবে এবং ১৫০০০ দিনার যৌতুক দিতে হবে। বিয়ের সময়ই অর্ধেক অর্থ পরিশোধের আদেশও দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই গ্রামের মানুষজন ছাগলটাকে কৌতুক করে ‘রোজ’ নামে ডাকতে শুরু করেছে। ২০০৬ সালের আগে পরে আর এরকম ঘটনা ঘটেনি।

> সব মহা মানবদেরই শেষ কথা নিয়ে
অনেক আলোচনা হয়। অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্বে শেষ কথা। আইনস্টাইন মৃত্যুর পূর্বে কি বলেছিল জানেন? আইনস্টাইন,সর্বকালের একজন সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী। তিনি একজন জার্মান পদার্থবিদ। আধুনিক পদার্থের জনক তিনি। তিনিই একমাত্র মহামানব যিনি মৃত্যুর আগে কি বলেছিলেন তা জানা যায়নি। এ এক বড় রহস্য হয়ে আছে আজো। মৃত্যুর আগের দিন তিনি তার শরীরে অস্ত্রোপচার করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমার মৃত্যু হবে তখনই আমি মরতে চাই। নকল উপায়ে বেঁচে থাকা স্বাদহীন। আমি আমার কাজ করেছি, এখন যাবার সময় হয়েছে। আমি মার্জিতভাবেই মরতে চাই। এ কথা বলার পরদিন সকাল পর্যন্ত তিনি বেঁচে ছিলেন। ৭৬ বছর বয়সে মারা যাবার আগে তিনি কয়েকটি জার্মান শব্দ বলেছিলেন। তার সেবাই নিয়োজিত সেবিকা সেই শব্দ গুলো শুনেছিলেন। কিন্তু নিয়তির পরিহাস, ওই সেবিকা জার্মান ভাষা জানতেন না।

>১১ বছর বয়সি বালক পাউলো ডেভিডকে
এখন সবাই চুম্বক বালক বলে ডাকেন। কারণটাও মজার, তার শরীরে সকল ধাতব বস্তু লেগে থাকে। যে কোন ধরণের ধাতব বস্তু যেমন হাড়ি, পাতিল, ছুরি, কাঁচি সবই তাকে আকর্ষণ করে। আশ্চর্যের ব্যাপার হল পৃথিবীতে পাউলোই একমাত্র এই ক্ষমতার অধিকারী নয়। আরো অনেকেই এই রকম শরীরের অধিকারী। বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন কেন শরীরের এই রকম আচরণ। পূর্বে বিশ্বাস করা হতো যে এদের শরীরে চৌম্বকক্ষেত্র বিদ্যমান। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই সম্ভাবনা বাতিল করে দেন। তারা মনে করেন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোন সিস্টেমের ব্যতিক্রম আচরনের জন্যই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।

>একবার ভাবুন তো আপনি ২০ বছরের একজন টগবগে তরুণ
অথচ একটা প্যান্ট পরিধানের পর হয়ে গেলেন ৭৫ বছর বয়সি এক বুড়া! শুনতে চাপা লাগলেও এটা এখন সম্ভব।
এম,আই,টি এর বিজ্ঞানীরা এমন একটি স্যুট আবিষ্কার করেছে যা পরিধান করলে যে কোন বয়সি একজন ব্যক্তি ৭৫ বছর বয়সের স্বাদ নিতে পারবে। আমেরিকায় নতুন প্রজন্ম এটির প্রতি দারুনভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এটি মূলত বয়স্ক ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য বানানো হয়েছে। এই স্যুটটি যে কাউকে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করে। এটি পরিধান করে তরুণরাও তাদের শারীরিক এবং বাচনিক ভঙ্গিতে ৭৫ বয়সীদের স্বাদ অনুভব করতে পারবেন। বেশ অদ্ভুত উপায়ে এই স্যুটটি কাজ করে। একটি বড় রাবার ব্যান্ডের মাধ্যমে হাতগুলো রুক্ষ আবরণে ঢাকা থাকে আর ব্যক্তি তার হাতকে প্রসারিত করতে পারেনা। একটি হেলমেট ব্যক্তির মেরুদন্ডকে অস্বস্তিকরভাবে কুঞ্চিত করে রাখে। এটি দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে রাখতে সক্ষম।

>সমুদ্রের ত্রাস সৃষ্টিকারী মাছ। শ্রেষ্ঠ শিকারি।
গাছের যেমন ফলে পরিচয়, তেমনি এই শিকারির চেনা যায় এর দাঁতে। এটা আমাদের সবারই অজানা যে একটি হাঙরের অনেকগুলো দাঁতের সারি থাকে। সামনের দুই সারি দাঁত শিকার ধরার জন্য ব্যবহার হয় এবং পিছনের সারির দাঁতগুলো সামনের সারির দাঁতকে সহায়তা করে। হাঙরের আছে একটি শক্ত চোয়াল। হাঙরের দাঁত পড়ার কিছু দিনের মধ্যেই আবার গজাই। এতে হাঙরদের খাওয়া অনেক সহজ হয়। দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা নীতিবাক্যটি এ ক্ষেত্রে অচল। হাঙরদের দাঁত ওঠার এই পদ্ধতি “কনভেইয়র বেল্ট” নামে পরিচিত। হাঙরদের মধ্যে লেমন সার্ক এর দাত খুব কম সময়ের মধ্যেই(৭-৮ দিন) উঠে যায়।

>আমরা ভাবি মানুষ পৃথিবী চালাচ্ছে।
কিন্তু আমাদের শহর কিংবা গ্রাম অথবা ঘরের কোনেই রয়েছে সুপার পাওয়ার সম্পন্ন এক প্রাণী। পিঁপড়া! এই ক্ষুদ্র প্রাণীটি আমাদের চার পাশে প্রচুর পরিমানে বিদ্যমান। যদিও আমরা কদাচিৎ তাদের লক্ষ্য করি। কিন্তু অনেক ব্যপারেই তারা আমাদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। যখন এক ঝাঁক পিঁপড়া একসাথে চলে তখন তাদের দাঁড়ানো সত্যিই দুঃসাধ্য ব্যপার। প্রায় দশ হাজার রকমের পিঁপড়া আছে। দশ লক্ষ পিঁপড়ার বিপরীতে মানুষের সংখ্যা মাত্র এক জন। পিঁপড়াদের মোট ওজন আর পৃথিবীর সকল মানুষের ওজন একই। কিন্তু পিঁপড়া কি আমাদের উপর খড়গহস্ত হতে পারে? একজন লোক বিশ্বাস করেন যে পিঁপড়াদের সেই ক্ষমতা আছে। তিনি হলেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এডওয়ার্ড উইলসন। তার সাহসী এই গবেষণার বিষয় ছিল প্রাকৃতিক ভাবে পিঁপড়া না মানুষ সফলভাবে বসবাস করছেন। তার মত হল পিঁপড়াই এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। তিনি বলেন- আমি আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় পিঁপড়া জাতীয় পতঙ্গ নিয়ে কাজ করেছি। আমি তাদের সাফল্যে অভিভূত। তাদের জীবনে সাফল্যের মূল সূত্র একদম সহজ সরল। তারা একত্রে সব কাজ করে। কিন্তু মানুষ কি তা পারে? পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে যাবেন, দেখবেন পিঁপড়ারা দলবদ্ধ। আর মানুষ?

>নারী, চুল ও যৌন আবেদন
ল্যাবরেটরি ডেস্কঃ একদল গবেষকেরা দাবি করেছেন, নারীরা চুল ছোট রাখলে তাদের যৌন আকর্ষণ বেশ কিছুটা কমে যায়। এবং স্বামীকে আকর্ষণ করতে অনেকাংশে ব্যর্থ হন। বিজ্ঞানীরা বলেন, সেই প্রাচীন গুহামানবের সময় থেকেই চুলের সাথে সেক্সের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। লম্বা চুলের নারীদের যৌন আবেদন বেশি থাকে। এর আগেও এমনই দাবি করেন সেক্স থেরাপিস্ট ও প্রাক্তন কমেডিয়ান ৫৯ বছর বয়সি পামেলা স্টিফেন্সন। তিনি বলেন, ‘ যে সব নারী ছোট করে চুল কাটেন তারা নিজেদেরকে পুরুষের চোখে কম আবেদনময়ী করে তোলেন যদিও বিষয়টি নিয়ে মতোভেদ রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণার এই ফলাফল পামেলার যুক্তিকে একটা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিল এ কথা বলা যায়।

>১০০ বছরে পা দিলেন বাংলার মি. ইউনিভার্স
তাসনিম জাহানঃ তার নাম মনোহর আইচ। জন্ম ১৯১২ সালের ১৭ মার্চ কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ধামতিতে। তিনি ১৯৫২ সালে মি ইউনিভার্স নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি এশিয়া গেমসের বডি বিল্ডিংয়ে ৩ বারের স্বর্ণপদক বিজয়ী। মাত্র ৪ ফুট ১১ ইঞ্চির এই মানুষটাকে সবাই পকেট হারকিউলিস বলেই চেনেন। তার বুকের মাপ ৫৪ ইঞ্চি। তিনি বর্তমানে কলকাতাতে বসবাস করছেন। ছোটবেলা থেকে তিনি শারীরিক কসরতে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ১২ বছর বয়স থেকেই শুরু হয় তার কঠোর পরিশ্রম। ১৯৪৩ সালে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সে (তৎকালীন রয়্যাল এয়ার ফোর্স) যোগদান করার পর বডি বিল্ডিং শুরু করেন। ব্রিটিশ অফিসারদের কাছে তিনি অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন তার এই সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য। ১৯৫০ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে তিনি মি হারকিউলিস প্রতিযোগিতায় জয়ী হন। ১৯৫১ সালে মি ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ২য় হলেও ৫২ সালে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি হন মি ইউনিভার্স। এছাড়াও তিনি আরও অনেক স্মরণীয় কীর্তির অধিকারী। ১৭ তারিখে তার ১০০ বছর পূর্ণ হল। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ আমি জীবনে ধূমপান বা মদকে ছুঁয়ে দেখি নি। জীবনের দুশ্চিন্তা আমাকে গ্রাস করতে পারে নি। সেই ছোট বেলা থেকে টাকা উপার্জনের জন্য লড়াই করেছি। কিন্তু যে কোন পরিস্থিতিতে আমি খুশি থেকেছি। শুভ জন্মদিন বাংলার বীর।

>মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে ভালবাসায় সাড়া দেয় তা নিয়ে সম্প্রতি
এক গবেষণা চালানো হয়। এর ফলাফল যা পাওয়া গেছে তা যথেষ্ট চমকপ্রদ। যেমন প্রেমে পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের ১৫ ভাগের ১ ভাগ সময়। এই জন্যই বুঝি বলে প্রথম দর্শনে প্রেম! প্রেমে পরার সময়ে মস্তিষ্কের ১২ টি অংশ একসাথে কাজ করে। প্রেমে পড়তে ছয় মাস ধরে রেস্টুরেন্টে রেস্টুরেন্টে ঘুরতে হয় না। প্রেমে পরার সময়ে এই সকল অংশ থেকে ডোপামিন, অক্সিটোসিন, অ্যাড্রেনালিন, ভাসোপ্রেসিন প্রভৃতি কেমিক্যাল নির্গত হয়। অতএব দেখা যাচ্ছে যে, ভালবাসা কোকেনের থেকেও বেশি নেশার সৃষ্টি করে। ভালবাসা মস্তিষ্ককে পরিশীলিত করে। যখন মানুষ প্রেমে পরে তখন তা মানুষিক রুপায়ন, এমনকি মেটাফোরকেও আক্রান্ত করে। সর্বোপরি তাদের গবেষণার ফলাফল ভালবাসা আপনার জন্য যথেষ্ট উপকারি।

> ব্রিটিশরা খোলামেলা জাতি হিসাবে পরিচিত।
আর সেখানকার মেয়েদের সমুদ্র সৈকতে অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করার দৃশ্য খুবই সাধারণ। কিন্তু এক সমীক্ষাতে মজার একটা তথ্য বেড়িয়ে এসেছে। ব্রিটিশ পুরুষেরা চান না যে তাদের স্ত্রীরা অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করুক। ব্রিটেনের এক পর্যটন সংস্থার জরিপ থেকে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সানশাইন ডট কো ডট ইউ কে নামের ওই পর্যটন সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ওই সব পুরুষ অন্য নারীরা এভাবে সূর্যস্নান করলে তাদের কোন অসুবিধা নেই বলে জানান। এতে আরও বলা হয় ৫৬ ভাগ পুরুষ চান না যে তাদের স্ত্রী অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করুক। কিন্তু একই সমীক্ষাতে ২৩৯২ জন নারীর মধ্যে ৬৮ ভাগ নারী বলেন, সূর্যস্নানের জন্য তাদের অর্ধনগ্ন হতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু তিন ভাগ নারীর এ ব্যাপারে যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে।


>একটা সম্পর্ক থেকে কি চান পুরুষ বা নারীরা?
মহিলারা চান দীর্ঘ সময়ের জন্য সম্পর্ক করতে আর পুরুষরা চান সম্পর্ক নিয়ে মজা করতে। যদি পুরুষদের ডেটিং এবং এক রাতের সম্পর্কের মধ্যে বেছে নিতে বলা হয় তাহলে তারা এক রাতের সম্পর্ককেই বেছে নেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ম্যাডিসন বিশবিদ্যালয়ের এক সমীক্ষা থেকে এই চমকপ্রদ তথ্য বের হয়ে এসেছে। এই সমিক্ষায় ১৫০ জন নারী এবং ৭১ জন পুরুষকে ডেটিং সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছিল। এই প্রশ্নের উত্তর বাছাই করেই এই সব তথ্য পাওয়া যায়। সমীক্ষা থেকে আরও জানা যায়, ৪১ ভাগ নারী ট্র্যাডিশনাল ডেটিং পছন্দ করলেও মাত্র ২০ শতাংশ পুরুষ তা পছন্দ করে। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ পুরুষ বেশি সময়ের জন্য হওয়া সম্পর্ককে প্রাধান্য দেন।
ঠান্ডা: শিশুর রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা কম হবার কারনে, খুব তারাতারি এবং সহজেই সর্দি কাশি ধরে যায়, সাধারণত প্রতিটি আবহাওয়াতেই বিশেষ বিশেষ অসুখ হয়ে থাকে। বিশেষ করে বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই কথাটি প্রযোজ্য। তবে কিছু কিছু সময়ে কিছু কিছু রোগের প্রার্দুভাব হতে দেখা যায়। আমাদের দেশের সঙ্গে সারা বিশ্বেরই এর একটি প্রাদুর্ভাব আছে। সাধারণত যে শীতের আবহাওয়াটা আসে, হঠাৎ করে গরমের পর যখন শীত পড়া শুরু করে, তখন বাচ্চাদের বিশেষ করে ছোট ছোট বাচ্চাদের সমস্যা হয়।পাঁচ বছরের নিচের বাচ্চাদের বিষয়ে কথা বলব। হঠাৎ করে যখন তাপমাত্রার পরিবর্তন হয়, সেই তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চাদের যে শারীরিক পরিবর্তনটা হয়, সঙ্গে সঙ্গে গরম থেকে ঠান্ডার এই বিষয়টা তারা সমন্বয় করতে পারে না। যার কারণে কিছু কিছু সমস্যা শীতের শুরুতে তৈরি হয়। 

এর অন্যতম হচ্ছে ঠান্ডা, সর্দি, কাশি। শিশুমৃত্যুর অন্যতম একটি কারণ হলো নিউমোনিয়া। এটি ফুসফুসের একধরনের সংক্রমণ। নিউমোনিয়া যাতে না হয়, আর হলেই যেন তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসা করা যায়, তারই প্রাথমিক লক্ষণ হলো ঠান্ডা সর্দি-কাশি।এর প্রাথমিক লক্ষণ হচ্ছে কাশি, শ্বাসকষ্ট। এখন অনেক সময় শ্বাসকষ্টটা মা ঠিকমতো বলতে পারেন না। মা হয়তো বলেন, দম ফেলতে পারছে না। সেই সঙ্গে কাশি হচ্ছে, সেই সঙ্গে নাক দিয়ে পানি পড়ছে, অথবা একটু হালকা জ্বর থাকতেও পারে, নাও পারে। মূলত যদি আমরা দুটো লক্ষণকে কেন্দ্র করি, একটি হচ্ছে কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, আর শ্বাসকষ্ট। শ্বাসকষ্টের ভিন্নতা হতে পারে। মা বুঝতে পারেন, তাঁর বাচ্চা আগে যেভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিত একটু হলেও তার পরিবর্তন হয়েছে। এই কারণেই তাঁরা সাধারণত চিকিৎসকের কাছে যান। তাই শিশুদের হাল্কা জ্বর ঠাণ্ডা লাগলেও অপেক্ষা না করে, ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।  

কীভাবে রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভবঃ শীতের শুরু হলো, সাধারণত যেভাবে বাচ্চাকে রাখি এর থেকে একটু ভিন্নভাবে রাখতে হবে। তার জামাকাপড়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাকে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য কুসুম গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করাতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি যদি একদম ছোট বাচ্চার কথা বলি, বুকের দুধ পান করাতে পারলে নিউমোনিয়াসহ যেকোনো সমস্যা কমে যাবে। সুতরাং মায়েদের কাছে অনুরোধ থাকবে তাদের বাচ্চাদের একটু গরম অবস্থায় রাখা, গরম কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা, এই গরম কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখার ক্ষেত্রেও মাকে নিজস্ব বুদ্ধি খাটাতে হবে। অল্প শীত, বেশি শীত- এটা বুঝতে হবে। শিশু ভেতরে হয়তো ঘেমে যাচ্ছে, তখন বুঝতে হবে ঘাম থেকে আবার ঠান্ডা লাগছে। এই জন্য তাদের কাউন্সেলিং করা, উপদেশ দেওয়া। শালদুধ খাওয়ানো থেকে আরম্ভ করে বুকের দুধ খাইয়ে যেতে হবে ছয় মাস পর্যন্ত। এটা করা। এবং বাচ্চাকে একটু গরম অবস্থার মধ্যে রাখা, গরম কাপড় দেওয়া এবং কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করানো বা অন্যান্য কাজগুলোর পরিচর্যা করা, এগুলো করলেই এই সমস্যাগুলো অনেক কমে আসবে।

Sunday, January 7, 2018

এনটিভির স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ১৯৭৬তম পর্বে শিশুর জন্মগত ত্রুটি নিয়ে কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ধাত্রী ও প্রসূতি বিভাগের অধ্যাপক ডা. ফিরোজা বেগম।

প্রশ্ন : অনেক শিশুই  শারীরিক এবং মানসিক ত্রুটি নিয়ে জন্মায়, প্রতিবন্ধী হয়ে জন্মায়, এটি কেন হয়?
উত্তর : জন্মগত ত্রুটি বিভিন্নভাবে হতে পারে। একটি ত্রুটি গঠনগত কারণে হয়, এটি দেখা যায়। এ সমস্যায় হয়তো শিশুর হাত বা পা থাকে না। আরেকটিকে বলা হয় ফাংশনাল ত্রুটি, এ ক্ষেত্রে হয়তো শিশুর বুদ্ধি ঠিকমতো হয় না; সে কানে শুনতে পায় না বা চোখে দেখতে পারে না। অপরটি হলো মেটাবলিক ত্রুটি, সেটা স্বাভাবিকভাবে বোঝা যায় না; কিছু আচরণ দিয়ে বোঝা যায়। যেমন : কনজেনটাল হাইপোথারোয়েডিজম। সারা পৃথিবীতেই চার হাজারেরও বেশি শিশু জন্মগত ত্রুটি নিয়ে জন্মায়। আমাদের দেশেও এই সমস্যা রয়েছে।

প্রশ্ন : এর কারণ কী?
উত্তর : কারণ অনেক। এরমধ্যে একটি হলো জেনেটিক কারণ। এটা হঠাৎ করে হতে পারে। আবার অনেক সময় যদি নিকট আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ে হয় এদের সমস্যা হতে পারে। অথবা বেশি বয়সে সন্তান নিলেও অনেক সময় ডিমের মধ্যে বা স্পার্মের মধ্যে ত্রুটি হতে পারে।

প্রশ্ন : বয়সের কারণে যে সমস্যাটি হয় সেটা কি নারী-পুরুষ উভয়ের বেলায় প্রযোজ্য?
উত্তর : নারীর বেলায় সমস্যা হতে পারে ৩৫ বছরের পরে এবং পুরুষের বেলায় হতে পারে ৫০ বছরের পরে। ছেলেরা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। কারণ ছেলেদের স্পার্মের সমস্যায় জন্য এই ত্রুটি হয়।

প্রশ্ন : ত্রুটিপূর্ণ সন্তান হওয়ার পেছনে পরিবেশগত কী কারণ জড়িত?
উত্তর : কাজের পরিবেশ অনেক জড়িত। যারা ব্যাটারি ফেক্টরিতে কাজ করে তাদের এই সমস্যা হতে পারে। নারীর মধ্যে যারা পার্লারে কাজ করে তারা ব্লিচ করার জন্য যেসব জিনিস ব্যবহার করে এর ফলে সমস্যা হতে পারে। আমরা যে পানি পান করি, এর মধ্যে অনেক সময় প্রেসটিসাইজড, হারবিসাইজড থাকে, সেগুলো সমস্যা তৈরি করে। এ ছাড়া খাবারের মধ্যে প্রিজারভেটিভ দেওয়া থাকে এসবের কারণেও সমস্যা হয়।
একটা শিশু জন্মের প্রথম তিন মাসের মধ্যে তার সব অঙ্গপ্রতঙ্গ তৈরি হয়ে যায়। তখন যা কিছু খাওয়া হয় সবই মায়ের কাছ থেকে বাচ্চার শরীরে যেতে পারে। এর প্রভাবেই শিশু সুস্থ হবে না অসুস্থ হবে- তা অনেকটাই বোঝা যায়।
অনেক সময় দেখা যায় মা হয়তো ধূমপান করে না, বাবা করে, এক্ষেত্রে মা পরোক্ষ ধূমপায়ী হয়ে যায়।

প্রশ্ন : অনেকেই নানা রকম নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে সেই বিষয়গুলোও কী সন্তানের ক্ষতি করে?
উত্তর : শিশুর জন্মগত ত্রুটি হওয়ার পেছনে নেশা একটি বিষয়। নেশা অনেক ক্ষতি করে। এর প্রভাব হয়তো আমরা এখন বুঝব না। আরো ১০ বছর পরে বুঝতে পারব যে আমাদের সমাজের কতখানি ক্ষতি এই নেশার জন্য হয়ে গেছে।

প্রশ্ন : ঝুঁকিপূর্ণ মাকে তাঁর জীবনযাপন, খাবারদাবারের বিষয়ে কী পরামর্শ দিয়ে থাকেন?
উত্তর : যদি কোনো মা ত্রুটি পূর্ণ শিশু জন্ম দেয় তবে অবশ্যই তাঁর বাচ্চা নেওয়ার আগে পরামর্শ ( কাউন্সেলিং) দরকার। অনেক সময় জেনেটিক টেস্ট করা হয়, স্বামী-স্ত্রীর ক্রমোজোমাল টেস্টও করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি যখন গর্ভধারণ করেন আমরা তখন প্রতিরোধ হিসেবে ফলিক এসিড, মাল্টিভিটামিন দিই, বি ভিটামিন দেওয়া হয়। হাইডোজ এ ভিটামিন না দেওয়াই ভালো। ফলিক এসিড-৪ মিলিগ্রাম গর্ভধারণের এক মাস আগে থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হয়। তারপর গর্ভধারণ করলে অনেক সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।
এ ছাড়া মাকে আমরা কিছু টেস্ট  করিয়ে থাকি। যেমন : গর্ভধারণের প্রথম ১৩ সপ্তাহের মধ্যে শিশুর সমস্যা আছে কি না দেখা হয়। তার পরবর্তী সময়ে ২২ থেকে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে এনোমালি স্কেন করি। এখন কিন্তু সব অঙ্গপ্রতঙ্গই আল্ট্রাসোনোগ্রামের মধ্য দিয়ে দেখা যায়। তবে বেশি আল্ট্রাসোনোগ্রাম করাও কিন্তু শিশুর জন্য ক্ষতিকর। আল্ট্রাসাউন্ড বিম শিশুর বৃদ্ধিকে ক্ষতি করে।

প্রশ্ন : ত্রুটিপূর্ণ শিশু জন্মদানের বেশির ভাগ ক্ষেত্রে  মাকেই দায়ী করা হয়। যেসব কুসংস্কার প্রচলিত আছে সে বিষয়ে আপনি কী বলবেন?
উত্তর : কুসংস্কার তো কুসংস্কারই। এর কোনো ভিত্তি নেই। স্বামীর বয়স যদি বেশি হয় সেক্ষেত্রে সিমেন এনালাইসিস করা হয় ,  স্পার্মের অবস্থা কীরকম সেটা দেখা হয়। তার মোরফোলজি কীরকম, গঠনগত কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না এসবও দেখা হয়। এমনকি স্বামী যদি স্বাস্থ্যবান হন সে ক্ষেত্রেও কিন্তু শিশুর সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্বামী এবং স্ত্রীকে আমরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে বলি এবং খাবারদাবার পরিবর্তনে কিছু পরামর্শ দেই। যেমন, বলা হয় গরুর মাংস এড়িয়ে গেলে ভালো। ফার্মের মুরগি এড়িয়ে যেতে বলি।  ফল, সবজি এসব খেতে বলা হয়।

প্রশ্ন : আমরা জানি, ত্রুটিপূর্ণ বাচ্চা হওয়ার পেছনে কিছু ভাইরাসও  দায়ী। সে ক্ষেত্রে টিকা বা ভ্যাকসিনের কী ভূমিকা আছে? একজন সন্তানসম্ভবা মা না বুঝে অনেক ওষুধ খেয়ে ফেলতে পারে, এতে কী ধরনের সমস্যা হয়?
উত্তর : রুবেলা ভাইরাসের কারণে সমস্যা হয়। পরিকল্পিত গর্ভধারণের এক মাস আগে থেকে প্রয়োজন হলে রুবেলা ভেকসিন দিতে হবে। এর ফলে রুবেলা সম্পর্কিত সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়। এ ছাড়া আরো অনেক ভাইরাস যেমন : সাইটোমেগালা, টক্সোপ্লাজমা, প্লাবোভাইরাস এমনকি ফ্লু ভাইরাস, চিকেন পক্স ভাইরাস এসব থেকেও সমস্যা হয়। সে জন্য বলব, গর্ভধারণের সময় নারীটিকে কোনো অবস্থাতেই বেশি ভিড়ের মধ্যে যাওয়া ঠিক না। কোনো  সংক্রমিত রোগী থাকলে তার থেকে একটু দূরে থাকতে হবে। খাবার দাবারে সাবধান হতে হবে। কোনো ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া সেবন করা যাবে না। আর গর্ভধারণের আগে যদি কোনো ওষুধ খায় তবে গর্ভধারণের সময় কী সেই ধরনের ওষুধ খাবে কি না সেটা চিকিৎসকের কাছে জেনে নিতে হবে।

প্রশ্ন : অনেকের ধারণা থাকে গর্ভকালীন আয়রন, ফলিক এসিড, ভিটামিন এসব ওষুধ খাওয়া ভালো। সেটি কি নিজে নিজে খাওয়া তার ক্ষতির কারণ হতে পারে?
উত্তর : কখনোই নিজে নিজে কোনো চিকিৎসাপত্র বানানো উচিত নয়। ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে। কেননা প্রত্যেকটি ওষুধেরই একটি মাত্রা আছে। মাত্রাতিরিক্ত ওষুধ তার জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

সরকারি চাকরির খবর:

নিচের লিঙ্ক হতে আপনি সকল প্রকার সরকারি চাকুরীর খবর, সংবাদ, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সহজেই জানতে পারবেন। এটা সময় সময় আপডেট করা হয়, আর অন্য কোন সাইটে গিয়ে ভূয়া চাকুরির খবর পেতে হবে না। প্রতিদিন এখানেই ভিজিট করে নতুন নতুন চাকুরীর খবর নিয়ে নিন। বাজে ওয়েবসাইট আর পত্রিকা না ঘেটে একটি মাত্র সাইট হতেই সকল সরকারি চাকুরির খবর নিন:

সরকারি চাকুরী খবর পেতে এখানে ক্লিক করুন

Tuesday, November 14, 2017


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে সকল তথ্য আপনি রাখবেন না: 

তা হলো আপনার জন্ম তারিখ, ছবি, বন্ধু তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সবার জন্য Open রাখলে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টই নিরাপদ নয়। হ্যাকাররা চাইলেই বিভিন্ন  এবং ব্যবহারকারীদের তথ্য কাজে লাগিয়ে যেকোনো অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, জানিয়েছে অপরাধ গবেষণাবিষয়ক সংগঠন ক্রাইম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)।

রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে ‘সাইবার সিকিউরিটি : স্বাধীনতা, গোপনীয়তা, কর্তব্য’ শীর্ষক সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক সেমিনারে ক্রাফের সহসভাপতি তানভীর জোহা জানান, অনেকেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের জন্মতারিখ, ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি বা সম্ভাব্য গন্তব্যের বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়। এসব তথ্যের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। সেমিনারে ফেইসবুক স্ট্যাটাস থেকে অপরাধ, সাইবার মামলা, শাস্তি, সাইবার স্পেসে কথা বলার অধিকার প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আইনজীবী সাইমুম রেজা। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি জেনিফার আলম, ক্রাফের ইউআইইউ প্রতিনিধি সায়মা আফরিন প্রমুখ।

Sunday, November 12, 2017

আমরা যারা সফল হতে চাই তাদের নিচের বিষয়গুলি খেয়াল করা উচিৎ। এ যাবৎ যারা সফল হয়েছেন তা নিম্নবর্ণিত বিষয় অনুশীলন করেছেন। আপনিও পারেন এগুলো অনুকরণ করতে। যে Vital বিষয়গুলো অনুকরণ করা প্রয়োজন তা নিচে উল্লেখ করা হলো:

১. নিয়ম করে ঘুমান যাতে অভ্যাস হয়:

ঠিক পরীক্ষার আগে কিংবা কাজের চাপের কারণে কখনো কখনো আমরা ‘ঘুম’কে অবহেলা করে থাকি। অনেক বড় বড় দায়িত্বের ভার কাঁধে থাকার পরও কিন্তু সফল মানুষেরা নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় ঘুমান। টিভি ব্যক্তিত্ব এলেন ডিজেনারেস যেমন প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমান। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, নারী উদ্যোক্তা আরিয়ানা হাফিংটন ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমান। পেপসির প্রধান নির্বাহী ইন্দ্রা নুয়ি ঘড়ি ধরে ৫ ঘণ্টা ঘুমান নিয়ম মেনে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান তাঁরা। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে গেলে আমাদের শরীরের লুকানো দেহঘড়িটা কার্যকর থাকে তাই ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। ঘুম কম হলে শরীর ও মনে হতাশা ভর করে, কাজের আগ্রহ কমে যায়। সপ্তাহখানেক চেষ্টা করলেই আপনার ঘুমকে নিয়মে বেঁধে ফেলতে পারবেন।



২. ভোরের আলো দেখুন প্রতিদিন:


নিয়ম করে ঘুমাতে গিয়ে রাত তিনটায় ঘুমাবেন আর সকাল দশটা-এগারোটায় উঠবেন, সেটা কিন্তু ঠিক হবে না। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিদিন ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঘুম থেকে ওঠেন। টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জ্যাক ডর্সির ঘুম ভাঙে ভোর পাঁচটায়। দ্য রক খ্যাত হলিউড অভিনেতা ডোয়াইন জনসন প্রতিদিন ভোর ৪টায় ওঠেন। এই অভ্যাস তৈরির জন্য আগে ঘুমানোর সময় মুঠোফোন দূরে রাখার অভ্যাস করুন। সকালের জন্য প্রতিদিন কিছু নির্দিষ্ট কাজ ঠিক করে নিন, তাহলে প্রতিদিন সকাল-সকাল ঘুম ভাঙবেই। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো টানা ৩ সপ্তাহ সকালে ওঠার চেষ্টা করতে পারলে আপনার সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে উঠবে।


৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন যা আপনার স্বাস্থ্য ঠিক রাখবে:


সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সপ্তাহে ৬ দিন ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করেন। যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখনো একইভাবে ব্যায়াম করতেন তিনি। আমরা অনেকেই আক্ষেপ করি বলি, কাজের চাপে ব্যায়াম করার সময় পাচ্ছি না! অথচ ভেবে দেখুন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর শত কাজের ভিড়ে শরীরচর্চাকেও একটা ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ হিসেবেই বিবেচনা করেন। ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন প্রতিদিন কাজ শুরুর আগে দৌড়ানো থেকে শুরু করে পাহাড়ে চড়ে এক ঘণ্টা ঘাম ঝরান। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত দুবার করে ২০ মিনিটের জন্য ধ্যান করেন। বয়স ৬০ পেরিয়েছে, এখনো প্রতিদিন অন্তত ৪৫ মিনিট সময় দেন ব্যায়ামাগারে। আপনিও প্রতিদিন অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটুন কিংবা দৌড়ান। বাড়িতেই ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।


৪. অনেক বই পড়ুন যা আপনার পাথেয় হয়ে থাকবে:


বিখ্যাতজনদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা শত কাজের মধ্যেও নিয়মিত বই পড়েন। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বছরে ৫০টি বই পড়েন, প্রতি সপ্তাহে পড়েন অন্তত একটি। ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও ২০১৫ সাল থেকে সপ্তাহে একটি করে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ১০০০ পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করেন। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত বই পড়ার বাইরে নন-ফিকশন ধরনের বই দিয়ে শুরু করুন। শুরুটা করতে পারেন বারাক ওবামার লেখা ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার কিংবা নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী দিয়ে। প্রথম দিকে অনভ্যাসের কারণে বই পড়তে বিরক্তি লাগতে পারে। শুরুতে প্রতিদিন ৫-৬ পৃষ্ঠা করে পড়ুন। যানজটে বসে থাকার সময়টা বই পড়ে কাজে লাগান।


৫. প্রতিদিন সকালে নাশতা করুন:


ব্যস্ততার কারণে অনেকে সকালে নাশতা খেতে চান না। আপনার সারা দিন কতটা কর্মোদ্দীপ্ত হবে, তা কিন্তু নির্ভর করে সকালের নাশতার ওপর। অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতিদিন সকালে ডিম ও টোস্ট খান। মিশেল ওবামা ও বারাক ওবামাও সকালে ডিম দিয়ে নাশতা সারেন। গায়িকা বিয়ন্সের পাতে সকালে থাকে ডিম, সবজি ও লো-ফ্যাট দুধ। অভিনয়শিল্পী এমা ওয়াটসনের টেবিলে রুটি আর ডিম থাকে সকালের নাশতায়।

৬. প্রতিদিনের একটা পরিকল্পনা জরুরি বিষয়:


বিল গেটস, রিচার্ড ব্র্যানসন আর এলন মাস্ক প্রতি রাতে আগামীকাল কী কী করবেন, তা ঠিক করে নেন। কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রাখলে তাড়াহুড়া করে কোনো কাজ করতে হয় না। ঘুমানোর আগে পরদিনের পরিকল্পনা এক টুকরো কাগজে লিখে রাখতে পারেন। কয়েক দিন এই নিয়ম মেনে চললে নিজের অগ্রগতি আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।


৭. ফেসবুক ও ই-মেইলের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার:


নারী উদ্যোক্তা ও লেখক আরিয়ানা হাফিংটন প্রতিদিন ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে ফেসবুক আর ই-মেইল ব্যবহার করেন না। শুধু তা-ই নয়, ঘুম থেকে ওঠার এক ঘণ্টা পরে তিনি ই-মেইল পড়েন। এ ছাড়া সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় তিনি ফেসবুক বা ই-মেইল থেকে দূরে থাকেন। লিংকডইনের সিইও জেফ ওয়েনার ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সময় দেন না। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে চোখ রাখবেন না। আবার রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে ফেসবুক আর মুঠোফোন থেকে দূরে থাকুন।

৮. নোট করে নিন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি:


সেকালের বিখ্যাত মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েন থেকে শুরু করে একালের উদ্যোক্তা মার্ক জাকারবার্গ—সফলদের মধ্যে অনেকেরই একটা জায়গায় মিল। তাঁরা সব সময় কোনো ভাবনা মাথায় এলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পেলে সেটা টুকে রাখেন। ক্লাসে, অফিসের মিটিংয়ে কিংবা নিজের একাকী সময়েও একটা নোটবুক সঙ্গে রাখতে পারেন।


৯. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন যা আপনাকে প্রশিক্ষিত করবে:


মার্ক জাকারবার্গ শত ব্যস্ততার মধ্যেও ম্যান্ডারিন ভাষা শিখেছেন। মার্কিন উদ্যোক্তা শন পার্কার কিংবা অভিনয়শিল্পী অ্যাস্টন কুচারও প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করেন। এই আগ্রহ আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বিস্তৃত করে। আপনি হয়তো সাইকেল চালাতে জানেন না, সময় করে শিখে ফেলছেন না কেন? নতুন কিছু শেখার আনন্দ আপনাকে অন্যান্য কাজেও আগ্রহ জোগাবে। নতুন একটা ভাষা শিখতে পারেন। এই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াবে।


১০. মেধাবী ও বুদ্ধিমান বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান:


মার্ক জাকারবার্গের নাকি বিল গেটসের সান্নিধ্য খুব পছন্দ। আবার বিল গেটস নাকি ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গ পছন্দ করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের ভিড়ে কিংবা মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে খুব আগ্রহ নিয়ে সময় ব্যয় করেন এই সফল মানুষেরা। এভাবে তাঁরা নতুন কিছু শিখতে, জানতে চেষ্টা করেন। আপনিও নতুন নতুন বন্ধু তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন বিতর্ক উৎসব, প্রতিযোগিতা বা কুইজে অংশ নিয়ে নতুন বন্ধু তৈরি করুন।


                                                                                ----

Friday, September 29, 2017

  1. দূরত্ব বোঝায় না এরূপ শব্দে উ-কার যোগে 'দুর' ('দুর' উপসর্গ) বা 'দু+রেফ' হবে। যেমন— দুরবস্থা, দুরন্ত, দুরাকাঙ্ক্ষা, দুরারোগ্য, দুরূহ, দুর্গা, দুর্গতি, দুর্গ, দুর্দান্ত, দুর্নীতি, দুর্যোগ, দুর্ঘটনা, দুর্নাম, দুর্ভোগ, দুর্দিন, দুর্বল, দুর্জয় ইত্যাদি।
  2. দূরত্ব বোঝায় এমন শব্দে ঊ-কার যোগে 'দূর' হবে। যেমন— দূর, দূরবর্তী, দূর-দূরান্ত, দূরীকরণ, অদূর, দূরত্ব, দূরবীক্ষণ ইত্যাদি।
  3. পদের শেষে '-জীবী' ঈ-কার হবে। যেমন— চাকরিজীবী, পেশাজীবী, শ্রমজীবী, কৃষিজীবী, আইনজীবী ইত্যাদি।
  4. পদের শেষে '-বলি' (আবলি) ই-কার হবে। যেমন— কার্যাবলি, শর্তাবলি, ব্যাখ্যাবলি, নিয়মাবলি, তথ্যাবলি, রচনাবলি ইত্যাদি।
  5. 'স্ট' এবং 'ষ্ট' ব্যবহার: বিদেশি শব্দে 'স্ট' ব্যবহার হবে। বিশেষ করে ইংরেজি st যোগে শব্দগুলোতে 'স্ট' ব্যবহার হবে। যেমন— পোস্ট, স্টার, স্টাফ, স্টেশন, বাসস্ট্যান্ড, মাস্টার, ডাস্টার, পোস্টার, স্টুডিও, ফাস্ট, লাস্ট, বেস্ট ইত্যাদি। ষত্ব-বিধান অনুযায়ী বাংলা বানানে ট-বর্গীয় বর্ণে 'ষ্ট' ব্যবহার হবে। যেমন— বৃষ্টি, কৃষ্টি, সৃষ্টি, দৃষ্টি, মিষ্টি, নষ্ট, কষ্ট, তুষ্ট, সন্তুষ্ট ইত্যাদি। অর্থাৎ 'স্ট'-এর উচ্চারণ হবে ‘স্‌ট্’-এর মতো এবং 'ষ্ট'-এর উচ্চারণ হবে ‘শ্‌টো’-এর মতো। যেমন— পোস্ট (পোস্‌ট্‌), লাস্ট (লাস্‌ট্‌), কষ্ট (কশ্‌টো), তুষ্ট (তুশ্‌টো) ইত্যাদি।
  6. যুক্তবর্ণে ‘স’ এবং ‘ষ’ ব্যবহার:  অ/আ-কারের পর যুক্তবর্ণে স হবে। যেমন— তিরস্কার, তেজস্ক্রিয়, নমস্কার, পুরস্কার, পুরস্কৃত, বয়স্ক, ভস্ম, ভাস্কর, ভাস্কর্য, মনস্ক, সংস্কার, পরস্পর, বৃহস্পতি ইত্যাদি। এর ব্যতিক্রম বাষ্প দ্বারা গঠিত শব্দসমূহ। এছাড়া স্পৃশ্য, স্পর্ধা, স্পষ্ট, স্পন্দ, স্পন্দন, স্পর্শ, স্পৃষ্ট, স্পর্শী, স্মর, স্মৃত/স্মৃতি, স্মিত, স্মরণ, বিস্ময় দ্বারা গঠিত শব্দে স হবে। নিষ্ফল বাদে সকল ‘ফ’-এ ‘স’ হবে।
  7. ই/ঈ-কার, উ/ঊ-কার, এ/ঐ-কার এবং ও/ঔ-কারের পর যুক্তবর্ণে ষ হবে। যেমন— আবিষ্কর, আয়ুষ্কাল, আয়ুষ্কর, আয়ুষ্মান, আয়ুষ্মতী, উষ্ম, কুষ্মাণ্ড, গ্রীষ্ম, গীষ্পতি, গোষ্পদ, চতুষ্কোণ, চতুষ্পার্শ্ব, চতুষ্পদ, জ্যোতিষ্ক, দুষ্কর্ম, দুষ্কর, দুষ্প্রাপ্য, নিষ্কাশন, নিষ্কণ্টক, নিষ্পাপ, নিষ্পত্তি, নৈষ্কর্ম্য, পরিষ্কার, পুষ্করিণী, পুষ্প, মস্তিষ্ক, শ্লেষ্মা, শুষ্ক ইত্যাদি। এর ব্যতিক্রম বিস্ময় দ্বারা গঠিত শব্দসমূহ।[দ্রষ্টব্য: বাংলা বানানে স্ট/স্ঠ এবং ষ্ত/ষ্থ হবে না। তাই নিম্নের নিয়মগুলোতে ‘ষ্ট/ষ্ঠ’ এবং ‘স্ত/স্থ’ দ্বারা গঠিত বানান প্রযোজ্য নয়।] 'পূর্ণ' এবং 'পুন' (পুনঃ/পুন+রেফ/পুনরায়) ব্যবহার : 'পূর্ণ' (ইংরেজিতে Full/Complete অর্থে) শব্দটিতে ঊ-কার এবং র্ণ যোগে ব্যবহার হবে। যেমন— পূর্ণরূপ, পূর্ণমান, সম্পূর্ণ, পরিপূর্ণ ইত্যাদি। 'পুন-' (পুনঃ/পুন+রেফ/পুনরায়— ইংরেজিতে Re- অর্থে) শব্দটিতে উ-কার হবে এবং অন্য শব্দটির সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবহার হবে। যেমন— পুনঃপ্রকাশ, পুনঃপরীক্ষা, পুনঃপ্রবেশ, পুনঃপ্রতিষ্ঠা, পুনঃপুন, পুনর্জীবিত, পুনর্নিয়োগ, পুনর্নির্মাণ, পুনর্মিলন, পুনর্লাভ, পুনর্মুদ্রিত, পুনরুদ্ধার, পুনর্বিচার, পুনর্বিবেচনা, পুনর্গঠন, পুনর্বাসন ইত্যাদি।
  8. পদের শেষে'-গ্রস্থ' নয় '-গ্রস্ত' হবে। যেমন— বাধাগ্রস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত, হতাশাগ্রস্ত, বিপদগ্রস্ত ইত্যাদি।
  9. অঞ্জলি দ্বারা গঠিত সকল শব্দে ই-কার হবে। যেমন— গীতাঞ্জলি, শ্রদ্ধাঞ্জলি, জলাঞ্জলি, পুষ্পাঞ্জলি ইত্যাদি।
  10. আনন্দ-ব্যথা দান কর্মে ই-কার হয়। যেমন— ইয়ার্কি, মশকারি, বাঁদরামি, পাগলামি, ফাজলামি, বদমায়েশি, ইতরামি, মারামারি, হাতাহাতি ইত্যাদি।
  11. বিদেশি শব্দে ণ, ছ, ষ ব্যবহার হবে না। যেমন— হর্ন, কর্নার, সমিল (করাতকল), স্টার, বাসস্ট্যান্ড, ফটোস্ট্যাট, আস্‌সালামু আলাইকুম, ইনসান ইত্যাদি।
  12. অ্যা, এ ব্যবহার: বিদেশি বাঁকা শব্দের উচ্চারণে 'অ্যা' ব্যবহার হয়। যেমন— অ্যান্ড (And), অ্যাড (Ad/Add), অ্যাকাউন্ট (Account), অ্যাম্বুলেন্স (Ambulance), অ্যাসিস্ট্যান্ট (Assistant), অ্যাডভোকেট (Advocate), অ্যাকাডেমিক (Academic), অ্যাডভোকেসি (Advocacy) ইত্যাদি। অবিকৃত বা সরলভাবে উচ্চারণে 'এ' হয়। যেমন— এন্টার (Enter), এন্ড (End), এডিট (Edit) ইত্যাদি।
  13. ইংরেজি বর্ণ S-এর বাংলা প্রতিবর্ণ হবে 'স' এবং sh, -sion, -tion বর্ণগুচ্ছে 'শ' হবে। যেমন— সিট (Seat/Sit), শিট, (Sheet), রেজিস্ট্রেশন (Registration), মিশন (Mission) ইত্যাদি।
  14. আরবি বর্ণ ش (শিন)-এর বাংলা বর্ণ রূপ হবে 'শ' এবং ث (সা), س (সিন) ও ص (সোয়াদ)-এর বাংলা বর্ণ রূপ হবে 'স'। ث (সা), س (সিন) ও ص (সোয়াদ)-এর উচ্চারিত রূপ মূল শব্দের মতো হবে এবং বাংলা বানানের ক্ষেত্রে 'স' ব্যবহার হবে এবং 'স'-এর স্বতন্ত্র উচ্চারণ হবে। যেমন— সালাম, শাহাদত, শামস, ইনসান ইত্যাদি। আরবি, ফারসি, ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা থেকে আগত শব্দ বা নামস।

Sunday, October 30, 2016

আসসালামু আলাইকুম সকলকে মিষ্টি সকালের শুভেচ্ছা। 

আমি বলেছি আপনিও পারবেন ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে, হ্যাঁ সত্যি বলছি। তবে অবশ্যই আপনাকে আমার দেখানো পথে চলতে হবে।


কথা না বারিয়ে শুরু করি কর্ম পদ্ধতি প্রথমে আপনাকে বেছে নিতে ৫ টা টপিক অনেকেই টপিক-ই খুজে পান না

১। মুভি 
২। গেমস (মোবাইল) 
৩। স্পোর্টস 
৪। সেলিব্রেটি 
৫। টপ ১০ 
এর পর এই নাম দিয়ে ৫ টা চ্যানেল তৈরি করবেন ৫ টা চ্যানেল এই সব কিছু Complete করে নেবেন আর অপেক্ষা করবেন অন্তত ১-২ দিন এর পর ৫ টা টপিক এর জন্য প্রথমে ৫ টা করে কনটেন্ট খুজে নেন এবং টা সংগ্রহ করুন এর পর প্রতিটা কনটেন্ট সংগ্রহ করবার পর এই কাজ গুলা করুন

১। কি ওয়ার্ড খুজে বের করা 
২। টাইটেল তৈরি করা 
৩। ট্যাগ সংগ্রহ করা

 এর পরে আপনাকে যা করতে হবে 

১। ইমেজ ভিডিও অপ্টিমাইজ 
২। ইমেজ এস ই ও 
৩। ভিডিও এস ই ও 
৪। চ্যানেল অপ্টিমাইজ

 এর পর ওই কনটেন্ট দিয়ে ভিডিও তৈরি করুন নিচের মত করে চ্যানেল তৈরি করে এর পর ৫টা টপিক নিয়ে ৫ টা করে ভিডিও তৈরি করুন

অর্থাৎ ৫*৫= ২৫ ভিডিও, এর পর আবারও ১০*৫ = ৫০ টা ভিডিও, এর পর, এর পর ৫*৫ = ২৫ ভিডিও, এর পর আবারও ১০*৫ = ৫০ তার মানে আপনার ৫ টা চ্যানেল এ ৩০ টা করে ভিডিও সর্বমোট ১৫০ টা।

এখন আসি ভিডিও তৈরি হলো প্রতিদিন প্রতিটা চ্যানেল এ ২-৩ টা করে ভিডিও আপলোড দেবেন এমন করে আপনি ১০-১৫ দিনে ভিডিও আপলোড করে ফেলতে পারবেন।

এর পর ভিডিও আপলোড হলে আপনাকে যা যা করতে হবে
১। টাইটেল দিতে হবে (১০০ ওয়ার্ড সর্বোচ্চ)
২। ডেসক্রিপশন দিতে হবে (৫০০০ ওয়ার্ড সর্বোচ্চ)
৩। ট্যাগ দিতে হবে (৫০০ ওয়ার্ড) এইগুলা সর্বোচ্চ সংখ্যা মানে আপনি এত ওয়ার্ড করে ব্যবহার করতে পারবেন
৪। ভিডিও এর জন্য একটা দারুন Thumbnail দিতে হবে

আপাতত এই কাজ শেষ হলে আপনাদের একটা সময় পর থেকে ইনকাম শুরু হবে এখন আসি ইনকাম কেমন হবে

এইটা আমার একটা চ্যানেল এর ৫-৬ দিন এর ইনকামের রিপোর্ট আমার ভিডিও ৫ টা ভিডিও থেকে এই ইনকাম এখন হিসাব করি ৫ টা চ্যানেল এ ৫ টা ভিডিও যদি হিট হয় তার মানে প্রতিদিন ১$ করে ৭ দিনে ৭ $ ৫*৭ = ৩৫$ এবং ৩৫*৫ = ১৭৫$ এইটা মিনিমাম হিসাব। 

এখন আপনাদের উপরে নির্ভর করবে আপনাদের ৩০ ভিডিও থেকে কয়টা র্যাঙ্ক করবে বা ভিউ বেশি পাবে সেই ভাবে হিসাব করুন।

আরও অনেক কিছু বলার ও দেখানোর ছিল কিন্তু সময় এর জন্য পারলাম না। এমনি যা যা বলেছি এইটাই মনে হয় না কথাও পাবেন।


Friday, June 3, 2016

কিছু সাধারণ জ্ঞান প্রশ্নের উত্তর যা আপনাকে ব্যাংক জব পরীক্ষায় সাহায্য করবে। আপনি চাইলে নিচের লিংক থেকে আরও Practice করতে পারেন:

  1. When the Bangla Search Engine PIPILILA stared? Ans: 13th April, 2013
  2. Where is Downing Street? Ans: London

  3. Where is East London Situated? Ans: South Africa
  4. When is the World's Women Day? Ans: 8 March
  5. Which Country is called SHAMDESH? Ans: Thailand
  6. When is the United Nations Day? Ans: 24 October
  7. What is the meaning of CNG? Ans: Compressed Natural Gas
  8. Which is the highest Court in Bangladesh? Ans: Supreme Court
  9. Which country has adopted "Bengali" language the status of second state language? Ans: Sierra Leone
  10. The word TSUNAMI originated from which language? Ans: Japanese
  11. During Liberation war Dhaka was under which sector? Ans: 2
  12. Which  Day is the longest day in a year? Ans: June 21
  13. Which is the nearest planet to the sun? Ans: Mercury
  14. When was the Mujib Nagar Government formed? Ans: 10 April 1971
  15. The freezing point in Fahrenheit thermometer is? Ans: 32 Degree Fahrenheit
  16. The organization of the World Bank is known as the soft –loan window Ans: IDA
  17. What is the currency of China? Ans: Yuan
  18. Which city is the highest capital in the world? Ans: Lapaj Bolivia
  19. Which is the biggest museum in the world? Ans: London Museum
  20. Who is the first female recipient of Nobel Prize? Ans: Madam Curry.
  21. Which organization gives noble prize? Ans: Academy for Motion Pictures, Arts and Science
  22. Which is the biggest country in South Asia? Ans: India.
  23. Who is the “man of the Match” of T-20 world cup 2009? Ans: Shahid Afridi
  24. Which country is known as birth place of democracy? Ans: Greece
  25. What is a Mega City? Ans: If a city has more than I crore people
  26. Which is the longest river in Bangladesh? Ans: Padma.
  27. What is Ishardi 254? Ans: Locally developed sugar cane
  28. Who is the inventor of Bacteria? Ans: Lewen Hook
          readbd.com প্র্যাকটিসের জন্য ভাল একটি সাইট এখানে ক্লিক করুন

Tuesday, September 15, 2015

যারা বিসিএস, পিএসসি'র বিভিন্ন পরীক্ষায় যারা অংশগ্রহণ করতে চান তাদের জন্য নিচের শব্দগুলোর ব্যাখ্যা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সূতরাং, ধর্য্য ধরে পড়ুন এবং সঠিকভাবে জানুন।
>One who unduly forwards in rendering services for others in not generally liked in society. – Officious.
>‘Stagflation’ means – economic slowdown.
>What is the meaning of the word ‘euphemism’ – inoffensive expression
>Syntax means- sentence building.
>The words ‘boring chore’ means- uninteresting work.
>The word ‘anthropology’ is relate to- the study of mankind.
>When a person says he is ‘all in’ it means – he is very tired.
>A song embodying religious and sacred emotion – Hymn.
>Time after twilight and before night – dusk.
>The people who carry a coffin at a funeral are called- pallbearers.
>The word ‘electorate’ means- a body of voters.
>Misanthropist means – a hater of mankind.
>First language means the – natural language.
>Hamlet means- a small village.

> Post mortem means- Autopsy.
>Sub judice means- Matter under judicial consideration.
> Domicile means – permanent residence of a person.
> Status quo means – to maintain as it is.
>Swan song means- Last work.
>A cure of all disease is- panacea.
> Vertex means – Highest point.
>Hydrophobia is the fear of – water.
>Misogynist means- a hater of women.
>Ballad means- folksong.
>Tertiary means- third in order.
>Heptagon means – seven side.
> Prime face means- at first view.
>A person who rules without consulting other- autocrat.
> Alien means- a foreigner
>Speed money means- bribe
>Flora means all the flower of an area.
>What is the meaning of the word ‘Quorum’- required number.
>The word pneumatic means- filled with compressed air.
>‘En route’ – On the way
> The word ‘Lucrative’ means – Profitable.
>‘Blue chips’ are – Industrial shares considered to be a safe investment.
>When having a problem, it is best to dissect the situation then act. Dissect means – Analyze
>The official exhibited a heedless attitude when dealing with the dignitaries. Heedless mean – Thoughtless.
>The general tried to instill in his troops the hope of victory. Instill means – Infuse.
>he showed great enthusiasm contrary to what his supervisor had expected. Contrary means – opposite to.
>A person whose head is in the cloud is – A day dreamer.
>Cue – de- Sac means – Dead end.
>Parcel means – Piece of land.
>Ruminant means – Cud chewing animal.
>If a substance is cohesive, it tends to – stick together.
>The word ‘dilly dally’ means – waste time.
>The word ‘Euphemism’ means – description of a disagreeable thing by an agreeable name.
>‘Equivocation’ means- Two contrary things in the same statement.
>‘Bill of fare’ is – A list of dishes at a restaurant.
>A ‘bull market’ means, the share price are – Rising.
>‘Razzmatazz’ means- A noisy activity.
>‘Blockbuster’ means- A powerful explosive to demolish buildings.
>The word ‘homogeneous’ means – of the same kind.
>A pilgrim is a person who undertakes a journey to a – holy place.
>Three score is – three times twenty.
>A fantasy is – a funny film.
>Something that is ‘fresh’ is something – in fairly good condition.
>The word ‘plurality’ means – the holding of more than one office at a time.
>‘Pediatric’ relates to the treatment of – children.
>‘Boot leg’ means to- smuggle.
>‘Plebiscite’ is a term related to – Politics.
>Many islands make up – an archipelago.
>A speech full of too many words is – A verbose speech.

আপনার অজানা অনেক শব্দই এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা আপনার শব্দ ভান্ডারকে বিকশিত করবে।