Monday, April 23, 2018

কিছু ফালতু ও বাজে ওয়েব সাইটের চটকদার বিজ্ঞাপনের পালায় না পড়ে, আজেবাজে ওয়েব সাইটে বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল না খুজে সরকারি ওয়েব সাইট হতে বিভিন্ন পরীক্ষা যে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, বুয়েট ও পিএসসি জব পরীক্ষার ফলাফল নিচের ওয়েব সাইটের লিংক হতে খুব সহজেই জানতে পারেন। যা সরকার আপনার জন্য তৈরি করে রেখেছেন।
এখান ক্লিক করুন

Thursday, March 29, 2018

ঈদ বা যে কোন ছুটির দিনে বেড়াতে যেতে পারেন ঢাকা, গোপালগঞ্জ, রংপুর, রাজশাহী, সিলেট, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম সরকারী প্যাকেজ বা স্বল্প ব্যয়ে আপনার পছন্দের জায়গায়। বাংলাদেশ সরকারের বাংলাদেশ পর্যটন কপোররেশন এ অনলাইনে টিকিট ও কক্ষ বুকিং নিশ্চিত করে ফ্যামিটি টুর এ যেতে এখান আর কোন বাধা নেই, নেই নিরাপত্তাহীনতা।

বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।
ই-নথি বা E-Filing হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারি কার্যক্রমকে আরও সহজতর করার একটি সফটওয়্যার প্রক্রিয়া। এটির মাধ্যমে সরকার দপ্তরের সকল কাজ অনলাইন ভিত্তিক সেবায় রুপান্তর করেছে। সকল প্রকার দাপ্তরিক কাজ এর মাধ্যমে করা হয় যেমন- বেতন বিল, বাজেট প্রনয়ন, চিঠিপত্র ব্যবস্থাপনসহ সকল প্রকার দাপ্তরিক কাজ ডাক গ্রহণ থেকে শুরু করে ডাক প্রেরণ পর্যন্ত সর্বপ্রকার খাতা পত্রের কাজ কাগজ বিহীন ভাবে অনলাইনে সম্পন্ন করা হয়। এ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অফিসে উপস্থিত না হয়েও দাপ্তরিক কাজ মোবাইলের মাধ্যমে ই নথি অ্যাপ ব্যবহার করে সম্পন্ন করা হয়। নিচে অ্যাপ লিংক ও ওয়েব লিংক দেয়া হলো।  
অ্যাপ পেতে এখানে ক্লিক করুন
ওয়েবসাইটে লগিন করতে এখানে ক্লিক করুন

Thursday, March 8, 2018

সরকারের বেসামরিক কর্মে নিয়োজিত ১১-২০ গ্রেডে কর্মরত সরকারি কর্মচারির সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করুন। সরকারি ও তালিকাভুক্ত স্বায়ত্বশাসিত সংস্থার সকল গ্রেডের অক্ষম / অবসরপ্রাপ্ত / মৃত কর্মচারির সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করুন।

Sunday, February 18, 2018

কোথাও বেড়াতে যাওয়ার অাগে আবহাওয়ার অধিদপ্তর হতে আবহাওয়া বা বর্তমান ও ভবিষ্যত আকাশের অবস্থা জেনে নেওয়া ভাল। খুব সহজেই নিচের লিঙ্ক হতে আবহাওয়ার বর্তমান ও সম্ভব্য অবস্থা জেনে নিয়ে নিশ্চিন্তে বাহিরে বেরুতে পারেন। নিত্য দিনের চলার সঙ্গী ইন্টারনেট ব্যবহার করে ৩৬৫ দিনকে আপনি আপনার পরিকল্পনামত কাজে লাগাতে পারেন। জীবন ও জীবিকার তাগিদে আমাদের বাহিরে গমন করতেই হয় তাই আসুন জেনে নেই আবহাওয়ার বর্তমান অবস্থা।


এখানে ক্লিক করুন
সকল ছাত্র ছাত্র- অথবা জব সেকার-রা নিচের সরকারি বাংলা টু ইংরেজী অথবা ইংরেজী টু বাংলা ডিকশনারী নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন। যা বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব তত্ত্বাবধায়নে তৈরি করেছেন। এখান থেকে আপনি প্রবাদ প্রবচনও শিখে নিতে পারেন। সমৃদ্ধ এ সরকারি অনলাইন ডিকশনারীটি ব্যবহার করে আপনি সহজেই উপকৃত হতে পারেন। 

Monday, January 29, 2018

যারা নতুন বুঝতে পারেন না কোথা থেকে কিভাবে কো কোর্স শুরু করবেন। তারা এই একটি ওয়েব সাইট থেকে সব ধরনের নির্দেশনা পেতে পারেন। খুব সহজেই মেধাবী ও আগ্রহী ব্যক্তি এখান থেকে ট্রেনিং টিউটোরিয়াল ও ম্যাটারিয়াল অনুশীলন করে তার অনলাইন ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন।

Monday, January 22, 2018

সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভ্রমণ ভাতার বিল সংক্রান্ত নীতিমালা ২০১৬ অনুসারে খুব সহজেই আপনার TA DA Bill তৈরি করে ফেলতে পারেন। নিচের লিঙ্ক হতে ভ্রমন ভাতার বিলের অর্ডার ডাউনলোড করে সংগ্রহে রাখতে পারেন।
নিচে লিঙ্ক দেওয়া হলো


এখানে ক্লিক করুন।



Thursday, January 18, 2018

সরকার সকল তথ্য ও সেবা এক ঠিকানায় রাখতে ডিজিটাল গার্ড ফাইল নামে একটি পোর্টাল চালু করেছে। যেখান থেকে আপনি সহজেই  সরকারি গেজেট, অফিস আদেশ, পরিপত্র ও অর্ডার এক জায়গা থেকে খুজে নিন। [Govt. Office Order, Memo], প্রজ্ঞাপন সহজেই পেতে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।



Tuesday, January 9, 2018

> গাছ হচ্ছে পাখির নীড়।
গাছেই পাখি খুঁজে বেড়ায় তার শান্তির আবাস স্থল। কিন্তু এই গাছেই যখন পাখি গলারধকরন করে তখন বিষয়টি কেমন হয়। মনে হতে পারে যেন রূপকথার গল্প। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ইংল্যান্ড এর সমারসেটে। সেখানে একটি মাংসাশী উদ্ভিদ আছে যার নাম pitcher plant। সেই গাছের তত্ত্বাবধায়ক গাছটির আসে পাশে একটি পাখির অবশিষ্টাংশ খুজে পান। গাছটি প্রথমে ছোট প্রাণী সমূহকে ধরে গাছের ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলে। তারপর একধরনের বিশেষ তরল পদার্থ দ্বারা প্রাণীটিকে গলিয়ে ফেলে। যেখানে পোকামাকড়, ছোট ইঁদুর এবং টিকটিকি থাকে সেসব অঞ্চলে এ গাছ পাওয়া যায়। গাছের তত্ত্বাবধান করেন এমন একজন বলেন যে, এইটা এই দিয়ে দ্বিতীয় বার ঘটলো। গাছ পাখি শিকার করে ফেলেছ। বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করে যে, যখন পাখিরা ছোট পোকামাকড় খেতে গাছের আসে পাশে যায় তখন দুর্ঘটনাবশত পাখিরাই গাছের দ্বারা শিকার হয়ে যায়।

>দুমুখো সাপের কথা শুনেছেন। কিন্তু
কখনো কি শুনেছেন দুমুখো মানুষ? এই বিচিত্র মানুটির নাম এডওয়ার্ড মরড্রেক। তিনি মাথার পিছনে আরেকটি মুখ নিয়ে জন্মেছেন। এখন তার দুই মুখ, একটা সামনে আর একটা মাথার পেছনে। যদিও পেছনের মুখটি দিয়ে তিনি কথা বলতে পারেন না, এই মুখ দিয়ে তিনি শুধু হাসতে এবং কাঁদতে পারেন। মরড্রেক ডাক্তারদের তার এই ‘দুষ্ট মাথা’ সরিয়ে ফেলতে বলেন। কারণ রাতে ঘুমানোর সময় তাকে এই মাথা সমস্যা সৃষ্টি করে। কিন্তু কোন ডাক্তারই এই কাজ করতে সাহস পাননি। ২৩ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার এই অবস্থার কারণ এখনো অজানা। কিন্তু এই অতিরিক্ত মুখটির জন্য তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।

> চালস টমবি নামের একজন সুদানের
একজন লোককে জোর করে ছাগলের সাথে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জুবা উপশহরের হাই মালাকাল নামক স্থানের একটা ছাগলের সাথে সেক্স করার সময় ধরা পরেছেন। ছাগলের মালিক টমবিকে ধরে নিয়ে গিয়ে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ব্যাপারটা মীমাংসা করতে বলেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আদেশ দেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছাগলটাকে বিয়ে করতে হবে! ছাগলের মূল্য দিতে হবে এবং ১৫০০০ দিনার যৌতুক দিতে হবে। বিয়ের সময়ই অর্ধেক অর্থ পরিশোধের আদেশও দেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই গ্রামের মানুষজন ছাগলটাকে কৌতুক করে ‘রোজ’ নামে ডাকতে শুরু করেছে। ২০০৬ সালের আগে পরে আর এরকম ঘটনা ঘটেনি।

> সব মহা মানবদেরই শেষ কথা নিয়ে
অনেক আলোচনা হয়। অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্বে শেষ কথা। আইনস্টাইন মৃত্যুর পূর্বে কি বলেছিল জানেন? আইনস্টাইন,সর্বকালের একজন সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী। তিনি একজন জার্মান পদার্থবিদ। আধুনিক পদার্থের জনক তিনি। তিনিই একমাত্র মহামানব যিনি মৃত্যুর আগে কি বলেছিলেন তা জানা যায়নি। এ এক বড় রহস্য হয়ে আছে আজো। মৃত্যুর আগের দিন তিনি তার শরীরে অস্ত্রোপচার করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমার মৃত্যু হবে তখনই আমি মরতে চাই। নকল উপায়ে বেঁচে থাকা স্বাদহীন। আমি আমার কাজ করেছি, এখন যাবার সময় হয়েছে। আমি মার্জিতভাবেই মরতে চাই। এ কথা বলার পরদিন সকাল পর্যন্ত তিনি বেঁচে ছিলেন। ৭৬ বছর বয়সে মারা যাবার আগে তিনি কয়েকটি জার্মান শব্দ বলেছিলেন। তার সেবাই নিয়োজিত সেবিকা সেই শব্দ গুলো শুনেছিলেন। কিন্তু নিয়তির পরিহাস, ওই সেবিকা জার্মান ভাষা জানতেন না।

>১১ বছর বয়সি বালক পাউলো ডেভিডকে
এখন সবাই চুম্বক বালক বলে ডাকেন। কারণটাও মজার, তার শরীরে সকল ধাতব বস্তু লেগে থাকে। যে কোন ধরণের ধাতব বস্তু যেমন হাড়ি, পাতিল, ছুরি, কাঁচি সবই তাকে আকর্ষণ করে। আশ্চর্যের ব্যাপার হল পৃথিবীতে পাউলোই একমাত্র এই ক্ষমতার অধিকারী নয়। আরো অনেকেই এই রকম শরীরের অধিকারী। বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন কেন শরীরের এই রকম আচরণ। পূর্বে বিশ্বাস করা হতো যে এদের শরীরে চৌম্বকক্ষেত্র বিদ্যমান। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই সম্ভাবনা বাতিল করে দেন। তারা মনে করেন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোন সিস্টেমের ব্যতিক্রম আচরনের জন্যই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।

>একবার ভাবুন তো আপনি ২০ বছরের একজন টগবগে তরুণ
অথচ একটা প্যান্ট পরিধানের পর হয়ে গেলেন ৭৫ বছর বয়সি এক বুড়া! শুনতে চাপা লাগলেও এটা এখন সম্ভব।
এম,আই,টি এর বিজ্ঞানীরা এমন একটি স্যুট আবিষ্কার করেছে যা পরিধান করলে যে কোন বয়সি একজন ব্যক্তি ৭৫ বছর বয়সের স্বাদ নিতে পারবে। আমেরিকায় নতুন প্রজন্ম এটির প্রতি দারুনভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এটি মূলত বয়স্ক ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য বানানো হয়েছে। এই স্যুটটি যে কাউকে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করে। এটি পরিধান করে তরুণরাও তাদের শারীরিক এবং বাচনিক ভঙ্গিতে ৭৫ বয়সীদের স্বাদ অনুভব করতে পারবেন। বেশ অদ্ভুত উপায়ে এই স্যুটটি কাজ করে। একটি বড় রাবার ব্যান্ডের মাধ্যমে হাতগুলো রুক্ষ আবরণে ঢাকা থাকে আর ব্যক্তি তার হাতকে প্রসারিত করতে পারেনা। একটি হেলমেট ব্যক্তির মেরুদন্ডকে অস্বস্তিকরভাবে কুঞ্চিত করে রাখে। এটি দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে রাখতে সক্ষম।

>সমুদ্রের ত্রাস সৃষ্টিকারী মাছ। শ্রেষ্ঠ শিকারি।
গাছের যেমন ফলে পরিচয়, তেমনি এই শিকারির চেনা যায় এর দাঁতে। এটা আমাদের সবারই অজানা যে একটি হাঙরের অনেকগুলো দাঁতের সারি থাকে। সামনের দুই সারি দাঁত শিকার ধরার জন্য ব্যবহার হয় এবং পিছনের সারির দাঁতগুলো সামনের সারির দাঁতকে সহায়তা করে। হাঙরের আছে একটি শক্ত চোয়াল। হাঙরের দাঁত পড়ার কিছু দিনের মধ্যেই আবার গজাই। এতে হাঙরদের খাওয়া অনেক সহজ হয়। দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা নীতিবাক্যটি এ ক্ষেত্রে অচল। হাঙরদের দাঁত ওঠার এই পদ্ধতি “কনভেইয়র বেল্ট” নামে পরিচিত। হাঙরদের মধ্যে লেমন সার্ক এর দাত খুব কম সময়ের মধ্যেই(৭-৮ দিন) উঠে যায়।

>আমরা ভাবি মানুষ পৃথিবী চালাচ্ছে।
কিন্তু আমাদের শহর কিংবা গ্রাম অথবা ঘরের কোনেই রয়েছে সুপার পাওয়ার সম্পন্ন এক প্রাণী। পিঁপড়া! এই ক্ষুদ্র প্রাণীটি আমাদের চার পাশে প্রচুর পরিমানে বিদ্যমান। যদিও আমরা কদাচিৎ তাদের লক্ষ্য করি। কিন্তু অনেক ব্যপারেই তারা আমাদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। যখন এক ঝাঁক পিঁপড়া একসাথে চলে তখন তাদের দাঁড়ানো সত্যিই দুঃসাধ্য ব্যপার। প্রায় দশ হাজার রকমের পিঁপড়া আছে। দশ লক্ষ পিঁপড়ার বিপরীতে মানুষের সংখ্যা মাত্র এক জন। পিঁপড়াদের মোট ওজন আর পৃথিবীর সকল মানুষের ওজন একই। কিন্তু পিঁপড়া কি আমাদের উপর খড়গহস্ত হতে পারে? একজন লোক বিশ্বাস করেন যে পিঁপড়াদের সেই ক্ষমতা আছে। তিনি হলেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এডওয়ার্ড উইলসন। তার সাহসী এই গবেষণার বিষয় ছিল প্রাকৃতিক ভাবে পিঁপড়া না মানুষ সফলভাবে বসবাস করছেন। তার মত হল পিঁপড়াই এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে। তিনি বলেন- আমি আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় পিঁপড়া জাতীয় পতঙ্গ নিয়ে কাজ করেছি। আমি তাদের সাফল্যে অভিভূত। তাদের জীবনে সাফল্যের মূল সূত্র একদম সহজ সরল। তারা একত্রে সব কাজ করে। কিন্তু মানুষ কি তা পারে? পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে যাবেন, দেখবেন পিঁপড়ারা দলবদ্ধ। আর মানুষ?

>নারী, চুল ও যৌন আবেদন
ল্যাবরেটরি ডেস্কঃ একদল গবেষকেরা দাবি করেছেন, নারীরা চুল ছোট রাখলে তাদের যৌন আকর্ষণ বেশ কিছুটা কমে যায়। এবং স্বামীকে আকর্ষণ করতে অনেকাংশে ব্যর্থ হন। বিজ্ঞানীরা বলেন, সেই প্রাচীন গুহামানবের সময় থেকেই চুলের সাথে সেক্সের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। লম্বা চুলের নারীদের যৌন আবেদন বেশি থাকে। এর আগেও এমনই দাবি করেন সেক্স থেরাপিস্ট ও প্রাক্তন কমেডিয়ান ৫৯ বছর বয়সি পামেলা স্টিফেন্সন। তিনি বলেন, ‘ যে সব নারী ছোট করে চুল কাটেন তারা নিজেদেরকে পুরুষের চোখে কম আবেদনময়ী করে তোলেন যদিও বিষয়টি নিয়ে মতোভেদ রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণার এই ফলাফল পামেলার যুক্তিকে একটা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিল এ কথা বলা যায়।

>১০০ বছরে পা দিলেন বাংলার মি. ইউনিভার্স
তাসনিম জাহানঃ তার নাম মনোহর আইচ। জন্ম ১৯১২ সালের ১৭ মার্চ কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ধামতিতে। তিনি ১৯৫২ সালে মি ইউনিভার্স নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি এশিয়া গেমসের বডি বিল্ডিংয়ে ৩ বারের স্বর্ণপদক বিজয়ী। মাত্র ৪ ফুট ১১ ইঞ্চির এই মানুষটাকে সবাই পকেট হারকিউলিস বলেই চেনেন। তার বুকের মাপ ৫৪ ইঞ্চি। তিনি বর্তমানে কলকাতাতে বসবাস করছেন। ছোটবেলা থেকে তিনি শারীরিক কসরতে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ১২ বছর বয়স থেকেই শুরু হয় তার কঠোর পরিশ্রম। ১৯৪৩ সালে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সে (তৎকালীন রয়্যাল এয়ার ফোর্স) যোগদান করার পর বডি বিল্ডিং শুরু করেন। ব্রিটিশ অফিসারদের কাছে তিনি অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন তার এই সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য। ১৯৫০ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে তিনি মি হারকিউলিস প্রতিযোগিতায় জয়ী হন। ১৯৫১ সালে মি ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ২য় হলেও ৫২ সালে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি হন মি ইউনিভার্স। এছাড়াও তিনি আরও অনেক স্মরণীয় কীর্তির অধিকারী। ১৭ তারিখে তার ১০০ বছর পূর্ণ হল। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ আমি জীবনে ধূমপান বা মদকে ছুঁয়ে দেখি নি। জীবনের দুশ্চিন্তা আমাকে গ্রাস করতে পারে নি। সেই ছোট বেলা থেকে টাকা উপার্জনের জন্য লড়াই করেছি। কিন্তু যে কোন পরিস্থিতিতে আমি খুশি থেকেছি। শুভ জন্মদিন বাংলার বীর।

>মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে ভালবাসায় সাড়া দেয় তা নিয়ে সম্প্রতি
এক গবেষণা চালানো হয়। এর ফলাফল যা পাওয়া গেছে তা যথেষ্ট চমকপ্রদ। যেমন প্রেমে পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের ১৫ ভাগের ১ ভাগ সময়। এই জন্যই বুঝি বলে প্রথম দর্শনে প্রেম! প্রেমে পরার সময়ে মস্তিষ্কের ১২ টি অংশ একসাথে কাজ করে। প্রেমে পড়তে ছয় মাস ধরে রেস্টুরেন্টে রেস্টুরেন্টে ঘুরতে হয় না। প্রেমে পরার সময়ে এই সকল অংশ থেকে ডোপামিন, অক্সিটোসিন, অ্যাড্রেনালিন, ভাসোপ্রেসিন প্রভৃতি কেমিক্যাল নির্গত হয়। অতএব দেখা যাচ্ছে যে, ভালবাসা কোকেনের থেকেও বেশি নেশার সৃষ্টি করে। ভালবাসা মস্তিষ্ককে পরিশীলিত করে। যখন মানুষ প্রেমে পরে তখন তা মানুষিক রুপায়ন, এমনকি মেটাফোরকেও আক্রান্ত করে। সর্বোপরি তাদের গবেষণার ফলাফল ভালবাসা আপনার জন্য যথেষ্ট উপকারি।

> ব্রিটিশরা খোলামেলা জাতি হিসাবে পরিচিত।
আর সেখানকার মেয়েদের সমুদ্র সৈকতে অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করার দৃশ্য খুবই সাধারণ। কিন্তু এক সমীক্ষাতে মজার একটা তথ্য বেড়িয়ে এসেছে। ব্রিটিশ পুরুষেরা চান না যে তাদের স্ত্রীরা অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করুক। ব্রিটেনের এক পর্যটন সংস্থার জরিপ থেকে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সানশাইন ডট কো ডট ইউ কে নামের ওই পর্যটন সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ওই সব পুরুষ অন্য নারীরা এভাবে সূর্যস্নান করলে তাদের কোন অসুবিধা নেই বলে জানান। এতে আরও বলা হয় ৫৬ ভাগ পুরুষ চান না যে তাদের স্ত্রী অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করুক। কিন্তু একই সমীক্ষাতে ২৩৯২ জন নারীর মধ্যে ৬৮ ভাগ নারী বলেন, সূর্যস্নানের জন্য তাদের অর্ধনগ্ন হতে কোন আপত্তি নেই। কিন্তু তিন ভাগ নারীর এ ব্যাপারে যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে।


>একটা সম্পর্ক থেকে কি চান পুরুষ বা নারীরা?
মহিলারা চান দীর্ঘ সময়ের জন্য সম্পর্ক করতে আর পুরুষরা চান সম্পর্ক নিয়ে মজা করতে। যদি পুরুষদের ডেটিং এবং এক রাতের সম্পর্কের মধ্যে বেছে নিতে বলা হয় তাহলে তারা এক রাতের সম্পর্ককেই বেছে নেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ম্যাডিসন বিশবিদ্যালয়ের এক সমীক্ষা থেকে এই চমকপ্রদ তথ্য বের হয়ে এসেছে। এই সমিক্ষায় ১৫০ জন নারী এবং ৭১ জন পুরুষকে ডেটিং সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছিল। এই প্রশ্নের উত্তর বাছাই করেই এই সব তথ্য পাওয়া যায়। সমীক্ষা থেকে আরও জানা যায়, ৪১ ভাগ নারী ট্র্যাডিশনাল ডেটিং পছন্দ করলেও মাত্র ২০ শতাংশ পুরুষ তা পছন্দ করে। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ পুরুষ বেশি সময়ের জন্য হওয়া সম্পর্ককে প্রাধান্য দেন।