মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১২

আজব পৃথিবী রহস্যে ঘেরা !

>মৃত্যুঞ্জয়ী প্রেম, মর্গে হল বিয়ে

তাসনিম জাহানঃ মাইকেল থমাস নামের একজন নারী হাসপাতালের মর্গে তার মৃত বাগদত্তাকে বিয়ে করেছেন। তার মৃত এই আইরিশ স্বামীর নাম কেভিন লাভেল্লে।


কেভিন ছিলেন দুই সন্তানের পিতা। আর তার এই দুই সন্তানের মা থমাস। তাই থমাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করে ঘরে তোলার জন্য টাকা রোজগার করতে বের হন তিনি।


কিন্তু তিনি দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত হন। কেভিন থমাসের কাছে ফেরেন মৃত লাশ হয়ে ।


অক্সফোর্ডশায়ার থেকে কাজ করে ফেরার পথে ৯ জন ডাকাত তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। কিন্তু মৃত্যু তাকে থমাসের কাছ থেকে আলাদা করতে পারে নি।


অক্সফোর্ডের জন র‍্যাডক্লিফ হাসপাতালের মর্গে মাইকেল একটা বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এই সময় তার পরিবারের লোকজন সেখানে উপস্থিত ছিলেন। থমাস বুক ভাঙ্গা কষ্ট নিয়ে এই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন।


কেভিনের কফিনের সামনে এই বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। তাদের দুই সন্তানও তাদের মা-বাবার এই বিয়েতে উপস্থিত ছিল। কেভিনের পিতা তার ছেলের পক্ষ থেকে ছেলে বউকে আংটি পড়িয়ে দেন আর থমাস কেভিনের হাতে। এরই নাম মৃত্যুঞ্জয়ী প্রেম।




>বিবাহ বিচ্ছেদ নিষিদ্ধ


দেশে-দেশে ডেস্কঃ বিয়ে করে বৌ পছন্দ হলনা, দিয়ে দিলেন তালাক। আবার আরেকটি বিয়ে করে ঘরে আনলেন নতুন বৌ!


এই সুযোগ আপনি পাবেন না ভ্যাটিকান সিটি আর ফিলিপাইনে। এই দুই দেশে বিবাহ বিচ্ছেদ নিষিদ্ধ।


অন্য দেশ গুলো যেখানে কিছু শর্ত সাপেক্ষে বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয়, এই দুটি দেশ তা দেয় না।


যদিও ভ্যাটিকান সিটিতে লোকসংখ্যা হাজারেরও কম, তবুও ক্যাথলিক মতবাদ রক্ষার্থে তারা বিবাহ বিচ্ছেদের অনুমতি দেয় না।


আরেক দিকে ফিলিপাইনে বসবাসকারী সকলের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ বেআইনি। যদিও বা বিশেষ অবস্থায় আপনি এখানে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চান, তাহলে আপনার খরচের পরিমাণ ও হবে বিশাল। প্রায় এক বছরের বেতনের সমান!


যদিও এদেশে মুসলমানদের জন্য বিবাহ বিচ্ছেদের আইন আছে। তবে শর্তসাপেক্ষে।




>তসলিমা নাসরিন বনাম পুনম যুদ্ধ


দেশে-দেশে ডেস্কঃ অ্যাটিচুড হল অন্তর্বাসের মতো। আপনাকে এটা পরতেই হবে, কিন্তু কখনো দেখাতে পারবেন না। কিন্তু আমি সব সময়ই অ্যাটিচুড সবার সামনে দেখাতে ভালোবাসি।


কয়েকদিন আগে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট ট্যুইটারে এই মন্তব্য করেছিলেন পুনম পাণ্ডে।


আর পুনম পাণ্ডের এই মন্তব্য মোটেই খুশি করতে পারে নি বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে। এই মন্তব্যে তিনি ভীষণ চটেছেন পুনম পাণ্ডের উপর।


এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ‘পুনম পাণ্ডে সর্বসমক্ষে নগ্ন হয়েও সন্তুষ্ট হয় নি। ও এখন এমন কিছু করতে চায় যা আগে কেউই করেনি। ও সর্বসমক্ষে যৌন সম্পর্ক করতে চায়।


কিন্তু নিজের বইতে সবসময় খোলামেলা লেখার জন্য তসলিমা সমালোচিত, সেই তিনিই কেন পুনম পাণ্ডের উপর চটলেন সেটাই মিলাতে পারছে না তার ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা। তবে কি তসলিমা নিজের স্পষ্টবাদিতা থেকে সরে গেছেন! যদি তাই হয় তবে তা হবে তার ভক্তদের জন্য একটা বড় আঘাত।




>ইরানে নারীদের নগ্ন আন্দোলন


দেশে-দেশে ডেস্কঃ এবার অধিকার আদায়ের ভিন্ন পথ অবলম্বন করলেন ইরানের এক দল নারী। তারা নগ্ন হয়ে তাদের এই দাবি জানান।নারীর সমানাধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে গত ৮ মার্চ নারী দিবসে একটি ভিডিওতে নগ্ন হন এই নারীরা। নারী দিবসে এটি একটি বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে। ওই ভিডিওতে যে বার্তা ছিল সেগুলো এই রকম-


আমি পুরুষ ও নারীর সমানাধিকার বিশ্বাস করি।


আমার নগ্নতা আমার মৃত্যু নয়।


আমার চিন্তা, আমার শরীর, আমার পছন্দ।


ইসলামি রাজনীতিকে আমার নগ্নতার না।


উল্লেখ্য, ন্যুড ফটো রেভলিউশনারি নামক একটি ক্যালেন্ডারের বিপণন বাড়ানোর জন্য এই ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।






>অপরাধ ডেস্কঃ বউয়ের অবৈধ সম্পর্ক ধরার জন্য বিছানার নিচে


ট্রান্সমিটার রাখার অপরাধে তার স্বামীকে পুলিশ অভিযুক্ত করেছেন এক নারী। র‍্যাকন টাউনশিপের বাসিন্দা সুজানি ক্রিপ নামের এই নারী পুলিশকে জানান, সে তার বিছানার নিচে একটি ট্রান্সমিটার খুজে পেয়েছে এবং তার ধারণা এটি তার স্বামী ওয়েন কমেট ক্রিপেরই কাজ।


দম্পতিটি বেশ কিছুদিন আগেই বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও তারা একই বাসাতে বসবাস করে আসছিল কিন্তু তাদের বেডরুম ছিল আলাদা। যখন পুলিশ ওয়েনের সাথে যোগাযোগ করে তখন সে অকপটে ট্রান্সমিটার রাখার কথা স্বীকার করে নেয়।


সে পুলিশকে বলে, তার স্ত্রী ও তার স্ত্রীর ছেলেবন্ধু কখন যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হয় তা জানার জন্যই মূলত তিনি ট্রান্সমিটারটি বিছানার নিচে রেখেছিলেন। ট্রান্সমিটারের রিসিভারটি ওয়েনের ট্রাকে ছিল ও সে পুলিশকে বলে যে রিসিভারটি ঠিকমত কাজ করছিল না এই জন্য তিনি সেটিকে ফেলে দেন।


তাকে কারো গোপন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার জন্য প্রথমে লঘূ অভিযোগে অভিযুক্ত করা হলেও, পরে কারো অজান্তে জেনেশুনে তার যোগাযোগকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য গুরু অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়।


আগামী ২৩ মার্চ ওয়েনের শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।








>অপরাধ ডেস্কঃ নতুন একটা সমীক্ষাতে এমনটি দাবি করা হয়েছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০


শতাংশ নারী অন্য পুরুষ দ্বারা মা হচ্ছেন।


গবেষকেরা হিসাব করে বের করেছেন যে, অনগ্রসর শ্রেণীর মধ্যে এই প্রবণতা বেশি এবং কম শিক্ষিত নারীদের মাঝে বেশ বেশি।


২৭ বছর ধরে ৪ হাজার জন মার্কিন নারীদের মধ্যে এই গবেষণা চালানো হয়।


এই গবেষণাটি পরিচালনা করেন মিশিগান ইনস্টিটিউট ফর সোশ্যাল রিসার্চ। গবেষণাটি শেষ করে তারা পপুলেশন অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকার কাছে রেপোর্টটি জমা দেন।


গবেষক দলের অন্যতম কাসান্দ্রা দুরিয়াস জানিয়েছেন, ‘ যেসব মহিলারা বিভিন্ন পুরুষের সন্তানের মা হন তারা অন্য মায়েদের থেকে শিক্ষা এবং আয়ের দিক থেকে অনেক পিছিয়ে থাকেন।








>অপরাধ ডেস্কঃ ফ্লোরিডার একটি হাই স্কুলের শিক্ষিকা স্টেপহানিয়ে


কবের বিরুদ্ধে তার স্কুলের এক ছাত্রের সাথে অনৈতিক যৌন সম্পর্কের অভিযোগ আনা হয়েছে।


২৬ বছর বয়সি এই নারী ডিসেম্বরে রিজাইন করেন। কারণ তিনি পুলিশকে ৯১১ এ কল করে বলেন তার একজন বন্ধু তাকে আত্মহত্যার মেসিজ পাঠিয়েছে।


অপরিচিত এই ব্যক্তির নাম্বার কবের মোবাইল ট্র্যাক করে উদ্ধার করে পুলিশ। তারপর পুলিশকে কব ১৬ বছর বয়সি এই যুবকের ফোন নাম্বার এবং বাসার ঠিকানা দেন। কিন্তু পুলিশ প্রতিনিধির কাছে ছেলেটি আত্মহত্যার কথা অস্বীকার করেন।


ছেলেটির পরিবারের সদস্যরা তদন্ত কর্মকর্তাদের বলেন- তার একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক আছে এবং মেয়েটি তার ঘাড়ে চেপে আছে।


তদন্তকারীদের কাছে কবের স্কুলের অফিস থেকে জানানো হয় যে কবের সাথে ছাত্রের প্রেমের গুজব শোনা যায় এবং তাদেরকে ঘনিষ্ঠভাবে বেশ কিছুবার দেখা গেছে।


তদন্তকারীরা যখন কবকে প্রশ্ন করেন যে সে ওই ছাত্রকে চুমা বা আলিঙ্গন করেছে কিনা, তিনি উত্তরে বলেন- আমি মনে করতে পারছি না।


ছাত্রটি পুলিশের জেরার মুখে বলেন তাদের মধ্যে সম্পর্ক ছিল। তারা কারের মধ্যে সেক্স করেছে এবং একে অপরকে ভালবাসে। সে আরও বলে শিক্ষিকার সাথে কলেজ বিষয়ে কথা বলতে বলতে সে তার প্রেমে পরে। প্রতিদিন ক্লাসে তাকে দেখে ভালবাসা বাড়তে থাকে। ফোন রেকর্ড থেকে দেখা যায় এই যুগল প্রায় ১২০০০ টেক্সট মেসিজ এবং চার মাসের মধ্যে একে অপরকে ৫০০ বারের বেশি কল করেছে। কবকে গত রবিবার গ্রেপ্তার করা হয়ছে। তার জামিন মূল্য ধরা হয়েছে ২৫০০০ ডলার।








>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ দীর্ঘ ১১৭০০ রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন তিনি। হাই এঙ্গগ নামে পরিচিত এই ব্যক্তির নাম থাই এঙ্গগ।


তিনি বলেন, ‘ ১৯৭৩ সালে এক অসুখের পর থেকে আমি এই দীর্ঘ এতোগুলো রাত না ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। আমি জানিনা এই অনিদ্রা আমার শরীরের উপর কোন প্রভাব ফেলতে পারছে কিনা।


কিন্তু আমি এখনো সুস্থ এবং অন্যদের মতোই স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারি।


তার একজন প্রতিবেশি জানান, ‘ থাই প্রতিদিন ৫০ কেজি ওজনের সারের বস্তা মাথায় করে ৪ কিমি পথ পারি দিয়ে বাড়ি আসতে পারে।


থায়ের স্ত্রী জানান, ‘ আমার স্বামীর ঘুম স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু একটা অসুখের পর ডাক্তারের দেয়া কিছু ওষুধ খাওয়ার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।


মি থাই এখন নিজের ফার্মে মুরগি আর শুকর চাষ করে সময় কাটান। তিনি স্ত্রী ও ছয় সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটাচ্ছেন।


তিনি তার এই নিদ্রাহীনতাকে কাজে লাগাচ্ছেন ভালভাবেই। রাত জেগে তার ফার্ম পাহারার সাথে সাথে তিনি মাছ চাষের জন্য দুইটা পুকুরও কেটে ফেলেছেন।








>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ গাছ হচ্ছে পাখির নীড়।


গাছেই পাখি খুঁজে বেড়ায় তার শান্তির আবাস স্থল।


কিন্তু এই গাছেই যখন পাখি গলারধকরন করে তখন বিষয়টি কেমন হয়। মনে হতে পারে যেন রূপকথার গল্প।


এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ইংল্যান্ড এর সমারসেটে। সেখানে একটি মাংসাশী উদ্ভিদ আছে যার নাম pitcher plant।


সেই গাছের তত্ত্বাবধায়ক গাছটির আসে পাশে একটি পাখির অবশিষ্টাংশ খুজে পান।


গাছটি প্রথমে ছোট প্রাণী সমূহকে ধরে গাছের ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলে। তারপর একধরনের বিশেষ তরল পদার্থ দ্বারা প্রাণীটিকে গলিয়ে ফেলে। যেখানে পোকামাকড়, ছোট ইঁদুর এবং টিকটিকি থাকে সেসব অঞ্চলে এ গাছ পাওয়া যায়।


গাছের তত্ত্বাবধান করেন এমন একজন বলেন যে, এইটা এই দিয়ে দ্বিতীয় বার ঘটলো। গাছ পাখি শিকার করে ফেলেছ।


বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করে যে, যখন পাখিরা ছোট পোকামাকড় খেতে গাছের আসে পাশে যায় তখন দুর্ঘটনাবশত পাখিরাই গাছের দ্বারা শিকার হয়ে যায়।








>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ দুমুখো সাপের কথা শুনেছেন। কিন্তু


কখনো কি শুনেছেন দুমুখো মানুষ? এই বিচিত্র মানুটির নাম এডওয়ার্ড মরড্রেক। তিনি মাথার পিছনে আরেকটি মুখ নিয়ে জন্মেছেন।


এখন তার দুই মুখ, একটা সামনে আর একটা মাথার পেছনে। যদিও পেছনের মুখটি দিয়ে তিনি কথা বলতে পারেন না, এই মুখ দিয়ে তিনি শুধু হাসতে এবং কাঁদতে পারেন।


মরড্রেক ডাক্তারদের তার এই ‘দুষ্ট মাথা’ সরিয়ে ফেলতে বলেন। কারণ রাতে ঘুমানোর সময় তাকে এই মাথা সমস্যা সৃষ্টি করে। কিন্তু কোন ডাক্তারই এই কাজ করতে সাহস পাননি।


২৩ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তার এই অবস্থার কারণ এখনো অজানা। কিন্তু এই অতিরিক্ত মুখটির জন্য তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।








>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ চালস টমবি নামের একজন সুদানের


একজন লোককে জোর করে ছাগলের সাথে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি জুবা উপশহরের হাই মালাকাল নামক স্থানের একটা ছাগলের সাথে সেক্স করার সময় ধরা পরেছেন।


ছাগলের মালিক টমবিকে ধরে নিয়ে গিয়ে গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের ব্যাপারটা মীমাংসা করতে বলেন। গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আদেশ দেন যে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছাগলটাকে বিয়ে করতে হবে!


ছাগলের মূল্য দিতে হবে এবং ১৫০০০ দিনার যৌতুক দিতে হবে। বিয়ের সময়ই অর্ধেক অর্থ পরিশোধের আদেশও দেওয়া হয়।


ইতিমধ্যেই গ্রামের মানুষজন ছাগলটাকে কৌতুক করে ‘রোজ’ নামে ডাকতে শুরু করেছে।


২০০৬ সালের আগে পরে আর এরকম ঘটনা ঘটেনি।








>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ সব মহা মানবদেরই শেষ কথা নিয়ে


অনেক আলোচনা হয়। অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্বে শেষ কথা।


আইনস্টাইন মৃত্যুর পূর্বে কি বলেছিল জানেন?


আইনস্টাইন,সর্বকালের একজন সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী। তিনি একজন জার্মান পদার্থবিদ। আধুনিক পদার্থের জনক তিনি।


তিনিই একমাত্র মহামানব যিনি মৃত্যুর আগে কি বলেছিলেন তা জানা যায়নি। এ এক বড় রহস্য হয়ে আছে আজো।


মৃত্যুর আগের দিন তিনি তার শরীরে অস্ত্রোপচার করতে নিষেধ করেন। তিনি বলেন, ‘যখন আমার মৃত্যু হবে তখনই আমি মরতে চাই। নকল উপায়ে বেঁচে থাকা স্বাদহীন। আমি আমার কাজ করেছি, এখন যাবার সময় হয়েছে। আমি মার্জিতভাবেই মরতে চাই।


এ কথা বলার পরদিন সকাল পর্যন্ত তিনি বেঁচে ছিলেন। ৭৬ বছর বয়সে মারা যাবার আগে তিনি কয়েকটি জার্মান শব্দ বলেছিলেন।


তার সেবাই নিয়োজিত সেবিকা সেই শব্দ গুলো শুনেছিলেন। কিন্তু নিয়তির পরিহাস, ওই সেবিকা জার্মান ভাষা জানতেন না।








>আজব-দুনিয়া ডেস্কঃ ১১ বছর বয়সি বালক পাউলো ডেভিডকে


এখন সবাই চুম্বক বালক বলে ডাকেন। কারণটাও মজার, তার শরীরে সকল ধাতব বস্তু লেগে থাকে।


যে কোন ধরণের ধাতব বস্তু যেমন হাড়ি, পাতিল, ছুরি, কাঁচি সবই তাকে আকর্ষণ করে। আশ্চর্যের ব্যাপার হল পৃথিবীতে পাউলোই একমাত্র এই ক্ষমতার অধিকারী নয়। আরো অনেকেই এই রকম শরীরের অধিকারী। বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত নন কেন শরীরের এই রকম আচরণ।


পূর্বে বিশ্বাস করা হতো যে এদের শরীরে চৌম্বকক্ষেত্র বিদ্যমান। কিন্তু বিজ্ঞানীরা এই সম্ভাবনা বাতিল করে দেন। তারা মনে করেন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোন সিস্টেমের ব্যতিক্রম আচরনের জন্যই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়।








>জানা-অজানা ডেস্কঃ একবার ভাবুন তো আপনি ২০ বছরের একজন টগবগে তরুণ


অথচ একটা প্যান্ট পরিধানের পর হয়ে গেলেন ৭৫ বছর বয়সি এক বুড়া! শুনতে চাপা লাগলেও এটা এখন সম্ভব।


এম,আই,টি এর বিজ্ঞানীরা এমন একটি স্যুট আবিষ্কার করেছে যা পরিধান করলে যে কোন বয়সি একজন ব্যক্তি ৭৫ বছর বয়সের স্বাদ নিতে পারবে।


আমেরিকায় নতুন প্রজন্ম এটির প্রতি দারুনভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এটি মূলত বয়স্ক ব্যক্তিদের ব্যবহারের জন্য বানানো হয়েছে।


এই স্যুটটি যে কাউকে খাপ খাইয়ে নিতে সহায়তা করে। এটি পরিধান করে তরুণরাও তাদের শারীরিক এবং বাচনিক ভঙ্গিতে ৭৫ বয়সীদের স্বাদ অনুভব করতে পারবেন।


বেশ অদ্ভুত উপায়ে এই স্যুটটি কাজ করে। একটি বড় রাবার ব্যান্ডের মাধ্যমে হাতগুলো রুক্ষ আবরণে ঢাকা থাকে আর ব্যক্তি তার হাতকে প্রসারিত করতে পারেনা।


একটি হেলমেট ব্যক্তির মেরুদন্ডকে অস্বস্তিকরভাবে কুঞ্চিত করে রাখে। এটি দৃষ্টিশক্তিকে দুর্বল করে রাখতে সক্ষম।








>প্রাণিজগৎ ডেস্কঃ হাঙর! সমুদ্রের ত্রাস সৃষ্টিকারী মাছ। শ্রেষ্ঠ শিকারি।


গাছের যেমন ফলে পরিচয়, তেমনি এই শিকারির চেনা যায় এর দাঁতে।


এটা আমাদের সবারই অজানা যে একটি হাঙরের অনেকগুলো দাঁতের সারি থাকে। সামনের দুই সারি দাঁত শিকার ধরার জন্য ব্যবহার হয় এবং পিছনের সারির দাঁতগুলো সামনের সারির দাঁতকে সহায়তা করে।


হাঙরের আছে একটি শক্ত চোয়াল। হাঙরের দাঁত পড়ার কিছু দিনের মধ্যেই আবার গজাই।


এতে হাঙরদের খাওয়া অনেক সহজ হয়। দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বোঝা নীতিবাক্যটি এ ক্ষেত্রে অচল।


হাঙরদের দাঁত ওঠার এই পদ্ধতি “কনভেইয়র বেল্ট” নামে পরিচিত। হাঙরদের মধ্যে লেমন সার্ক এর দাত খুব কম সময়ের মধ্যেই(৭-৮ দিন) উঠে যায়।








>প্রাণিজগৎ ডেস্কঃ আমরা ভাবি মানুষ পৃথিবী চালাচ্ছে।


কিন্তু আমাদের শহর কিংবা গ্রাম অথবা ঘরের কোনেই রয়েছে সুপার পাওয়ার সম্পন্ন এক প্রাণী। পিঁপড়া!


এই ক্ষুদ্র প্রাণীটি আমাদের চার পাশে প্রচুর পরিমানে বিদ্যমান। যদিও আমরা কদাচিৎ তাদের লক্ষ্য করি। কিন্তু অনেক ব্যপারেই তারা আমাদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী। যখন এক ঝাঁক পিঁপড়া একসাথে চলে তখন তাদের দাঁড়ানো সত্যিই দুঃসাধ্য ব্যপার।


প্রায় দশ হাজার রকমের পিঁপড়া আছে। দশ লক্ষ পিঁপড়ার বিপরীতে মানুষের সংখ্যা মাত্র এক জন। পিঁপড়াদের মোট ওজন আর পৃথিবীর সকল মানুষের ওজন একই।


কিন্তু পিঁপড়া কি আমাদের উপর খড়গহস্ত হতে পারে? একজন লোক বিশ্বাস করেন যে পিঁপড়াদের সেই ক্ষমতা আছে।


তিনি হলেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এডওয়ার্ড উইলসন। তার সাহসী এই গবেষণার বিষয় ছিল প্রাকৃতিক ভাবে পিঁপড়া না মানুষ সফলভাবে বসবাস করছেন। তার মত হল পিঁপড়াই এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে।


তিনি বলেন- আমি আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় পিঁপড়া জাতীয় পতঙ্গ নিয়ে কাজ করেছি। আমি তাদের সাফল্যে অভিভূত। তাদের জীবনে সাফল্যের মূল সূত্র একদম সহজ সরল। তারা একত্রে সব কাজ করে।


কিন্তু মানুষ কি তা পারে? পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে যাবেন, দেখবেন পিঁপড়ারা দলবদ্ধ। আর মানুষ?






>নারী, চুল ও যৌন আবেদন




ল্যাবরেটরি ডেস্কঃ একদল গবেষকেরা দাবি করেছেন, নারীরা চুল ছোট রাখলে তাদের যৌন আকর্ষণ বেশ কিছুটা কমে যায়। এবং স্বামীকে আকর্ষণ করতে অনেকাংশে ব্যর্থ হন।


বিজ্ঞানীরা বলেন, সেই প্রাচীন গুহামানবের সময় থেকেই চুলের সাথে সেক্সের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। লম্বা চুলের নারীদের যৌন আবেদন বেশি থাকে।


এর আগেও এমনই দাবি করেন সেক্স থেরাপিস্ট ও প্রাক্তন কমেডিয়ান ৫৯ বছর বয়সি পামেলা স্টিফেন্সন। তিনি বলেন, ‘ যে সব নারী ছোট করে চুল কাটেন তারা নিজেদেরকে পুরুষের চোখে কম আবেদনময়ী করে তোলেন।


যদিও বিষয়টি নিয়ে মতোভেদ রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণার এই ফলাফল পামেলার যুক্তিকে একটা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিল এ কথা বলা যায়।






>১০০ বছরে পা দিলেন বাংলার মি. ইউনিভার্স


তাসনিম জাহানঃ তার নাম মনোহর আইচ। জন্ম ১৯১২ সালের ১৭ মার্চ কুমিল্লা জেলার প্রত্যন্ত গ্রাম ধামতিতে।


তিনি ১৯৫২ সালে মি ইউনিভার্স নির্বাচিত হন। এছাড়াও তিনি এশিয়া গেমসের বডি বিল্ডিংয়ে ৩ বারের স্বর্ণপদক বিজয়ী। মাত্র ৪ ফুট ১১ ইঞ্চির এই মানুষটাকে সবাই পকেট হারকিউলিস বলেই চেনেন।


তার বুকের মাপ ৫৪ ইঞ্চি। তিনি বর্তমানে কলকাতাতে বসবাস করছেন। ছোটবেলা থেকে তিনি শারীরিক কসরতে পারদর্শী হয়ে ওঠেন। ১২ বছর বয়স থেকেই শুরু হয় তার কঠোর পরিশ্রম।


১৯৪৩ সালে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সে ( তৎকালীন রয়্যাল এয়ার ফোর্স) যোগদান করার পর বডি বিল্ডিং শুরু করেন। ব্রিটিশ অফিসারদের কাছে তিনি অত্যন্ত প্রিয় পাত্র ছিলেন তার এই সুন্দর স্বাস্থ্যের জন্য।


১৯৫০ সালে মাত্র ৩৭ বছর বয়সে তিনি মি হারকিউলিস প্রতিযোগিতায় জয়ী হন। ১৯৫১ সালে মি ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় ২য় হলেও ৫২ সালে প্রথম স্থান অধিকার করেন। তিনি হন মি ইউনিভার্স।


এছাড়াও তিনি আরও অনেক স্মরণীয় কীর্তির অধিকারী। ১৭ তারিখে তার ১০০ বছর পূর্ণ হল।


এ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ আমি জীবনে ধূমপান বা মদকে ছুঁয়ে দেখি নি। জীবনের দুশ্চিন্তা আমাকে গ্রাস করতে পারে নি। সেই ছোট বেলা থেকে টাকা উপার্জনের জন্য লড়াই করেছি। কিন্তু যে কোন পরিস্থিতিতে আমি খুশি থেকেছি।


শুভ জন্মদিন বাংলার বীর।






>ল্যাবরেটরি ডেস্কঃ মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে ভালবাসায় সাড়া দেয় তা নিয়ে সম্প্রতি


এক গবেষণা চালানো হয়। এর ফলাফল যা পাওয়া গেছে তা যথেষ্ট চমকপ্রদ।


যেমন প্রেমে পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের ১৫ ভাগের ১ ভাগ সময়। এই জন্যই বুঝি বলে প্রথম দর্শনে প্রেম!


প্রেমে পরার সময়ে মস্তিষ্কের ১২ টি অংশ একসাথে কাজ করে। প্রেমে পড়তে ছয় মাস ধরে রেস্টুরেন্টে রেস্টুরেন্টে ঘুরতে হয় না।


প্রেমে পরার সময়ে এই সকল অংশ থেকে ডোপামিন, অক্সিটোসিন, অ্যাড্রেনালিন, ভাসোপ্রেসিন প্রভৃতি কেমিক্যাল নির্গত হয়।


অতএব দেখা যাচ্ছে যে, ভালবাসা কোকেনের থেকেও বেশি নেশার সৃষ্টি করে।


ভালবাসা মস্তিষ্ককে পরিশীলিত করে। যখন মানুষ প্রেমে পরে তখন তা মানুষিক রুপায়ন, এমনকি মেটাফোরকেও আক্রান্ত করে।


সর্বোপরি তাদের গবেষণার ফলাফল ভালবাসা আপনার জন্য যথেষ্ট উপকারি।








>ল্যাবরেটরি ডেস্কঃ ব্রিটিশরা খোলামেলা জাতি হিসাবে পরিচিত।


আর সেখানকার মেয়েদের সমুদ্র সৈকতে অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করার দৃশ্য খুবই সাধারণ।


কিন্তু এক সমীক্ষাতে মজার একটা তথ্য বেড়িয়ে এসেছে। ব্রিটিশ পুরুষেরা চান না যে তাদের স্ত্রীরা অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করুক।


ব্রিটেনের এক পর্যটন সংস্থার জরিপ থেকে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে। সানশাইন ডট কো ডট ইউ কে নামের ওই পর্যটন সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা যায় যে ওই সব পুরুষ অন্য নারীরা এভাবে সূর্যস্নান করলে তাদের কোন অসুবিধা নেই বলে জানান।


এতে আরও বলা হয় ৫৬ ভাগ পুরুষ চান না যে তাদের স্ত্রী অর্ধনগ্ন হয়ে সূর্যস্নান করুক। কিন্তু একই সমীক্ষাতে ২৩৯২ জন নারীর মধ্যে ৬৮ ভাগ নারী বলেন, সূর্যস্নানের জন্য তাদের অর্ধনগ্ন হতে কোন আপত্তি নেই।


কিন্তু তিন ভাগ নারীর এ ব্যাপারে যথেষ্ট আপত্তি রয়েছে।








>ল্যাবরেটরি ডেস্কঃ একটা সম্পর্ক থেকে কি চান পুরুষ বা নারীরা?


মহিলারা চান দীর্ঘ সময়ের জন্য সম্পর্ক করতে আর পুরুষরা চান সম্পর্ক নিয়ে মজা করতে।


যদি পুরুষদের ডেটিং এবং এক রাতের সম্পর্কের মধ্যে বেছে নিতে বলা হয় তাহলে তারা এক রাতের সম্পর্ককেই বেছে নেবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া ম্যাডিসন বিশবিদ্যালয়ের এক সমীক্ষা থেকে এই চমকপ্রদ তথ্য বের হয়ে এসেছে।


এই সমিক্ষায় ১৫০ জন নারী এবং ৭১ জন পুরুষকে ডেটিং সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়েছিল। এই প্রশ্নের উত্তর বাছাই করেই এই সব তথ্য পাওয়া যায়।


সমীক্ষা থেকে আরও জানা যায়, ৪১ ভাগ নারী ট্র্যাডিশনাল ডেটিং পছন্দ করলেও মাত্র ২০ শতাংশ পুরুষ তা পছন্দ করে। অন্যদিকে ১৭ শতাংশ পুরুষ বেশি সময়ের জন্য হওয়া সম্পর্ককে প্রাধান্য দেন।