সোমবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১২

ব্যাংকে কি কি হিসাব খোলা যায়? কিভাবে কাজ করে?

ব্যাংক হিসাব
ব্যাংক হিসাব ৩ প্রকার। যথা :

১. চলতি হিসাব
২. স্থায়ী হিসাব
৩. সঞ্চয়ী হিসাব

    চলতি হিসাবের ন্যূনতম জমা- ১০০০ টাকা
    চলতি হিসাবে ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে আমানতকারী যতবার ইচ্ছা জমা দিতে ও উত্তোলন করতে পারে।
    বিশেষ চলতি হিসাবের অপর নাম- SID (Short Term Deposit)
    একজন ব্যবসায়ীর জন্য উপযোগী হিসাব- চলতি হিসাব
    সঞ্চয়ী হিসাবের ন্যূনতম জমা- ১০০ টাকা
    সঞ্চয়ী হিসাবে সপ্তাহে ২ বার টাকা উত্তোলন করা যায়।
    সঞ্চয়ী হিসাবে বছরে সুদ দেওয়া হয়- ২ বার (৩০ ‍জুন ও ৩১ ডিসেম্বর)
    সঞ্চয়ী হিসাবে সর্বোচ্চ জমা রাখা যায়- ১০ লক্ষ টাকা
    Pension সঞ্চয়ী হিসাব সাধারণত খোলা হয়- ১০ বা ২০ বছরের জন্য
    চেকসহ সঞ্চয়ী হিসাবের ক্ষেত্রে ব্যাংক সাধারণত ১০ পৃষ্ঠার চেক ইস্যু করে
    স্থায়ী হিসাবে জমাকৃত টাকার উপর ৮০% পর্যন্ত ঋণ দেওয়া হয়
    স্থায়ী হিসাবে FDR (Fixed Deposit Receipt) ব্যবহৃত হয়
    ব্যাংক হিসাব খোলার সময় মক্কেলের প্রয়োজন- ৩টি নমুনা স্বাক্ষর (সাধারণত)
    ব্যাংকে হিসাব খুলতে হলে সুপারিশসহ দস্তখতের দরকার হয়- ১ জনের
    DPS- Deposit Pension Scheme
    DPS মূলত স্থায়ী/দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়ী হিসাব
    বাংলাদেশ DPS চালু করা হয়- ১৯৮৩ সালে

 

ব্যাংক চেক


  • চেকের পূর্বনাম- উত্তোলন চিঠা
  • সর্বপ্রথম আধুনিক ছাপানো চেকের প্রচলন হয়- ইংল্যান্ডে
  • চেকে ৩টি পক্ষ থাকে-
    ১. আদেষ্টা
    ২. আদিষ্ট
    ৩. ব্যাংক
  • চেক প্রধানত ৩ প্রকার। যথা :
    ১. বাহক চেক
    ২. হুকুম চেক
    ৩. দাগকাটা চেক
  • অবাধে হস্তান্তরযোগ্য- বাহক চেক
  • হুকুম চেকের পিছনে দস্তখত দিয়ে একে বাহক চেকে রূপান্তর করা যায়।
  • ব্যাংক হিসাবে জমা দিয়ে অর্থ উত্তোলন করতে হয়- হুকুম চেকের মাধ্যমে
  • দাগকাটা চেকে লেখা থাকতে পারে ‘এন্ড কোং বা হস্তান্তরযোগ্য নয়’, ‘প্রাপকের হিসাবে প্রদেয়’, ব্যাংকের নাম বা ব্যক্তির নাম
  • সাধারণভাবে দাগকাটা চেকের বাম প্রান্তের উপরিভাগে ২টি সমান্তরাল রেখা আড়াআড়িভাবে টেনে উক্ত রেখাদ্বয়ের মধ্যে কিছু না লিখে ফাঁকা রাখা হয়/ কিংবা উক্ত রেখাদ্বয়ের মধ্যে ‘এন্ড কোং (& co.)’, ‘হস্তান্তযোগ্য নয় (not negotiable)’, ‘প্রাপকের হিসাবে প্ররিশোধ্য(Payees Account only)’ ইত্যাদি লেখা হয়
  • বিশেষভাবে দাগকাটা চেকের বাম প্রান্তের উপরিভাগে সমান্তরাল রেখা অঙ্কন না করে কেবল ব্যাংকের নাম লেখা হয়/ কিংবা দুটি সমান্তরাল রেখা আড়াআড়িভাবে অঙ্কন করে তার মধ্যে কোনো ব্যাংকের নাম লিখে রেখাঙ্কিত হয়।
  • দাগকাটা চেকের দাগকাটা বাতিল করতে পারে- আদেষ্টা
  • সাধারণভাবে দাগকাটা চেক ও বিশেষভাবে দাগকাটা চেক সম্পর্কে বলা হয়েছে- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ১৮৮১-এর ১২৩ ও ১২৪ ধারায়
  • চেকের অনুমোদন সম্পর্কে বলা হয়েছে- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন ১৮৮১ সালের ধারা ১৫-তে
  • চেকের বৈধতার মেয়াদ- ১৮০ দিন/৬ মাস
  • উপহার চেক ইস্যু করে- বাণিজ্যিক ব্যাংক
  • উপহার চেকের ড্র অনুষ্ঠিত হয়- ৩ মাস পর
  • উপহার চেক ৩ মাসের মধ্যে ভাঙ্গালে- ৪.৫% সুদ পাওয়া যায় এবং ৩ মাসের পর ভাঙালে ৯% সুদ পাওয়া যায়
  • প্রাইজবন্ড ইস্যু করে- জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর
  • শপিং-এর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়- মার্কেট চেক
  • মার্কেট চেক সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- USA, UK-তে
  • The City Bank-এর City Card-কে Global Dual Currancy Card বলা হয়। এই Card দেশে ও বিদেশে উভয় জায়গায় ব্যবহার করা যায়
  • বাংলাদেশে পোস্টাল কোড চালু হয়- ১৯৮৬ সালে
  • বিভিন্ন প্রকার চেক :
    ১. ফাঁকা চেক- চেকে অর্থের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে লেখা হয় না
    ২. খোলা চেক- যে চেকে দাগকাটা হয় না
    ৩. বাসি চেক- ৬ মাস অতিক্রান্ত সময়ের চেক

  • চেক অমর্যাদাকৃত বা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ :
    ১. অন্য ব্যাংকের বা অন্য শাখার চেক হলে
    ২. আদেষ্টার স্বাক্ষর না থাকলে
    ৩. স্বাক্ষর নমুনা স্বাক্ষরের সাথে না মিললে
    ৪. চেকে তারিখ না থাকলে
    ৫. বাসি চেক হলে
    ৬. এক হিসাবের চেক অ্ন্য হিসাবে ব্যবহার করলে
    ৭. চেকে হিসাব নম্বর না থাকলে
    ৮. আদেষ্টা পাগল, দেউলিয়া বা মারা গেলে
Previous Post
Next Post
Related Posts