বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১২

বিজয় ছিনিয়ে আনতে হবে

>পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের সময় লাগে ২৭ দিন ৭ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট ১১.৬ সেকেন্ড
>পৃথিবীকে একবার প্রদক্ষিণ করতে চাঁদের ২৭ দিন ৭ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট ১১.৬ সেকেন্ড সময় লাগলেও চান্দ্রমাস গণনা করা হয় ২৯ দিন ৭ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট ১১.৬ সেকেন্ডে!
>মায়ানরা যে একটা ক্যালেন্ডার বানিয়েছিল, সে কথা তো মূল রচনাতেই পড়ে ফেলেছোকিন্তু জানো, সেই ক্যালেন্ডার এখনো গুয়েতেমালার কিছু জনগোষ্ঠী অনুসরণ করে!
>মায়ানদের ভাষাও কিন্তু এখনো মোটেও বিলুপ্ত হয়নি; বরং এখনো এই ভাষায় কথা বলে প্রায় ৬০ লাখ মায়ান আদিবাসীওরা মূলত গুয়েতেমালা, মেক্সিকো, বেলিজ আর হন্ডুরাসে থাকে
>১৯৯৬ সালে গুয়েতেমালায় এক গবেষণায় দেখা গেছে, শুধু সেই দেশেই তখনো মায়ানদের ২১টি আলাদা আলাদা ভাষা আছে! মেক্সিকোতে চিহ্নিত করা গেছে তাদের আরো ৮টি আলাদা আলাদা ভাষা!
>চিউয়েবল টুথব্রাশ নামে একটি মজার টুথব্রাশ আছে, যেটি দিয়ে দাঁত মাজতে পেস্ট-পানি কিচ্ছু লাগে না, মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ চাবালেই হয়! তারপর ফেলে দিলেই দাঁত একদম পরিস্কার! কিন্তু খবরদার! ওই টুথব্রাশ কিন্তু খাওয়া যায় না
>২০০৩ সালের জানুয়ারিতে আমেরিকাতে একটি জরিপ হয়, কোন কোন আবিষ্কার ছাড়া আমেরিকানরা একদিনও চলতে পারবে না- তার উপরতাতে প্রথম আবিষ্কার হিসেবে মনোনীত হয় টুথব্রাশ!
>দাঁতনকে ইংরেজিতে একটা গালভরা নামে ডাকা হয়- চিউ স্টিক
>আমরা যে টুথব্রাশ ব্যবহার করি, সেটি মূলত সিনথেটিক ব্রিসল টুথব্রাশপৃথিবীর প্রথম বাজারজাতকৃত সিনথেটিক ব্রিসল টুথব্রাশের নাম কি ছিল জানো? ডক্টর ওয়েস্টস মিরাকল টুথব্রাশ
>প্রতি ৪০০ বছরে ৯৭টা লিপ ইয়ার বা অধিবর্ষ থাকে
>প্রতি ৪০০ বছরে ১৩ বার লিপ ইয়ার শুরু হয় শনি, সোম আর বৃহস্পতিবার দিয়েসেই বছরগুলোতে ২৯ ফেব্রুয়ারি হয় যথাক্রমে রবি, মঙ্গল আর বৃহস্পতি
>১৪ বার লিপ ইয়ার শুরু হয় মঙ্গল আর বুধবার দিয়ে, আর ২৯ ফেব্রুয়ারি হয় যথাক্রমে শুক্র আর শনিবার
>বাকি ৩০টা লিপ ইয়ারের ১৫টা শুরু হয় শুক্রবার, আর ১৫টা শুরু হয় রবিবারআর ২৯ ফেব্রুয়ারি হয় সোমবার আর বুধবার
>বড়দিন উপলক্ষে কিন্তু অনেক দেশে ডাকটিকিটও প্রকাশিত হয়আর প্রথম বড়দিন উপলক্ষ্যে ডাকটিকিট প্রকাশ করে কানাডার ডাক বিভাগতাতে ছিল কানাডার মানচিত্র, আর নিচে লেখা ক্রিসমাস ১৮৯৮
>তবে ওই ডাকটিকিটটা নিয়ে অনেক বিতর্কও আছেওটাকে বাদ দিলে বড়দিন উপলক্ষ্যে প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশ করে অস্ট্রিয়ার ডাক বিভাগ, ১৯৩৭ সালেআর তার পরপরই ব্রাজিল আর হাঙ্গেরির ডাক বিভাগ
>১৯৪৩ সালে হাঙ্গেরি দ্বিতীয় বারের মতো বড়দিন উপলক্ষ্যে ডাকটিকিট প্রকাশ করার পর টানা ৮ বছর বড়দিনে কোনো দেশই ডাকটিকিট প্রকাশ করেনিএই নীরবতা ভাঙ্গে কিউবার ডাক বিভাগ (১৯৫১ সালে)আর তারপর থেকেই নিয়মিত বড়দিনে ডাকটিকিট প্রকাশ করে আসছে বিভিন্ন দেশের ডাক বিভাগ
>১৯৯০ সাল পর্যন্ত মোটমাট ১৬০টি দেশের ডাক বিভাগ বড়দিনকে সামনে রেখে প্রকাশ করেছে ডাকটিকিট বা স্ট্যাম্প
>সবচেয়ে বেশিবার এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে বলো তো? ল্যান্স আর্মস্ট্রং, মোটমাট ৭ বারআর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে আমেরিকার এই সাইক্লিস্টকে কিন্তু আরো একটা যুদ্ধে জিততে হয়েছে; ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে
>এই প্রতিযোগিতাটি প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় ১৯০৩ সালেআর সেই প্রথম ট্যুর ডি ফ্রান্সে জয়ী হন ফরাসি সাইক্লিস্ট মরিস গারিন
>সাইকেলের যে রেস হয়, সে তো তোমরা সবাই-ই জানো সবচেয়ে বিখ্যাত সাইকেল রেসের নাম কি জানো? ট্যুর ডি ফ্রান্সএই বছরের জুলাইতে বসেছিলো প্রতিযোগিতাটির ৯৮ তম আসর
>আমেরিকার শহরের মানুষ খুব কমই সাইকেলে চড়ে; হিসেব করলে তা ১ শতাংশও হবে কিনা সন্দেহঅনেকটা আমাদের দেশের ঢাকা শহরের মতো আরকি! তুলনায় ইউরোপের শহরে মানুষ অনেক বেশি সাইকেলে চড়ে বেড়ায়এই যেমন ইতালির শহরগুলোর যানবাহনের ৫%-ই সাইকেলআর নেদারল্যান্ডে তো সংখ্যাটা আরো বেশি, প্রায় ৩০%ওখানে নাকি প্রতি ৮ জন মানুষের মধ্যে ৭ জনেরই সাইকেল আছে!
>বাইসাইকেল শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয় ১৮৬০ সালের দিকে, ফ্রান্সে
>প্লেনের আবিষ্কারক দুই ভাইয়ের কথা মনে আছে, অরভিল রাইট আর উইলবার রাইট? ওদের কিন্তু একটা সাইকেল মেরামতের দোকান ছিলো!
>এখনো পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় ১০০ মিলিয়ন সাইকেল তৈরি করা হয়!
>চীনে আজো সাইকেল ব্যবহার করে প্রায় আধা বিলিয়ন, মানে ৫০ কোটি মানুষ!
>তোমার মাথায় কয়টা চুল আছে বলো তো? থাক, মাথা চুলকিয়ো না, কিছু চুল আবার পড়ে যেতে পারেতোমার মাথায় চুল আছে এক থেকে দেড় লক্ষ!
>যাদের চুলের রং সোনালি, তাদের মাথায় চুলও একটু বেশিআরেকটা কথা, সোনালি আর লাল রং কাছাকাছি হলে কি হবে, চুলের ক্ষেত্রে কিন্তু এই হিসাব একদম উল্টোসোনালি-চুলোদের যেখানে চুল সবচেয়ে বেশি থাকে, সেখানে লালচুলোদের মাথায় চুল থাকে সবচেয়ে কম!
>তোমাদের সবার বাসাতেই তো আয়না আছেআর সেই আয়নাতে নিজের চেহারা দেখতেও তো খুব মজা লাগে, তাই না? এখন মজার তথ্যটা শোনো- ছেলেরা গড়ে তাদের জীবনের ৬ মাসই কাটায় আয়নার দিকে তাকিয়েআর মেয়েরা কাটায় প্রায় ২ বছর!
>আগে অবশ্য মানুষ বাঁহাতি শিশুদের স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারতো নাতখন কোনো শিশু বাঁহাতি হলে ওকে জোর করে ডানহাতি বানানোর চেষ্টা করা হতো!
>তোমাদের মধ্যে কয়জন বাঁহাতি বলো তো? খেয়াল করলে দেখবে, দু-একজন অবশ্যই পেয়ে যাবেএখন মজাটা কি জানো? ১৯০০ সালের দিকেও পৃথিবীতে এতো বাঁহাতি মানুষ ছিলো নাতখন বাঁহাতি মানুষ ছিলো মাত্র ৩%আর এখন বাঁহাতিরা মোটমাট কতো শতাংশ জানো? ১১!
>মানুষের শরীরে মোট হাড়গোড় কয়টা বলো তো? হ্যাঁ, ২০৬টাকিন্তু তোমাদের, মানে কিডজ বা শিশুদের শরীরে হাড় কিন্তু অনেক বেশি-ই থাকেকয়টা? প্রায় ৩০০টা!
>ইলা মিত্র শুধু যে অনুবাদ করেছিলেন, তাই না, ‘হিরোশিমার মেয়েবইটির জন্য তিনি সোভিয়াত ল্যান্ড নেহেরুপুরস্কারও লাভ করেন
>ইলা মিত্র যে খুব বড়ো মাপের নেত্রী ছিলেন, সেই সঙ্গে ছিলেন তুখোড় অ্যাথলেট, সেই সব গল্পই তো তোমরা বিশেষ রচনাতে পড়ে ফেলেছোকিন্তু জানো, তিনি যে লেখকও ছিলেন? তিনি একগাদা রুশ বইয়ের অনুবাদ করেছিলেনতার মধ্যে আছে হিরোশিমার মেয়ে’, ‘জেলখানার চিঠি’, আরো কত্তোগুলো!
>২০০৯ সালে স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের ১৫০তম জন্মবার্ষিকী গিয়েছিলোআর সেই উপলক্ষে তার অমর সৃষ্টি শার্লক হোমসকে নিয়ে ৬টি ডাকটিকিটের একটি সেট বের করা হয়েছিলোআর সেটের প্রতিটি ডাকটিকিটে আসল ছবির নিচে লুকানো ছিলো আরেকটি ছবি, যেটি বিশেষ লেন্স ছাড়া দেখাই যাবে না ঠিক যেনো গোয়েন্দা গল্পের ডাকটিকিট!
>ফ্রান্সের ডাকবিভাগ একবার চিন্তা করলো, ওদের চকোলেটের তো বেশ সুনামতো ওরা ঠিক করলো কি, চকোলেটের মতো এক সেট ডাকটিকিট বের করবেতা বেরও করলোএখন মজার কথা কি জানো? এই ডাকটিকিটগুলো থেকে চকোলেটের সুবাসও বের হয়! আর তা নাকি থাকেও ২ বছর!
>২০০৯ সালে নিউজিল্যান্ডে প্রথম লাইট হাউজ প্রতিষ্ঠার ১৫০ বছর পূর্ণ হলোএ উপলক্ষ্যে ডাকবিভাগেরও তো কিছু করা উচিত, তাই না? ওরা লাইট হাউজের ছবি নিয়ে কতোগুলো ডাকটিকিট বের করলোআর জানো, সেই লাইট হাউজগুলোর যে আলোর রেখাগুলো আঁকা ছিলো, সেগুলো সত্যি সত্যি অন্ধকারে জ্বলে!
>চীন তো প্রযুক্তির দিক দিয়ে সবসময় একটু এগিয়েই থাকেডাকটিকিটেই বা ওরা পিছিয়ে থাকবে কেন? ওরা এমনই এক ডাকটিকিট বের করলো, বিশেষ পেন দিয়ে ওটাকে ছুঁয়ে দিলেই ওটা প্রাচীন চীনা কবিতা আবৃত্তি করতে শুরু করে দেয়! ঐ বিশেষ পেনগুলোকে বলে এইগো পেন
>রাতে না ঘুমালে তো তোমাদের ভালোই লাগে না! অনেকে আবার রাতে একদমই ঘুমাও নাআর দিনের বেলা স্কুলে গিয়ে ঢুলতে থাকোকিন্তু মজার ব্যাপার কি জানো? বিজ্ঞানীরা আঁক কষে বের করেছেন, আমরা আমাদের জীবনের তিন ভাগের এক ভাগ সময়ই কাটাই ঘুমিয়ে!
>নেপোলিয়নকে তো চেনোই, সেই যে বীর যোদ্ধা; তারপর ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, বিশ্বযুদ্ধের সময় লণ্ঠন হাতে আহত যোদ্ধাদের সেবা করতে করতে যার নামই হয়ে গিয়েছিলো হাতে নিয়ে আলোকবর্তিকা’; আর মার্গারেট থ্যাচার, যার নামই হয়ে গেলো লৌহমানবী’; ভাবছো, হঠা এই তিনজনের কথা কেনো, বললাম? আরে, এই তিনজনই দিনে মাত্র ৪ ঘণ্টা করে ঘুমাতেন!
>ওরা তো তবু কম ঘুমাতেন, আর বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন তো ঘুমকে রীতিমতো গালমন্দ করতেন! তার মতে, ঘুম হলো স্রেফ সময় নষ্ট করা! এদিক দিয়ে আবার আইনস্টাইন খুবই ভালো ছিলেনতিনি নিয়মিত ১০ ঘণ্টা করে ঘুমুতেন!
>আচ্ছা, একটানা সবচেয়ে বেশি সময় ধরে না ঘুমানোর বিশ্ব রেকর্ড কার জানো? র‌্যান্ডি গার্ডনার১৯৬৫ সালে তিনি একবার টানা ১১ দিন না ঘুমিয়ে ছিলেন!
>ডোরেমনের মোটমাট গল্প কয়টা জানো? ১৩৪৪টা!
>এই ১৩৪৪টা গল্প নিয়ে ভলিউমই বের করা হয়েছে মোটমাট ৪৫টা!
>এই ৪৫ টা ভলিউম সংরক্ষণ করা আছে জাপানের তাকাওকা সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতেআর মজার কথা কি জানো? ডোরেমনের দুই স্রষ্টা ফুজিকো ফুজিয়ো (ফুজিমোতো এবং আবিকো) দুজনেই জন্মেছিলেন তোয়েমা প্রদেশের এই তাকাওকাতেই!
>ডোরেমন প্রথম জাপানের বাইরে মুক্তি পায় ১৯৮২ সালেতখন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত পৃথিবীর অনেক দেশেই মুক্তি পেয়েছে ডোরেমনকিন্তু মুক্তি পায়নি ইংরেজি-ভাষী চারটি বড়ো দেশেই- আমেরিকা, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডে
>ডোরেমনকে নিয়ে মোটমাট কয়টা ভিডিও গেম বানানো হয়েছে জানো? ৬৩টা!
>কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহীকবিতাটা পড়েছো না? কবিতাটা নজরুল কবে লিখেছিলেন জানো? ডিসেম্বর মাসেবছরের শেষ সপ্তাহে, কলকাতার এক শীতের রাতে, রাত জেগে জেগে
>বিদ্রোহী কবি নজরুল ইসলাম কতো সালে জন্মেছিলেন বলো তো? হ্যাঁ, ১৮৯৯ সালেসেই বছর কিন্তু আরো একজন কবি জন্মেছিলেন- রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ
>নজরুল যে এত্তোকিছু লিখেছেন, তিনি মোট কতো বছর সাহিত্য রচনা করেছেন জানো? মাত্র ২৩ বছর১৯১৯ সালে তাঁর প্রথম গল্প পত্রিকায় প্রকাশিত হয়আর ১৯৪৩ সালে তো তিনি প্যারালাইসড-ই হয়ে গেলেন!
>নজরুল কিন্তু কিছু অনুবাদও করেছিলেনতিনি অমর কবি হাফিজ, ওমর খৈয়াম, ওয়াল্ট হুইটম্যান- এদের অনুবাদ তো করেছেনই, এমনকি কুরআনের কিছু সূরাও তিনি বাংলায় অনুবাদ করেছেন
>বড়োদের চেয়ে ছোটোদের শরীরে হাড় কিন্তু একটু বেশি-ই থাকেবড়োদের শরীরে যে ২০৬টা হাড় থাকে, তা তোমরা সবাই জানোকিন্তু ছোটোবেলায় আমাদের শরীরে হাড় কটা থাকে জানো? ৩০০টা!
>হাঁচি দেয়ার সময় পারলে চোখ খুলে রাখো তো দেখি! সেটা কখনোই পারবে নাহাঁচি দেয়ার সময় তোমাকে অবশ্যই চোখ বন্ধ করতে হবে
>তোমার শরীর যে অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণা বা কোষ দিয়ে তৈরি, তা তো জানোইতোমার রক্তেরও কিন্তু এ রকম অনেকগুলো ছোট্ট ছোট্ট কণা বা রক্তকণিকা আছেপ্রতি সেকেন্ডে এরকম কতোগুলো নতুন রক্তকণিকা তৈরি হয় আর পুরোনো রক্তকণিকা ধ্বংস হয়, তা কি জানো? প্রায় ১৫ মিলিয়ন!
>একজন মানুষের মস্তিষ্ক প্রতি সেকেন্ডে কতটি গণনা করতে পারে জানো? ১০ কোয়াড্রিলিয়ন মানে ১০০ কোটি কোটিভুল পড়োনি, কোটি দুইবারই হবে! আজ পর্যন্ত এমন কোনো কম্পিউটার তৈরি হয়নি, যেটির হিসাব করার এরকম অসাধারণ ক্ষমতা আছে
>এরকম একটা কথা তো তোমরা সবাই শুনেছো, যে আমরা সারা জীবনে আমাদের মস্তিষ্কের মাত্র ১০% ব্যবহার করিএটা কিন্তু মোটেও ঠিক কথা নয়এমনকি ঘুমানোর সময়ও আমরা আমাদের মস্তিষ্কের প্রায় পুরোটাই ব্যবহার করি, আর জেগে থাকলে তো বটেই
>প্রতিদিন হাজারটা করে মস্তিষ্কের কোষ বা ব্রেন সেল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে শুনে যারা খুব ভয় পেয়েছো, তাদের বলছি- তোমাদের ভয় পাওয়ার কিছুই নেইকারণ, আমাদের মস্তিষ্কে মোট কোষ আছে ১০০ বিলিয়ন প্রতিদিন ১ হাজারটা করে নষ্ট হতে থাকলে আমাদের মস্তিষ্কের সবগুলো কোষ নষ্ট হতে সময় লাগবে মোটমাট ৩ লক্ষ বছর!
>ছোটোবেলা থেকেই তো আমাদের মস্তিষ্ক একটু একটু করে বাড়ছেকিন্তু ১৮ বছর বয়সে আমাদের মস্তিষ্কের এই বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় উল্টো প্রতিদিন ১ হাজার মস্তিষ্কের কোষ বা ব্রেন সেল নষ্ট হয়ে যেতে থাকে!
>একজন মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ কোনটা, বলো তো? হ্যাঁ, তার মস্তিষ্কএকজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের এই মস্তিষ্কের ওজন কতো হয় জানো? প্রায় ৩ পাউন্ডমানে দেড় কেজির মতো
>আচ্ছা, বলো তো, প্রতিদিন পৃথিবীতে কতোবার বিজলি চমকায়? প্রায় ৮৬ লক্ষ ৪০ হাজার বার!
>শুধু এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়েই প্রতি বছর ২৫ বার বিদ্যু আঘাত করে
>যখন বিজলি চমকায় তখন সেখানে কতো ভোল্ট বিদ্যু পন্ন হয় জানো? প্রায় ১ বিলিয়ন ভোল্ট! আর তাতে যেই তাপ উপন্ন হয় তা সূর্যের চেয়েও ৫ গুণ বেশি!
>আচ্ছা, কখনো কি ভেবেছো, বিজলি চমকালে শব্দ হয় কেনো? অনেকে হয়তো বলবে, মেঘ ডাকে তাই শব্দ হয়! সত্যি সত্যি কি আর মেঘ ডাকতে পারে নাকি? মেঘ কি আর গরু-ছাগল নাকি যে ডাকবে! তোমরা তো নিশ্চয়ই এটা জানো যে, যে কোনো কম্পনের ফলেই শব্দ সৃষ্টি হয়আসলে বিজলি চমকালে এমনই তাপ পন্ন হয়, তাতে বাতাসের অণুগুলোর মধ্যে এমনই কম্পনের সৃষ্টি হয়, যে বিকট শব্দ হয়
>বিজলি চমকানোর তুলনায় ভূমিকম্প কিন্তু অনেক কম হয়তাই বলে ভেবো না সে নিতান্তই কমপ্রতি বছর ভূমিকম্প হয় প্রায় ৫ লক্ষ বার! তবে তার বেশিরভাগই এতোই মৃদু হয়, যে আমরা টেরই পাই না!
>সুফিয়া কামালের প্রথম কবিতা পত্রিকায় ছাপা হয় ১৯২৬ সালে, ‘সওগাতনামের তখনকার বেশ নামকরা এক সাহিত্য পত্রিকায়
>১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাঁঝের মায়াআর এটির ভূমিকা কে লিখে দেন জানো? আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম!
>১৯৫৬ সালে তিনি শুধু তোমাদের জন্যই একটা সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেনসংগঠনটির নাম তোমরা সবাই-ই শুনেছোকেনো, ‘কচিকাঁচার মেলা’-র নাম শোনোনি, এমন কেউ-ই কি তোমাদের মাঝে আছে?
>পৃথিবীতে মোট পিঁপড়া আছে ২৮০ প্রজাতির
>লাল পিঁপড়াদের আকৃতি ২ মিলিমিটার থেকে ৬ মিলিমিটার পর্যন্ত হতে পারেআর এই সব আকৃতির লাল পিঁপড়ারা সবাই এক বাসাতেই থাকে
>লাল পিঁপড়ারা সাধারণত গাছের বীজ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্ভিদ ইত্যাদি খায়তবে মাঝে মাঝে এরা ঝিঁঝিপোকাও খায়!
>এই লাল পিঁপড়াদের অত্যাচার সবচেয়ে বেশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান আর অস্ট্রেলিয়ায়তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আর তাইওয়ান ওদের দমনে ব্যর্থ হলেও, অস্ট্রেলিয়া কিন্তু এ ব্যাপারে সফলতাতে অবশ্য ওদের ১৭৫ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে!
>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই লাল পিঁপড়ার কারণে প্রতি বছর প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন ডলার ক্ষয়-ক্ষতি হয়! আর ওদের আক্রমণের শিকার মানুষের চিকিসা আর ওদের দমনের খরচ যোগ করলে প্রতি বছর কেবল এই পিঁপড়াদের জন্যই খরচ হয় প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার!
>আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যে চলচ্চিত্র খুব ভালোবাসতেন, তা কী জানো? শুধু তাই নয়, একসময় তিনি রূপালি পর্দার জগতে কাজও করতে শুরু করেছিলেন! ৩টি চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যের কাজও তিনি করেছিলেনমানে কাহিনী লিখেছিলেন তিনিআর ২টি চলচ্চিত্রের গানের কম্পোজিশনও করেছিলেন এমনকি নজরুল চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেছিলেন
>আরেকটা মজার কথা কি জানো, তিনি যে ২টি ছবির গানের কম্পোজিশন করেছিলেন, তার একটি হলো গোরাকী নামটা খুব চেনা চেনা লাগছে? হ্যা, এই গোরাছবিটা বানানো হয়েছিলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গোরাউপন্যাসের কাহিনীর উপর ভিত্তি করেইমানে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আর কাজী নজরুল ইসলাম একই সঙ্গে, একই ছবিতে!
>বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো সমস্যা কোনটা, তা তো জানোই- পরিবেশ দূষণআর এই দূষণের জন্য দায়ী কিন্তু আমরাইকিন্তু এই দূষণের দিক দিয়ে পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় দেশ কোনটি জানো? চীন
>অবশ্য কিছুদিন আগেও কিন্তু চীন পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় দূষণকারী দেশ ছিলো নাআগে সবচেয়ে দূষণকারী দেশ ছিলো আমেরিকা একবার চিন্তা করো, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার মাত্র ৫% লোক ওখানে বাস করে, আর কিনা পৃথিবীর মোট দূষণের ২৫% দূষণই করে ওই ৫% লোক!

(আসলে পৃথিবীর মোট কার্বন ডাই-অক্সাইডের ২৫% আমেরিকায় উপন্ন হয়এই কার্বন ডাই-অক্সাইডের উপাদনের উপর ভিত্তি করে কোন দেশ কতোটা দূষণ করছে তা পরিমাপ করা হয়।)
>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেনএটা তো তোমরা সবাই-ই জানোকিন্তু এটা কি জানো যে, তিনিই প্রথম ইউরোপের বাহিরের কোনো দেশ থেকে নোবেল পেয়েছিলেন?
>রবি ঠাকুর তাঁর কোন কাব্যগ্রন্থের জন্য নোবেল পেয়েছিলেন, বলো তো? হ্যা, ‘গীতাঞ্জলিকিন্তু যারা নোবেল পুরস্কার দেয়, তারা কিভাবে বাংলা কবিতার বইটা পড়লো, সেটা একবার ভেবে দেখেছো? খুবই জটিল এক প্রশ্ন! না, আসলে যারা নোবেল পুরস্কার দেয়, তারা তো আর বাংলা পড়তে পারতো নারবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই কবিতার বইটা ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেনআর ওটা পড়ে সবার এতোই ভালো লেগে গেলো, তাঁকে নোবেল না দিয়ে থাকতেই পারলেন না
>‘গীতাঞ্জলিবইটাতে মোট কয়টা কবিতা ছিলো জানো? বাংলা বইটাতে কবিতা ছিলো ১৫৭টাআর ইংরেজি বইটাতে ছিলো ১০৩টা
>‘গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদ করতে গিয়ে রবি ঠাকুর কিন্তু পুরো বইটার হুবুহু অনুবাদ করেননিমোট ১০৩টা কবিতার মধ্যে ৫২টা কবিতা নিয়েছিলেন বাংলা গীতাঞ্জলিথেকেবাকিগুলো নিয়েছিলেন গীতিমাল্য’, ‘নৈবেদ্যআর খেয়াবইগুলো থেকে
>ডলফিন নিয়ে তো অনেক কিছুই জানলেএকটা মজার বিষয় কি জানো, ডলফিন কখনোই পুরোপুরি ঘুমায় না? হ্যা, সত্যি সত্যিই ওরা কখনোই পুরোপুরি ঘুমায় নাসবারই কিন্তু মস্তিষ্কের দুটো অংশ আছেএগুলোকে ইংরেজিতে বলে হেমিস্ফেয়ারএকটা হলো ডান হেমিস্ফেয়ার বা ডানার্ধ, আরেকটা বাম হেমিস্ফেয়ার বা বামার্ধআর ওরা যখন ঘুমায়, তখন এই দুটোর একটা ঘুমায় তো আরেকটা জেগে থাকেফলে সবসময়ই ওরা একটু হলেও সচেতন থাকে
>ডলফিন কেনো লাঁফ দেয়, বলতে পারো? বিজ্ঞানীরাই যেখানে এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি, সেখানে তোমরা না পারলেও কোন দোষ নেই তাদের ধারণা, ডলফিনরা লাঁফ দিয়ে দেখে নেয়, পানির নিচে তাদের শিকাররা কি করছেঅনেকটা শিকারি পাখিদের মতোআবার অনেকে বলে এটা তাদের যোগাযোগের একটা উপায়আবার অনেক বিজ্ঞানী বলেন, ওসব কিছু নাওরা মজা করার জন্যই এরকম লাফালাফি করেওরা বাচ্চাদের মতোই খুব আমুদে কিনা!
এ তো জানোই যে, গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে তো ঘুরছেইকিন্তু সূর্যকে ঘিরে একবার ঘুরতে কোন গ্রহের সবচেয়ে বেশি সময় লাগে জানো? নেপচুনেরনেপচুন আবিষ্কৃত হয়েছিলো ১৮৪৬ সালেআর তারপর নেপচুনের সূর্যকে ঘিরে একবার ঘোরা শেষ হলো এ বছরেই, ২০১১ সালে!
>মঙ্গল গ্রহ দেখতে যেমন বড়ো, এর পাহাড়-পর্বতগুলোও তেমনই বিশালশুধু তাই না, এর খালগুলোও তেমনিই গভীরওখানকার যেটা সবচেয়ে বড়ো খাল, ওটা একেবারে আমেরিকার এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত বড়ো হবে! সৌরজগতের সবচেয়ে উঁচু আগ্নেয়গিরিও আছে ঔ মঙ্গলেই, নাম অলিম্পাস মন্স
>পৃথিবী থেকে সূর্যের দূরত্ব কতো জানো? প্রায় ৯ কোটি ৩০ লক্ষ মাইল! আর এই দূরত্ব পার হতে সূর্যের আলোর কতো সময় লাগে জানো? মাত্র ৮ মিনিট!
>ভস্তক-১এ করে পৃথিবী প্রদক্ষিণ করতে ইউরি গ্যাগারিনের সময় লেগেছিলো মোট ১০৮ মিনিটআর এ সময় ভস্তকের গতিবেগ ছিলো ঘণ্টায় ২৭,৪০০ কিলোমিটার!
>ভস্তক-১র ওজনও নেহাত কম ছিলো নাপ্রায় ৪ হাজার ৭০০ কেজি!
ভস্তক-১র ভেতরে দুটো অংশ ছিলো, একটি ইউরি গ্যাগারিনের থাকার জন্যআরেকটা গ্যাগারিনের প্রয়োজনীয় নানা জিনিস যেমন, অক্সিজেন, খাবার, এগুলো রাখার জন্য
>এটা তো নিশ্চয়ই খেয়াল করেছো যে, পৃথিবীর সব দেশের পতাকার আকৃতিই চতুর্ভুজতবে আরেকটু ভালো করে খেয়াল করলে দেখবে সব দেশের পতাকাই আয়তাকারযেমন, আমাদের দেশের পতাকার অনুপাত ৫:৩, মানে দৈর্ঘ্য ৫ সেন্টিমিটার হলে প্রস্থ হবে ৩ সেন্টিমিটারএর ব্যতিক্রম হলো সুইজারল্যান্ড আর ভ্যাটিকান সিটির পতাকাএই দুটো দেশের পতাকা পুরোই চারকোণা, মানো বর্গাকৃতিরদৈর্ঘ্য প্রস্থ দুটোই সমানআর শুধু একটি দেশের পতাকার আকৃতিই চতুর্ভুজ নয়বলো তো সেটা কোন দেশের? হ্যাঁ, সেটা আমাদের প্রতিবেশী দেশ নেপালের

>ফিলিপাইনের পতাকার না আবার একটা মজা আছেঅন্য সব দেশই যুদ্ধের সময়ের জন্য আলাদা একটা পতাকা ব্যবহার করেকিন্তু ফিলিপাইন সেটা করে নাওরা ওদের মূল পতাকাটাই যুদ্ধের পতাকা হিসেবে ব্যবহার করে, কেবল তখন নীল রঙের অংশটা চলে যায় নিচে, আর লাল রঙের অংশটা থাকে উপরেমানে পতাকাটা একটু উল্টে নেয় আরকি!
>যদি বলি, একটা দেশের পতাকায় অস্ত্র আঁকা আছে! এবার নিশ্চয়ই বাজি-ই ধরে বসবে, সে হতেই পারে নাবাজি ধরেছো তো হেরে গেছো! কারণ, এমন পতাকাও আছে দুনিয়াতেমোজাম্বিক আর গুয়েতেমালার পতাকায় অস্ত্রই আঁকা আছেআর মোজাম্বিকের পতাকায় তো অস্ত্রটা যে সে অস্ত্রও না, রীতিমতো একে ৪৭! আর গুয়েতেমালার পতাকায় আছে দুটো রেমিংটন রাইফেল
>আচ্ছা, দুইটা দেশের পতাকা কি একইরকম হওয়া সম্ভব? নিশ্চয়ই দুই দিকে মাথা জোরে জোরে নাড়তে নাড়তে বলবে, তাই কি হয় নাকি? ঐ তো ভুল করলেএমন দুই দেশের একই পতাকা কিন্তু আসলেও আছেবিশ্বাস হচ্ছে না? তবে আমি সে সব দেশের নাম বলে দিচ্ছিতুমি নিজেই মিলিয়ে দেখোইন্দোনেশিয়া আর মোনাকোর পতাকা দেখতে একইরকম, শুধু শাদা আর লাল রঙের অনুপাতটা একটু আলাদাআবার নেদারল্যান্ড- লুক্সেমবার্গের পতাকা আর চাদ- রোমানিয়ার পতাকা আলাদা করতে চাইলে নীল রঙটা গাঢ় না হালকা সেটা তোমাকে খুব ভালো করে খেয়াল করতে হবেএছাড়া ওদের পতাকায় আর কোনোই পার্থক্য নেইসুতরাং, এই ৩ জোড়া দেশের পতাকা যখন চোখে পড়বে, খুব সাবধান! জেনে শুনেও যেনো ভুল না হয়
>আমাদের দেশের পতাকার রং কি বলো তো? লাল আর সবুজ সবুজ জমিনের মাঝে গাঢ় লাল রঙের একটা বৃত্ত নিয়েই আমাদের জাতীয় পতাকাসব দেশের পতাকাতেই তো এরকম কয়েকটা রং আছেএকেকটা রঙ একেক অর্থ বোঝায়আর পতাকার ডিজাইনগুলোরও কিন্তু নানা অর্থ আছেবিভিন্ন দেশের পতাকার বিভিন্ন রকম ডিজাইন থাকেআঁকার সময় নানা বিষয় খেয়াল রাখতে হয়কোনো কোনোটা আবার আঁকাও বেশ কঠিনতবে একটা দেশের পতাকা আঁকা কিন্তু খুবই সোজাশুধু একটা আয়তক্ষেত্র এঁকে তাতে সবুজ রং করে দিলেই হয়! সত্যি সত্যি সেই পতাকাতে আর কিচ্ছুই নেই! জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, এমন অদ্ভূত পতাকাটা কোন দেশের? এই অদ্ভূত পতাকাটা হলো লিবিয়ার
>দক্ষিণ আফ্রিকা তো ক্রিকেটের এক শক্তিশালী দেশ, তাই না? কিন্তু বেচারারা বারবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হেরে যায় বলে ওদের নামই দেয়া হয়েছে চোকার্সদক্ষিণ আফ্রিকা কিন্তু ক্রিকেটের তৃতীয় টেস্ট খেলুড়ে দলকিন্তু হিসেব করলে দেখবে, ওরা অন্য অনেক দলের চেয়েই কম ম্যাচ খেলেছেকেন জানো? কারণ, ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত ওদের টেস্ট স্ট্যাটাস কেড়ে নেয়া হয়েছিলোওদের কেন নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো জানো? কারণ ওদের দেশে তো তখন সাদা চামড়ার মানুষের শাসনওরা কালো চামড়ার মানুষদের কোনো অধিকারই দিতো নাকিন্তু ওখানকার আসল অধিবাসী কিন্তু এই কালোরাই! তাই ওদের ক্রিকেট দলও কোনো কালো চামড়ার খেলোয়াড়কে দলে নিতো না, সে যতো ভালো খেলোয়াড়ই হোকআর অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড আর নিউজিল্যান্ড ছাড়া কোনো কালো চামড়ার দলের বিরুদ্ধেই ওরা খেলতো নাএবার নিশ্চয়ই বলবে, ওদের নিষিদ্ধ করে ঠিকই করেছিলোএই সব অত্যাচারের বিরুদ্ধেই তো লড়াই করে কালো চামড়ার লোকেদের অধিকার আদায় করেন নেলসন ম্যান্ডেলাএমন দলের খাতায় কিন্তু আরেকটা নামও আছেতোমরা অনেকেই হয়তো এই দলের গল্প জানোইআর এই দলটা একসময় তো পুরো ক্রিকেট বিশ্বেই রাজত্ব করতোহ্যা, এই দলের নাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোকে বলা হয় ক্যারিবিয়ান রাষ্ট্রএরকম ১০টা দেশ মিলে এই দলটা গঠিত হয়আমাদের লিগে যেমন অনেকগুলো ক্লাব খেলে, সেরকমভাবে ওদের লিগে খেলে ঐ ১০টা দেশদেশগুলোর নাম শুনবে? ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো, বার্বাডোস, জ্যামাইকা, গায়ানা, অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা, গ্র্যানাডা, ডোমিনিকা, সেন্ট লুসিয়া, সেন্ট কিটস এন্ড নেভিস আর সেন্ট ভিনসেন্ট এন্ড দ্যা গ্র্যানাডিয়ানসআচ্ছা, তোমাদের অনেকের মনেই হয়তো এখন প্রশ্ন জেগেছে, ১৯৮৯ সালের পর দলটার কী হলো? তাই তো, কী হলো দলটার? আসলে ততোদিনে কেনিয়া আলাদা একটা দল হিসেবেই আইসিসির সহযোগী সদস্য হয়ে গেছেআর বাকি ৩ সদস্যের সঙ্গে মালাওয়ি যোগ হয়ে ওরা গঠন করলো নতুন আরেকটা ক্রিকেট দলএই দলের নাম দেয়া হলো পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকাএই দল প্রথম মাঠে নামে ১৯৯০ সালের আইসিসি ট্রফিতেকিন্তু পরে প্রথমে উগান্ডা আর তারপর একে একে তানজানিয়া আর মালাওয়িও আইসিসির অস্থায়ী সদস্য হয়ে গেলে এই দলটিও ২০০৩ সালে ভেঙে দেওয়া হয়
>তোমরা যারা এবারের বিশেষ রচনা পড়েছো, তারা এরইমধ্যে জেনে গেছো যে প্রথম বিশ্বকাপে কোন কোন দল খেলেছিলোসেই বিশ্বকাপে কিন্তু একটা দল ছিলো, যাদের নাম ছিলো পূর্ব আফ্রিকামানচিত্রে একটু খুঁজে দেখো তো, দেশটা খুঁজে পাও কিনা! নেই, তাই না? সুতরাং, যারা ভাবছিলে দক্ষিণ আফ্রিকার মতো এটাও একটা দেশ, তারা কিন্তু ভুল  করেছোএটা আসলে কোনো দেশই নয়বরং ৪টা আলাদা আলাদা দেশের খেলোয়াড়দের নিয়ে এই ক্রিকেট দলটা গঠন করা হয়েছিলোদেশগুলো হলো, কেনিয়া, উগান্ডা, তানজানিয়া আর জাম্বিয়াএকবার চিন্তা করো, তানজানিয়া আর জাম্বিয়ার মতো ক্রিকেটের আসরে একেবারই অজ্ঞাত দেশের ক্রিকেটাররাও প্রথম বিশ্বকাপে খেলেছিলো, আর আমাদের দল কিনা প্রথম বিশ্বকাপ খেললো এই ১৯৯৯ সালে! ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত ছিলো এই দলটাপ্রথম বিশ্বকাপের পর ওরা সবগুলো আইসিসি ট্রফিতেও খেলেছিলোকিন্তু পরে আর কখনোই বিশ্বকাপে খেলতে পারেনি
>ব্যাটসম্যান রান নেয়ার জন্য দৌঁড়াচ্ছেফিল্ডার বল ধরে জোরে থ্রো করলোব্যাটসম্যান ঢুকলো কি ঢুকেনি, উইকেট কিপার থ্রো ধরেই দিলো উইকেট ভেঙ্গেসঙ্গে সঙ্গে আম্পায়ারের কাছে আবেদনআম্পায়ার করলেন কি, আকাশের দিকে আঙুল তুলে আউটও দেখালেন না, মাথা এদিক ওদিক নেড়ে এটাও বললেন না যে, আউট হয়নিআঙুল দিয়ে বাতাসে চারকোনা ঘরের মতো একটা বাক্স বানিয়ে কি বোঝালেন, কে জানে! আসলে এটার মানে হলো, টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে বলবেন, আউট হয়েছে, নাকি হয়নিএই টিভি আম্পায়ার প্রথম কাকে আউট দিয়েছিলেন জানো? কিংবদন্তী ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকারকে! আর সেই রানআউট কে করেছিলো জানো? কিংবদন্তী ফিল্ডার জন্টি রোডস!
>ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট ম্যাচের প্রথম ইনিংস খেলতে নামলেন ক্লেম হিলভালোই খেলছিলেন, সবাই ধরেই নিয়েছিলো, প্রথম ইনিংসেই তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে যাচ্ছেন তিনিকিন্তু অল্পের জন্য মিস হয়ে গেলো সেঞ্চুরিটাআউট হয়ে গেলেন ৯৯ রানে! পরের ইনিংসে তার ব্যাটিং দেখে সবাই মনে করলো, নাহ, প্রথম ইনিংসের আক্ষেপ সে দ্বিতীয় ইনিংসেই ঘুঁচিয়ে দেবেঅন্তত প্রথম টেস্টেরই দ্বিতীয় ইনিংসে প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে যাচ্ছেন হিলএবারও অল্পের জন্য ফসকে গেলো সেঞ্চুরিটাআউট হয়ে গেলেন ৯৮ রানে! পরের টেস্টের প্রথম ইনিংসেও যথারীতি হিলের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি ফসকালোহ্যাঁ, ঠিক ধরেছো, এবার তিনি আউট হলেন ৯৭ রানে!
>বল হাতে আগুন ঝরাচ্ছে ফাস্ট বোলাররাএকের পর এক বাউন্সার আসছেআর ব্যাটসম্যান কোনোমতে মাথা বাঁচাচ্ছেকারণ, ব্যাটসম্যানের মাথায় যে কোনো হেলমেটই নেইভাবছো, এ নিশ্চয়ই কোনো ভুলোমনা ব্যাটসম্যানের গল্প! না, আসলে আগে তো হেলমেটই ব্যবহার করা হতো নাপ্রথম হেলমেটের ব্যবহার শুরু হয় ১৯৭৮ সালেআর প্রথম হেলমেট পরে মাঠে নামেন যেই ব্যাটসম্যান, তাঁর নাম হলো গ্রাহাম ইয়ালোপ
>প্রজাপতি দেখতে তো আমাদের দারুণ ভালো লাগে তাই না? এই প্রজাপতির কিন্তু অনেকগুলো চোখআন্দাজ করো তো কতোগুলো হতে পারে! একটা প্রজাপতির ১২ হাজার চোখ থাকে বিশ্বাস হয়?
>আমরা তো সবাই গরুর দুধ খাইআর গরু বেশ আমাদের দুধ দিয়েও যায়একবার কি চিন্তা করেছো, একটা গরু তার সারা জীবনে কতো দুধ দেয়? বেশি না, একটা গরু তার সারা জীবনে গড়ে মোট ২ লক্ষ গ্লাস দুধ দেয় সত্যিই বিশাল ব্যাপার, তাই না?
>পোলার বিয়ার বা মেরু ভালুক দেখতে কিরকম? পুরো সাদা তাই না? মনে হয় বরফ দিয়েই ওরা তৈরিকিন্তু মজার বিষয় হলো ওদের চামড়ার রঙ কিন্তু কালোআর লোমগুলোও সাদা নয় মোটেইবরং ওগুলো একদম স্বচ্ছ
>পাখিরা কিন্তু রঙ দেখতে পারে এবং চেনেএটা তো সবাই জানে, তাই না? কিন্তু অজানা কথাটি হলো কোনো পাখিই নীল রঙ দেখতে পারে নাঅবশ্য একটা পাখি কিন্তু এই নীল রঙ দেখতে পারেএই পাখিটি আবার দিনে বের হয় নারাতেই তাদের আনাগোনাবলো তো কোন পাখি? হ্যাঁ, ঠিক বলেছো, প্যাঁচা পাখিদের মধ্যে একমাত্র প্যাঁচারাই নীল রঙটা দেখতে পারে
>অনেকেই হেভি মেটাল মিউজিক শুনতে ভালোবাসে, আবার অনেকেই ভালোবাসে নাকিন্তু মজার ব্যাপার হলো উইপোকারা হেভি মেটাল মিউজিক খুব পছন্দ করেমিউজিক শোনার সময় তারা দ্বিগুণ গতিতে কাঠ কাটতে পারে
>সবচেয়ে বেশি খায় কে, হাতি? একদিনে হয়তো তোমার চেয়ে অনেক বেশিই খায়কিন্তু তুমি সারাজীবনে কতটুকু খাবার খাও সেকি জানো? মোটামুটি প্রায় ৬০,০০০ পাউন্ড খাবার তোমার পেটে যায় সারজীবনে, যা ৬ টা হাতির ওজনের সমানহাতিকে আর পেটুক বলবে?
>MvRi †Zv †Zvgv‡`i A‡b‡KiB Lye wcÖq| Avi evMm evwb †Zv MvRi Qvov GK gyûZ©I _vK‡Z cv‡i bv| gRvi welq wK Rv‡bv? kx‡Z MvRi MvQ g‡i hvq| wKš‘ Ifv‡e †i‡L w`‡j kxZ †k‡l MvRi Zvi Rgv‡bv Lv`¨ †_‡K Avevi bZzb Mv‡Qi Rb¥ w`‡Z cv‡i|
>giæf~wg‡Z GK ai‡bi K¨vKUvm R‡b¥ †h¸‡jv‡K ejv nq e¨v‡ij K¨vKUvm| K¨vKUvm¸‡jvi we‡klZ¡ n‡jv G¸‡jv Zv‡`i Kv‡Ð cvwb Rgv K‡i ivL‡Z cv‡i| A‡bKUv D‡Ui Kuy‡Ri g‡Zv AviwK!
>ঘরের শোপিসের কোন কিছু ভেঙে গেলে তা জোড়া লাগাতে সুপার গ্লুর জুড়ি নেইশুধু ভাঙা জায়গায় লাগিয়ে বাতাসে রেখে দিলেই হলো, ব্যাস, জোড়া লেগে যায় সঙ্গে সঙ্গেইতবে মজার ব্যাপার হলো বাতাস নয়, বাতাসের আদ্রতাই সুপার-গ্লুকে তাড়াতাড়ি শুকিয়ে ফেলে
>পৃথিবীতে কতই না প্রাণীএতো বড় থেকে শুরু করে চোখে দেখা যায় না এমন প্রাণীও রয়েছেতবে আমাদের পৃথিবীতে ৯৫% প্রাণীই একটা মুরগীর ডিমের চেয়েও ছোট
>সাপ দেখলে ভয় লাগে না এমন মানুষ আছে নাকি? যেকোন সাপ দেখলেই তো ভয়ে আত্মারাম খাচাছাড়া হতে চায়আর যদি বিষধর কোনো সাপ হয় তাহলে তো কথাই নেইআর এমন একটা বিষয় যে পৃথিবীর সব জায়গাতেই সাপ রয়েছেতবে হ্যা যারা সাপ ভয় পাও তাদের জন্য একটা সুখবর আছে সাপের ভয় এড়াতে অ্যান্টার্কটিকায় যেতে পারোপৃথিবীতে অ্যান্টার্কটিকাই একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনো সাপ বা সরীসৃপ নেই!গোল্ডফিস দেখতে কেমন লাগে? এ্যাকুরিয়ামের মধ্যে সুন্দর সাঁতরে বেড়ায় যে সোনালী রঙের মাছটাকতো সুন্দর তার গায়ের রঙ, তাই না? কিন্তু মজার কথা কি জানো! যদি একটা গোল্ডফিস কে অন্ধকার ঘরে রেখে দেয়া হয় তবে এর রঙ কিন্তু সাদা হয়ে যাবে
>বিশ্বকাপে সবচে বেশি গোল করেছে ব্রাজিলতাদের গোল সংখ্যা ২০১আবার সবচেয়ে বেশি গোল খেয়েছে জার্মানি১১২টি গোল হজম করে তারা এই তালিকার শীর্ষে
>বিশ্বকাপ ফুটবল সবচে বেশিবার জিতেছে ব্রাজিল, ৫ বারকিন্তু মজার ব্যাপার হলো, ব্রাজিল কখনোই অলিম্পিক ফুটবল জিততে পারেনিআবার, অলিম্পিকের সবচে সফল দল হাঙ্গেরিকিন্তু বিশ্বকাপে তাদের ঝুলিটি একবারেই শুন্য
>বিশ্বকাপ ফুটবলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ব্রাজিলের রোনাল্ডোতিনি  গোল করেছেন ১৫টিরোনাল্ডোর আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন জার্মানির গার্ড ম্যুলারতার গোল সংখ্যা ১৪
>রাতের বেলায় একটি জিনিস না হলে আমাদের একদমই চলে নাসেই জিনিসটি হচ্ছে- বৈদ্যুতিক বাতিএই বাতি আবিস্কার করেছিলেন বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনআর আজ এরই বদৌলতে আমরা রাতের বেলাতেও অন্ধকার দেখি নাকিন্তু মজার ব্যাপার কি জানো, এডিসন নিজেই অন্ধকার কে প্রচন্ড ভয় পেতেনভাগ্যিস তিনি অন্ধকার ভয় পেতেনতা না হলে হয়তো বৈদ্যুতিক বাতি আবিস্কারই হতো না
>রাতের বেলায় বেজায় কিচ কিচ শব্দ করে ছুটে চলে ছুঁচোদেখতে ইঁদুরের মতোইকিন্তু এরা রাতে ছাড়া বেরই হয় না যেনো সব কাজ তাদের রাতের বেলাতেইএই ছুঁচো কিন্তু আবার মহা করিকর্মা প্রাণীএক রাতেই এরা প্রায় ৩০০ ফুট লম্বা সুড়ঙ্গ খুঁড়তে পারেবিরাট ব্যাপার, তাই না!
>পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি লাইব্রেরী থেকেই বই চুরি হয়কখনও কোনো গল্পের বই কখনও বা কোনো গবেষণার বইকিন্তু তোমরা কি জানো পৃথিবীতে সবচে বেশিবার চুরি হওয়া বই হিসেবে কোন বইটি রেকর্ড করেছে? ‘গিনেজ বুক অফ রেকর্ডসএর নাম তো আমরা সবাই জানিএ বইটিই কিন্তু লাইব্রেরি থেকে সবচে বেশিবার চুরি হওয়া বই হিসেবে রেকর্ড করেছে
>উটপাখি তো সবাই চেনোঐ যে যে পাখি উড়তে পারে না তবে দারুণ জোরে ছুটতে পারেসেই উটপাখির মগজ কিন্তু খুবই ছোটএদের মগজ তাদের চোখের চেয়েও ছোটভাবা যায়!

>আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধ মোট সাতটি মিনার নিয়ে গঠিতএর মধ্যে মাঝের মিনারটির উচ্চতা হলো ১৫০ ফুটসর্বমোট ১০৮ একর জায়গা নিয়ে এই স্মৃতিসৌধ গড়ে উঠেছেস্মৃতিসৌধে অবস্থিত সাতটি মিনার বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের সাতটি পর্যায় বুঝিয়ে থাকেএই সাতটি পর্যায় হচ্ছে ১৯৫২ -র ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ এর ধারাবাহিক স্বাধীকারের সংগ্রাম, ১৯৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান সবশেষে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধ
>আমাদের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মঈনুল হোসেনস্বাধীনতার পরে সরকারীভাবে স্মৃতিসৌধটি নির্মাণের চিন্তা করা হয়এর নকশার জন্য দেশব্যাপী এক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিলোসর্বমোট ৫৭ টি নকশা থেকে সৈয়দ মঈনুল হোসেনের নকশাটি চুড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছিলো
>জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি মিনার আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি পর্যায়কে বুঝিয়ে থাকেএই সাত সংখ্যাটি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়ে থাকেএই সালটির দুটি সংখ্যার যোগফল ৫+২= ৭আবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের ০৭ তারিখেইআমাদের বিজয়দিবস হচ্ছে- ১৬ ডিসেম্বরএই তারিখের দুটি সংখ্যার যোগফলও কিন্তু ১+৬= ৭পৃথিবীতে সকল স্তন্যপায়ী প্রাণীদের বাচ্চারাই লাফালাফি করে থাকেকিন্তু ব্যতিক্রম শুধু হাতিদের বেলাতেকারণ হচ্ছে, শুধু হাতিরাই লাফাতে পারে নাবেচারা হাতি! ওরা কোনদিন বুঝতেও পারবে না লাফঝাঁপ দেয়ার কি মজা
>গন্ডারের শিং তো আমরা সবাই দেখেছিঐ যে যেটা দিয়ে গুঁতোতে আসে! জানো তো এই শিং কি দিয়ে তৈরি? এটা কিন্তু চুল দিয়ে তৈরী খুব ঘন আর পাশাপাশি থাকা চুলগুলো একত্রিত হয়েই এই শিংটি তৈরি হয়মজার তাই না!
>পৃথিবীর সবচে ছোট পাখিটির নাম কি জানো? সবাই জানে এর উত্তরহ্যাঁ, হামিং বার্ডসবচে ছোট পাখির ওজন যে সবচে কম হবে এটাইতো স্বাভাবিকতাই বলে কতো কম হতে পারে আন্দাজ করো তো!  বিশ্বাস করো আর নাই করো, একটি হামিং বার্ডের ওজন এক টাকার একটি কয়েনের চেয়েও কম
>জলহস্তী দেখেছো তো সবাই তাই না? কি পরিমাণ বড় হা করে সেটা দেখেছো? আন্দাজ করো তো ওদের হা কতো বড়ো হতে পারে! এদের হা এতো বড় হয় যে সেখানে ৪ ফুট লম্বা কোন মানুষ দিব্যি শুয়ে বসে থাকতে পারবে
>জেলী ফিশ দেখেছো তো তোমরা, তাই না? তোমরা কি জানো যে জেলি ফিশের শরীর শুধু পানি দিয়েই তৈরিবিশ্বাস হচ্ছে নাতো? সত্যি সত্যি কিন্তু জেলি ফিশের শরীরের ৯৫ ভাগই পানিএখন তোমরাই ঠিক করো যে একে আর জেলি ফিশ বলবে নাকি পানি মাছ বলবে!আমরা আমাদের কান কি দিয়ে পরিস্কার করি? কটন বাড দিয়ে, তাই তো? কিন্তু জিরাফ কিন্তু এর কোনো কিছুরই ধার ধারে না!  সে তার কান পরিস্কার করে নিজের জিভ দিয়েকারণ কি জানো? জিরাফের আছে লম্বা একটা জিভজিরাফের জিভ প্রায় ২১ ইঞ্চি লম্বাআর তাই কষ্ট করে ওকে আর কোন কিছুরই ধার ধারতে হয় নাবিদেশে প্রথম শহীদ মিনারঃ জাপানের রাজধানী টোকিওর ইকেবুকুরো পার্কে ২০০৬ সালের ১৬ এপ্রিল উদ্বোধন হয়আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারিগানটি ইতিমধ্যে সুইডিশ ও জাপানিজ ভাষায় অনূদিত হয়েছেসর্বোচ্চ শহীদ মিনারঃ বাংলাদেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিতউচ্চতা ৭১ ফুট, ব্যাস ৫২ ফুটকেন্দ্রীয় শহীদ মিনারঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত
বর্তমান শহীদ মিনারের স্থপতিঃ হামিদুর রহমাননির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিলো ১৯৫৬ সালে
>পৃথিবীতে একটি প্রাণীর নাম বলো তো, যার কোনো মগজ বা মস্তিস্ক অর্থা ব্রেইন নেই? ভাবছো যাহ, মগজ ছাড়া প্রাণী তা আবার হয় নাকি? আরে সত্যিই তাই! স্টার ফিশ নামের একধরনের সামুদ্রিক মাছের নাকি কোনো মগজই নেইমগজের বদলে এক ধরনের স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমেই তারা তাদের যাবতীয় কাজ করে থাকেপ্রশ্ন করতেই পারো যে তাদেরকে কেনোই বা মাছ বলা হয়? তাহলে শোনো, তারা আসলে মাছ নয়পানির নিচে থাকে বলেই তাদেরকে তারা মাছ বা স্টার ফিস বলে ডাকা হয়
>ক্যানাডা একটি দেশের নাম সেটা কে না জানেকিন্তু তোমাকে যদি জিজ্ঞেস করি বলো তো ক্যানাডা মানে কি? তাহলে তুমি নিশ্চয় আমাকে পাগল ভাববে তাইনা? মজার ব্যাপার কি জানো? ক্যানাডা একটি ভারতীয় শব্দএর মানে হলো বড় গ্রামতাহলে! কী দাঁড়াচ্ছে? ক্যানাডা একটি বড় গ্রাম, তাই তো!
>আমরা যেমন খাবার মুখে দিয়ে জিহ্বা দিয়ে নেড়ে চেড়ে, দাঁত দিয়ে চিবিয়ে খাই; কুমিররা কিন্তু তা করেনাখাবার সময় ওরা জিহ্বা তো নাড়াতে পারেই না এমনকি খাবারও চিবুতে পারেনাতাহলে ওরা খায় কিভাবে? খাবার হজম করার জন্য একধরণের জারক রস ওদের মুখে জমা হয়এই জারক রসের কারণেই খাবার নরম হয়ে হজম হয়ে যায়এই রসের এতোই ক্ষমতা যে, স্টিল পর্যন্ত এটা হজম করে ফেলে!
>মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগামী সাঁতারু ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৬ মাইল পর্যন্ত সাঁতরাতে পারেআর স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগামী সাঁতারু হলো- ডলফিনওরা ঘন্টায় কতো মাইল পর্যন্ত সাঁতরে যেতে পারে জানো? ৩৫ মাইল!ক্যাঙ্গারুদের সামনের পা, পেছনের পা থেকে কিছুটা ছোট হয়অন্যভাবে বললে, পেছনের পা বেশ বড়ো হয়শুধু বড়োই নয়, শক্তিশালীও হয় ভীষণএই পায়ের ওপর ভর দিয়েই ক্যাঙ্গারুরা একেকবারে তিন থেকে পাঁচ মিটার পর্যন্ত লাফিয়ে পেরুতে পারে! আর যখন শিকারীরা তাড়া করে, তখন এই লাফের দৈর্ঘ্য কতো হয় জানো? সাত থেকে নয় মিটার! আর ওদের যে মোটাসোটা লেজটা আছে, সেই লেজের উপর ভর দিয়ে জাঁকিয়ে বসাটা ওদের দারুণ পছন্দতাছাড়া, লাফ দেওয়ার সময় এই লেজ ওদের ভারসাম্যও রক্ষা করে থাকেহীরা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পদার্থআবার সবচেয়ে শক্ত পদার্থও কিন্তু হীরাঅন্য কোনো পদার্থ দিয়ে নয়, হীরাকে কাটতে পারে একমাত্র হীরাইহীরা পাওয়া যায় খনি থেকেআর বিদ্যুত কুপরিবাহী হলেও হীরা তাপ সুপরিবাহীএর তাপ পরিবাহিতা তামার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশিপানির অপর নাম জীবন বলার কারণ হলো, খাবার ছাড়া আমরা প্রায় ১ মাস পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারি কিন্তু পানি ছাড়া? পানি ছাড়া টেনেটুনে বড়জোর ১ সপ্তাহ বেঁচে থাকা সম্ভব আমাদের শরীর থেকে যদি ১% পানি বেরিয়ে যায়, তাহলেই আমরা পানির তৃষ্ণা অনুভব করি, আর শরীর থেকে যদি ১০% পানি বেরিয়ে যায়, তাহলে আমরা কিন্তু অবস্থা বিশেষে মারাও যেতে পারিকাজেই, বেশি করে পানি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে কেমন! আর এই পানি কিন্তু অযথা নষ্ট করাও চলবে না
>সবাই মনে করে উট-ই বুঝি সবচেয়ে বেশিদিন পানি পান না করে থাকতে পারেকিন্তু অদ্ভুত তথ্য হলো, একটা ইঁদুর, উটের চেয়েও বেশিদিন পানি পান না করে বেঁচে থাকতে পারে
>কাঠবিড়ালীরা পিছু হটতে পারেনামানে পেছন দিকে যেতে চাইলেও পুরো উল্টা ঘুরে তারপর ওদেরকে পিছন দিকে যেতে হয়মুরগীর ডান পা থেকে বাম পা বেশি নরমতাই রান্না করার সময় বাম পা সিদ্ধ হয় তাড়াতাড়িপাশের দেশ ভারতে এক জরিপে করে দেখা গেছে, সেখানে মোট বানরের সংখ্যা পাঁচ কোটিরও বেশিএটা জানো! গরু সহজেই সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে পারে, কিন্তু নামার বেলায় কোনভাবেই নামতে পারে নাআগুন বা আলো দেখলেই মথ কেনো ঝাঁপিয়ে পড়ে, বল তো? ওরা কিন্তু আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয় না, আলোর পেছনের অন্ধকারই ওদেরকে টানে বেশি
>একজন মানুষ কোন খাবার না খেয়ে বাঁচতে পারে এক মাস, কিন্তু পানি পান না করলে এক সপ্তাহের বেশি বাঁচতে পারে না
>চা আবিষ্কার হয় চীনে, আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগেফুটন্ত পানিতে ভুলে কিছু চা পাতা পড়ে গিয়ে এই পানীয় তৈরি হয়ে যায়নিউ ইয়র্কে ১৯০৯ সালে টমাস স্যুলিভান প্রথম টি-ব্যাগের প্রচলন করেন
>চা আবিষ্কার হয় আজ থেকে প্রায় ৩ হাজার বছর আগে চীনেফুটন্ত পানিতে ভুলে কিছু চা পাতা পড়ে গিয়ে এই পানীয় তৈরি হয়ে যায়
>মশা কামড় দেয় না, হুল ফোঁটায়, এটা তো সবাই জানোতাই বলে মশার যে দাঁত নেই, তা কিন্তু নয়মশার সর্বমোট ৪৭টি দাঁত আছেমানুষের মতো একেক দেশের গরুও কিন্তু একেক ভাষায় ডাকে!যখন তুমি হাঁচি দাও, তখন তোমার মস্তিষ্কের কিছু কোষ মারা যায়কিন্তু, হাঁচি আসলে কী করবো?উড়ার সময় বাদুড় সবসময় বামদিকে মোড় নেয়, কখনো ডানদিকে যায় নাডলফিনরা ঘূমানোর সময় এক চোখ খোলা রেখে ঘুমায়তোমার শরীরে হাড্ডির সংখ্যা ২০৬ টিতবে জন্মের সময় তোমার হাড্ডির সংখ্যা ছিল ৩০০টিকেউ যদি জন্মাবার সময় গুনতে পারে, তাহলে চেষ্টা করে দেখ
>মাথা কাটা পড়লেও তেলাপোকা বেঁচে থাকে কয়েক সপ্তাহ! ঐ কয়দিন কিভাবে সে খানাপিনা করে কে জানে?
>ওক গাছ প্রায় ২০০ বছর বেঁচে থাকতে পারেআর ৫০ বছর বয়স না হলে এই গাছে কোন ফল ধরে নাঅনেকেই জানে না লিপস্টিকে মাছের আঁশ থাকেআমেরিকার দি নিউ ইয়র্ক টাইমসসংবাদপত্রের রবিবারের সংখ্যাটি ছাপতে যে পরিমাণ কাগজ প্রয়োজন তার জন্য ৬৩ হাজার গাছ কাটতে হয়সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে মাত্র ৪৯২ সেকেন্ডমানুষের মাথার চুল মৃত্যু অবধি বাড়তে থাকেএভাবে মানুষের চুল প্রায় ৫৯০ মাইল লম্বা হতে পারে
>শামুক একটানা তিন বছর ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিতে পারে
>সিংহের গর্জন পাঁচ মাইল দূর থেকেও স্পষ্ট শোনা যায়
>কুমিরের দাঁত পড়ে গেলেও কোন সমস্যা নেইএকটা দাঁত পড়ে গেলেই কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে নতুন আরেকটা দাঁত গজায়এমনকি বুড়ো বয়সেও
>প্রত্যেক মানুষের হাতের ছাপের মতো জিহ্বার ছাপও পুরোপুরি আলাদাকারোটার সাথে কারোটার কোন মিল নেই
>বিগত চার হাজার বছর মানুষ নতুন কোন প্রাণীকে পোষ মানাতে পারেনিবিশ্বাস করো আর নাই করো, পৃথিবীতে মানুষের বেশি ব্যবহৃত নাম মোহাম্মদতোমার বয়স যখন ৭০ বছর হবে ততোদিনে তোমার ১২ হাজার গ্যালন পানি পান করা হয়ে যাবেমানুষ তার সারাজীবনে যে খাদ্য খায় তার পরিমাণ কতো জানো? ৬০ হাজার পাউন্ডতার মানে ৬টি জলজ্যান্ত হাতির সমান!পৃথিবীর প্রত্যেক মানুষের যদি প্রতিদিন গোসলের অভ্যাস থাকতো, তাহলে পৃথিবীর পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ পানির বেশিরভাগই একদিনেই নোংরা হয়ে যেতোবাঁচা গেছে!প্রতিবছর তুমি কতবার চোখের পলক ফেলো তার হিসেব রাখো! এক কোটি বার!