রবিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১১

কিছু কৌতুক পড়ি মনটাকে হাসিখুশি রাখি

>আপনারা জানেন জেমস বন্ড তার নিজেস্ব স্টাইলে হিরো।
কেউ যখন তাকে তার নাম জিজ্ঞাসা করে, তখন সে তার নিজেস্ব স্টাইলেই বলে, “বন্ড, জেমস বন্ড


গত বছর যখন সে বাংলাদেশে এসে উঠেছিল সোনারগা হোটেলে। হোটেল ম্যানেজার মি. পাশা এর সাথে তার কথা হচ্ছে...
মি. পাশা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন: হ্যালো, আপনার নাম?

জেমস বন্ড জবাব দিল:
বন্ড, জেমস বন্ড.

তারপর জেমস বন্ড তাকে জিজ্ঞাসা করল:
আপনার নাম?

মি. পাশা বললেন:
পাশা,
চৌধুরী পাশা,

রহমান চৌধুরী পাশা,

সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা,

ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা,

খান ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা,

রহমান খান ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা,

ফজলুর রহমান খান ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা

মোহাম্মদ ফজলুর রহমান খান ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা

কালাম মোহাম্মদ ফজলুর রহমান খান ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা,

আবুল কালাম মোহাম্মদ ফজলুর রহমান খান ইবনে সাইদুর রহমান চৌধুরী পাশা....

সেই দিন থেকে, কেউ যদি তার নাম জিজ্ঞেস করে, সে শুধু বলে, জেমস বন্ড.
 
>একটা লোক পাবলিক টয়লেটে বসে ছিল। হঠা করে পাশের টয়লেট থেকে শব্দ আসলো,
মিয়া ভাই কেমন আসেন?”
লোকটি অবাক হয়ে বলল,” হ্যা আমি ভাল আছি।
আবার শব্দ আসলো, “কি করছেন ভাই?”
সে চিন্তিত হয়ে উত্তর দিল,”এইতো ভাই কমোড বসে আছি।
... ...
পাশের টয়লেট থেকে আবার বলল,”আমি কি আসতে পারি?”
লোকটি ঘাবড়ে গেল এবং বলল,”না না না প্লিজ, আমি ব্যস্ত আছি
আবার কন্ঠ শোনা গেল, “আচ্ছাভাই আমি আপনাকে মিনিট পরেআবার ফোন দিচ্ছি, কোন গাধার-বাচ্চা জানি আবার সবকথার উত্তর দিয়া আমার লগেফাইজলামি করতাসে।
 
>একজন সাত মাসের গর্ভবতী মহিলাকে তার চার বছরের ছেলে (শোভন) জিজ্ঞেস করছে,
''
মা তোমার পেটে কি হয়েছে?'' মা বলল, ''বাবা, এখানে তোমার একটা ছোট্ট ভাইয়া আছে '' :)
শোভন বলল, ''আমার এই ছোট্ট ভাইয়া টাকেও কি তুমি অনেক ভালবাস?''
মা বলল, হা অনেক ভালবাসি . .শোভন বলল,

>
তাহলে তুমি ওকে খেয়ে ফেলছ কেন. ?

ক্রমাগত লস খাওয়ার পর এক বাংলাদেশী পোল্ট্রি ব্যবসায়ী একবার ক্ষেপে গিয়ে তার সকল মুরগীদের বললেন,

আগামীকাল থেকে যদি প্রতিদিন ২টা করে ডিম না দিস তাইলে ধরে জবাই করে খেয়ে ফেলব!!”

এরপর থেকে প্রত্যেকটা মুরগীই প্রতিদিন ২টা করে ডিম দিতে লাগলো!!
... ...
শুধু একটা বাদে!!
ঐটা প্রতিদিন একটা করেই ডিম পারতে লাগলো!!

ব্যবসায়ী ক্ষেপে গিয়ে বললেন, “কিরে!! তোর তো সাহস কম না!! এতো বড় হুমকি দিলাম, এরপরও একটা করে ডিম পারতেসিস!!”

তিনি উত্তর পেলেন,

জনাব!! আপনার ভয়ে তাও তো বহু কষ্টে একটা করে ডিম পারতেসি!! আমি আসলে যে মোরগ!!”!!!! 

 

>কুয়োর পানি

ছেলে লন্ডনে থাকেন|
অনেক দিনের শখ গ্রামের বুড়ো বাবা মাকে লন্ডন দেখানোর। অবশেষে ভিসা ম্যানেজ করে বাবা মার জন্য টিকেট পাঠালেন বাংলাদেশে।
নির্ধারিত দিনে তারা এয়ারপোর্ট থেকে বিমানে উঠলেন লন্ডনের উদ্দেশ্যে। বিমান তখন মধ্য আকাশে বুড়োর আবার ডায়াবেটিকের সমস্যা আছে কিছুক্ষন পর পর পানির তেষ্টা পায়। অনেকক্ষন চেপে রাখলেও অবশেষে বুড়ি কে বল্লেন পানি খাব পানি দাও….
...
বুড়ি এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখ...েন অনেক সুন্দ সুন্দর মেয়েরা ঘুরা ফিরা করছে বিমানে কিন্তু ওদের কোন অনুরোধ করতে সাহস হলো না। শেষে নিজেই পানির খোজে গেলেন আর বিমানের টয়লেটে পানির খোঁজ পেলেন , সেখান থেকে পানি এনে বুড়োকে খাওয়ালেন।
কিছুক্ষন পর বুড়োর আবারও তেষ্টা পেল বুড়ি আবার আগের জায়গা থেকে পানি এনে বুড়োকে খাওয়ালেন।
এভাবে তিন চার বার পানি খাওয়ানোর পর শেষ বার বুড়ি খালি হাতে ফেরত এলো।

বুড়ো জিজ্ঞেস করল কি ব্যাপার পানি কই ?

বুড়ি উত্তর দিল : এতক্ষন যেই কুয়া থেকে পানি আন ছিলাম, এখন সেই কুয়ার উপর একটা ল্যাংটা বেটা বসে আছে

>বিয়ের তিন মাস পর দম্পতির সন্তান হলো.
স্বামী তো বিশাল ক্ষেপা চিন্তিত.
তো বউ তারে বলতেসে.
-
এই শুনো তোমার বিয়ের বয়স কত?
স্বামী- তিন মাস
... ... -
আমার বিয়ের বয়স কত?
...
স্বামী-তিন মাস.
-
বাচ্চা বিয়ের কতদিন পর হইসে?
স্বামী- তিন মাস.
-
তো বল total কয় মাস হইলো???
স্বামী- আরে তাই তো total তো নয় মাস হয়.
আমি এতক্ষণ হুদাই তোমার চরিত্র
নিয়ে চিন্তা করতেসিলাম...:p
...................................................................................
ভক্তঃ সাধু বাবা, আমার বউ অনেক বিরক্ত করে...উদ্ধারের উপায় বলুন...
সাধুঃ আরে আহাম্মক উপায় থাকলে কি আর আমি গাছের নিছে বসে থাকি...?

>ডাক্টরঃ আপনার ওজন দু-কিলো কমে গেছে কেন ?
মহিলাঃ ..আজ মেক আপ করিনি তো তাই

>এক যুবক বাড়ি ভাড়া খুঁজছে।
বাড়িওয়ালাঃ কাকে চাই?
বাড়ি ভাড়া হবে?
আপনি কি বিবাহিত?
না।
... ... –
তাহলে যান। ব্যাচেলরদের কাছে আমি বাড়ি ভাড়া দেই না।
মালিক মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিলেন। যুবক আবার দরজায় নক করল।
আবার কী চাই?
শুনুন,
.
.
.
.
.
.
ব্যাচেলররা যদি এতই খারাপ হয় তাহলে ব্যাচেলরদের কাছে মেয়ে বিয়ে দিতে চান কেন?! 

>এক বাড়িওয়ালা মফিজকে ফোন করে বলছেন- তাঁর বাসার কলিংবেলটা নষ্ট, মফিজ যেন জরুরি ভিত্তিতে এসে সেটা ঠিক করে দেন। একদিন যায়, দুদিন যায়। পুরো চারদিন পেরিয়ে যাওয়ার পরও মফিজের কোনো নামগন্ধ না পেয়ে বাড়িওয়ালা এবার রেগেমেগে মফিজকে আবার ফোন করলেন।
বাড়িওয়ালাঃ আপনাকে না চারদিন আগে বলেছি, বাসার কলিংবেলটা নষ্ট। আপনার তো দেখাই পাচ্ছি না।
মফিজঃ কী যে বলেন। আমি গিয়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু অনেকক্ষণ বাসার বেল চেপে কারও কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে শেষে ফিরে এসেছি।

>ডাক্তারের চেম্বারের সামনেদাঁড়িয়ে আছে এক তরুণ। কাছ দিয়েই যাচ্ছিল তরুণের এক বন্ধু। কথা হচ্ছে উভয়ের মধ্যে-
১ম জনঃ কি ব্যাপার, তুই এখানে দাঁড়িয়ে কি করছিস?
২য় জনঃ মেয়েদের দেখছি!
১ম জনঃ মানে?
২য় জনঃ দেখ, ডাক্তারের চেম্বারের দরজায় ঝুলানো আছে।
১ম জনঃমেয়েদের দেখার জন্যবিকাল ৪টা থেকে ৬টা।তাতে কী হয়েছে?
২য় জনঃ তাই তো দাঁড়িয়ে নির্দেশ পালন করছি

>শিক্ষক: ওয়াদা করো সিগারেট পান করবে না
ছাত্ররা: ওকে স্যার পান করবো না।

শিক্ষক: মেয়েদের পিছে ঘুরবেনা
ছাত্ররা: ঘুরবো না।
... ...
শিক্ষক: ওদের ডিস্টার্ব করবে না।
ছাত্ররা: ওকে, ডিস্টার্ব করবো না

শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন কোরবান করবে।
ছাত্ররা: অবশ্যই স্যার, এই রকম জীবন রেখেই বা কি করবো, এর চেয়ে কুরবানি দিয়ে দেয়াই ভালো।
 
>এক পিচ্চি পাড়ার রড-সিমেন্টের দোকানে এসে বলল, আপনার দোকানে কাঁঠাল পাওয়া যায়?
দোকানি: না।
পরদিন ছেলে আবার জিজ্ঞেস করল, আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়?
দোকানি বিরক্ত হয়ে বলল, না!
তার পরদিন ছেলেটা আবার: আচ্ছা আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়?
... ...
এবার দোকানি গেল খেপে: ফাজলামি করিস, না? খবরদারআবার যদি এই প্রশ্ন করিস, তাহলে তোর মুখ সেলাই করে দেব!
ছেলেটা পরদিন ঠিকই হাজির। বলল, আপনার দোকানে সুঁই আছে?
দোকানি: না।
ছেলে: সুতো?
দোকানি: না।
ছেলেটা: আচ্ছা, আপনার দোকানে কি কাঁঠাল পাওয়া যায়?

>বাচ্চারা শিক্ষা সফরে গেছে থানায়। বুলেটিন বোর্ডেওয়ান্টেড’’ ক্রিমিনালদের এক গাদা ছবি ঝুলছে দেখে একটি ছোট মেয়ে পুলিশ অফিসারকে জিজ্ঞেস করল, তোমরা কি আসলেই ওদেরকে ধরতে চাও?
নিশ্চয়ই! পুলিশ অফিসার জানাল
ছোট মেয়েটি আশ্চর্য হয়ে আবার জিজ্ঞেস করল, তাহলে ছবি তোলার সময়ই ওদের রেখে দিলে না কেন?

>মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামাল ট্রাফিক পুলিশ, বলল, আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি?
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বলল, আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে। তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন।

>Girl and Boy in a restaurant.
Boy: I love U.
Girl: I don't.
Boy: Think again.
Girl: No, I don't love U.
...Boy: Waiter, make separate bill.
Girl: No...No...I love U so much.

>নরকে বসে এক লোক শয়তানকে বলছে, আমি কি আমার স্ত্রীকে একটা কল করতে পারি? তোমার মোবাইলটা দিবে?
শয়তান মেবাইল দিলো, এবং লোকটা কয়েক মিনিট কথা বলে শয়তানকে মোবাইলটা ফিরিয়ে দিলো
এরপর লোকটা বললো, তোমাকে ফোন কল বাবদ কত টাকা দিতে হবে?
তখন শয়তানের জবাবঃ লাগবে না। নরক থেকে নরক কলরেট টোটালি ফ্রি।

>শামসুঃ কই আমার গিফট টা কই ?
দোকানদারঃ কিসের গিফট ?
শামসুঃ ক্যান কালকে যে মিনারেল ওয়াটার কিনলাম। তার লগে যে ফ্রী গিফট আছিল।সেইটা কই ?
দোকানদারঃ আরে না মিনারেল ওয়াটারের লগে কুনো ফ্রী গিফট আছিল না
শামসুঃ আমারে টিউবলাইট পাইছো মিনারেল ওয়াটারের বোতলের গায়ে পরিস্কার বাংলায় লিখা আছে ১০০% ব্যাক্টেরিয়া ফ্রী

>ছেলেঃ (চিৎকার করে) হে আল্লাহ, এবারের জন্মদিনে আমাকে একটা ফুটবল উপহার দিও
মাঃ এভাবে চিৎকার করে কথা বলো না, আল্লাহ কালা না
ছেলেঃ কিন্তু বাবা যে কালা
Previous Post
Next Post
Related Posts