বৃহস্পতিবার, ৪ আগস্ট, ২০১১

শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীর বিবাহের সত্যি গল্প


শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীর বিবাহের সত্যি গল্প

  • প্যারিসের এক চার্চে একটি বিবাহ অনুষ্ঠনের আয়োজন চলছে কন্যাপক্ষের সকলে কনেকে নিয়ে আগেই উপস্তিত হয়েছে
  • পাত্র পক্ষের অনেকেই উপস্থিত শুধু বর এখনো এসে পৌঁছায়নি
    সকলেই
    অধীর ৎকন্ঠায় অপেক্ষা করছে কখন বর আসবে
  • কিন্তু বরের দেখানেই চার্চের পাদ্রীও অধৈর্য হয়ে উঠে কনের পিতা পাত্রের ত্রক বন্ধুকে ডেকে বললেন, কি ব্যাপার, এখনো তো তোমার বন্ধু এল না ? পথে কোন বিপদ হল না তো ? বন্ধু তাড়াতাড়ী বেরিয়ে পড়ল দু-চার জায়গায় খোঁজ করল কিন্তু কোথাও বরের দেখা নাই
  • হঠা মনে হল একবার ল্যাবরেটরিতে গিয়ে খোঁজ করলে হত
  • যা কাজপাগল মানুষ, বিয়ের কথা হয়ত একেবারেই ভুলে গিয়েছে ল্যাবরিটরিতে গিয়ে হাজির হল বন্ধু
  • যা অনুমান করেছিল তাই সত্যি
  • টেবিলের সামনে মাথা নিচু করে আপন মনে কাজ করে চলেছে "বর"
  • চারপাশে কোন কিছুর প্রতি তাঁর দৃষ্টি নেই এমনকি বন্ধুর জোর পায়ের শব্দেও তাঁর তন্ময়তা ভাঙ্গে না
  • আর সহ্য করতে পারে না বন্ধু, রগেতে চেঁচিয়ে উঠে, "আজ তোর বিয়ে, সবাই চার্চে অপাক্ষা করছে আর তুই এখানে কাজ করছিস !
  • মানুষটা বন্ধুর দিকে মুখ তুলে তাকিয়ে আস্তে আস্তে বলল, বিয়ের কথা আমার মনে আছে কিন্তু কাজটা শেষ না করে কি করে বিয়ের আসরে যাই
  • বিজ্ঞানের গবেষণায় ৎসগীকৃত মানুষটির নাম লুই পাস্তুর

পাস্তুরাইজেসনের ইতিহাস

কোন তরল পদার্থের কারখানায় গড়ে উঠেছিল থেকে সরকারের সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আদায় হত কিন্তু বেশি দিন রাখা যেত না এতে শুধু কারখানা মলিকনয়, সরকরেরও ক্ষতি হচ্ছিল কারণ অনুসন্ধারের ভার দেয়াহয় লুই পাস্তুর উপর
একদিন
তিনি একটি করখানায় গেলেন সেখানে বড় বড় চৌবাচ্চায় তরল পদার্থ ঠালা হল একদিকে থাকত ভাল অন্যদিকে খারাপ তরল পদার্থ দুই তরল পদাথৈ নমুনা এনে পরীক্ষা করলেন পাস্তুর দীর্ঘ পরীক্ষা পর লক্ষ করলেন, ভাল তরল পদার্থের মধ্যে অতি ক্ষুদ্র গোল এক ধরনের ক্ষুদ্র পদার্থ রয়েছে এবং খারাপ তরল পদার্থের মধ্যে লম্বা ধরনের ক্ষুদ্র পদার্থ রয়েছে পাস্তুর সিদ্ধান্তে এলেন কোন পারিপার্শ্বিক প্রভাবে গোলাকৃতি পদার্থটি লম্বা আকার ধারণ করছে আর তারই ফলে গ্যঁজ সৃষ্টি হয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে শুরু-হলো তাঁর গবেশনা দীর্ঘ দশ বছর সাধনার পর তিনি সিদ্ধান্তে এলেন বাতাসের মধ্যে রয়েছে অদৃশ্য জীবাণুর দল যারা ভাল তরল পদার্থে সংস্পর্শে এসে তর মধ্যে পচন সৃষ্টি করছে এতদিন ধারণা ছিল সমস্ত জীবাণুর জন্ম আপনা থেকে কিম্বা কোন অজৈব পদার্থ থেকে হয় প্রচলিত ধারনা ভেঙ্গে তিনি জন্ম দিলেন এক নতুন ধারণার পাস্তুর শুধু এক জাতীয় তরল পদার্থে বিনষ্টের কারন যে ব্যাক্টিরিয়া বা জীবাণু তার স্বরুপ ৎঘাটন করেই খান্ত হলেন না তিনি চিন্তা করতে লাগলেন কি ভাবে তরল পদার্থের গুণগত মানের পরিবর্তন না করে তার ক্ষতিকর ব্যাক্টিরিয়াকে ধ্বংস করা যায় তিনি তরল পদার্থকে বিভিন্ন উত্তাপে গরম করতে আরম্ব করলেন অবশেষে লক্ষ করেন ৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে বা ১৩১ ডিগ্রি ফারেনহাইট উত্তাপে তরল পদার্থের কোন ক্ষতি হয় না, কিন্তু ক্ষতিকর ব্যাক্টিরিয়া ধ্বংস-হয় তাঁর আবিষ্কৃত তথ্য আজ সমস্ত পৃথিবী জুড়ে পাস্তুরাইজেসন নামে পরিচিত বর্তমানে নানা ধরনের খাবার পানীয়, দুধ ক্রীম ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয় যার সুফল আমরা সকলেই ভোগ করছি কিন্তু অতি সামান্য সংখ্যক মানুষই জানে সমস্তই পাস্তুরের অবদান

বিজ্ঞানী কে বিব্রত

একবার কোন সভায় লুই পাস্তুর চিকিৎসা বিজ্ঞানের উপর বক্তৃতা দিচ্ছিলেন গুরিযেন নামে এক ডাক্তার কিছুতেই মানতে পারছিলেন না একজন রসায়নবিদ চিকিৎসদের কাছে চিকিৎসা বিদ্যার উপদেশ দেবেন নানাভাবে তাঁকে বিব্রত করতে লাগলেন কিন্তু সামান্যতম ক্রুদ্ধ হলেন না লুই পাস্তুর রগে ফেটে পড়লেন গুরিয়েন সভা থেকে তাকে বের করে দেয়া হয়েছিল

বিজ্ঞানী কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য কাজ করেন না

তৃতীয় নেপোলিয়নের আমন্ত্রনে লুই পাস্তুর তাদের দরবারে গিয়েছিলেন তাঁর পারিশ্রমিকের কথা শুনে সম্রাট বিস্মিত হয়ে বললেন, আপনি কম অর্থ নিয়ে বেশী পরিশ্রম করেন কেন ? জবাবে পাস্তুর বললেন, একজন বিজ্ঞানী কখনো ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য কাজ করেন না মানব কল্যানই ছিল তাঁর জীবনের লক্ষ্য

মাকে পেতে হলে পাপমুক্ত হতে হবে , অষ্ট পাশ

গদাধর বললেন,
মাকে
পেতে হলে পাপমুক্ত হতে হবে অষ্ট পাশ ক্ষুধা, লজ্জা, কুল, শীত, ভয়, মান, জাত, দম্ভ এসব ছাড়তে হয়

গরিবের ঘরে জন্ম হলেও রাজার মন নিয়ে গদাধর জন্মেছে

কি সুন্দর মন্ত্রপাঠ করে গদাধর পূজা করতে করতে সে কখনো যেন তন্ময় হয়ে যায় মেয়েরা বেশি করে চাল কলা নৈবেদ্যর ডালি তাকে দিয়ে দেয় গদাধর আপত্তি জানিয়ে বলে, এত দিচ্ছ কেন?
মেয়েরা
অন্ধ ভক্তি হয়ে প্রণাম করে তাদের নবীন পূজারীকে গদাধরের কিন্তু ওসবের দিকে কোন লোভ নেই তিনি যজমানের বাড়ি খেকে পাওয়া সব কিছু পথের ভিখারীকে দিয়ে দেয় এজন্য দাদার ৎর্সনাও শুনতে হয় গদাধরকে গদাধর বলে, আমাদের তো অনেক আছে, ওদের যে কিছুই নেই গরিবের ঘরে জন্ম হলেও রাজার মন নিয়ে গদাধর জন্মেছে

আর্শীবাদ পেয়েই খুশি রামভক্ত হনুমান

একদিন বিকেলবেলা শ্রী রামকৃষ্ণ রামায়ণ পাঠ করছে বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও শুনছে মনোযোগ দিয়ে কাছেই আমগাছের ওপর বসে ছিল একটা হনুমান সে লাফ দিয়ে ঠিক গদধরের কাছে এসে পড়ল তারপর পা জড়িয়ে ধরল গদাধরের হইচই করে উঠল সবাই কেউ বা ভয় পেয়ে চলে গেল কিন্তু গদাধর একটুও নড়ল না সে হনুমানের মাথায় গায়ে হাত বুলিয়ে দিল বুঝি শ্রীরামচন্দ্রের আর্শীবাদ পেয়েই খুশি হয়ে রামভক্ত হনুমান আবার লাফ দিয়ে গাছে উঠে গেল

ইতিহাসে বিবেকানন্দ এক যুগপুরুষ মানবপ্রেমের দৃষ্টান্ত

তাঁরই মধ্যে ইশ্বর প্রেম, মানবপ্রেম, স্বদেশপ্রেম তিনি ভারত আত্মার মূর্তরুপ সন্যাসী হয়েও ইশ্বর নয়, মানুষই ছিল তাঁর আরাধ্য দেবতা তাই মানুষের কল্যাণ, তাদের সর্বাঙ্গীণ মঙ্গলই ছিল তাঁর সাধনা তিনি বলতেন, "যে সন্ন্যাসীর মনে অপরের কল্যাণ করার ইচ্ছা নেই সে সন্ন্যাসীই নয় বহুজনহিতায় বহুজনসুখায় সন্ন্যাসীর জন্ম পরের জন্য প্রাণ দিতে, জীবের গগণভেদী ক্রন্দন নিবারণ করতে, সকলের ঐহি পরমার্থিক মঙ্গল করতে এবং জ্ঞানালোক দিয়ে সকলের মধ্যে ব্রাক্ষ্মসিংহকে জাগরিত করতে সন্নাসীর জন্ম হয়েছে "

স্যার আইজাক নিউটনের মহত্ত্ব

মোমবাতি জ্বলছিল ঘরের এককোণায় বসে ছিল নিউটনের পোষা কুকুর ডায়মন্ড নিউটন ঘরের বাইরে যেতে ডায়মন্ড লাফ দিল টেবিলের উপর জ্বলন্ত মোমবাতি উল্টে গিয়ে পড়ল কাগজের স্তূপে কয়েক মুহুর্তে জ্বলে পুড়ে ছাই হয়ে গেল নিউটনের বিশ বছরের সাধনার ফল নিউটন তাঁর গবেষণাগারে প্রবেশ করে যখন ভয়াবহ দৃশ্য দেখলেন, কিছুক্ষণ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন তাঁর বুঝতে সামান্যতম অসুবিধা হল না এই দুষ্কর্মের নায়ক কে কিন্তু এতটুকু ক্রোধের চিহ্ন ফুটে উঠল না তাঁর মুখে শুধু ডায়মন্ডের পিঠে সামান্য চাপড় দিয়ে বললেন, ডায়মন্ড, তুমি জান না তুমি কি ক্ষতি কারল তারপর আবার নিজের কাজে মন দিলেন

শ্রেষ্ঠ গবেষক

একদিন রাতে বন্ধুর বাড়ীতে তাঁর নিমন্ত্রন
কাজ
করতে করতে মনে পড়ল বন্ধুর বাড়ীতে য়েতে হবে তাড়াতাড়ি ঘড় থেকে বার হলেন নিউটন
যখন
বন্ধর বাড়িতে পৌঁছলেন তখন গভীর রাত
"
চারদিক অন্ধকার "
! ! !!!!!!!!!!!! >:(

নিউটন
বুঝতে পারলেন নিমন্ত্রন পর্ব আগেই শেষ
বাড়ি
ফিরে আবার কাজে বসলেন

স্যার আইজাক নিউটন এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ তত্ত্ব-

অনেক সময় ধরে বাগানে ঘুরাঘুরি করতেন তিনি হঠা করেই চোখের সামনে পড়ল একটি আপেল মুহুর্তে তাঁর মনের কোনে জেগে উঠে এক প্রশ্ন- কেন আপেলটি আকাশে না উঠে মাটিতে এসে পড়ল? জিজ্ঞাসাই চিন্তার জগতে এক গুগান্তর নিয়ে এল জন্ম নিল মাধ্যাকর্ষণ তত্ত্বের

যাহা আজও শ্রেষ্ঠ

() হেবন্ধুগন, স্মরণ রেখ, আজিকার দিন, মাস এবং পবিত্র নগরী তোমাদে কাছে যেমন     পবিত্র, তেমনি পবিত্র তোমাদের সকলের জীবন, তোমাদের ধন_সম্পদ, রক্ত এবং তোমাদের মান-মর্যাদা তোমাদের পরস্পরের কাছে কখনো অনোর উপর অন্যায়ভাবে সস্তক্ষেপ করবে না
() মনে রেখ, স্ত্রীদের উপর তোমাদের যেমন অধিকার আছে, তোমাদের উপরও স্ত্রীদের তেমন অধিকার আছে
() সাবধান, শ্রমিকের মাথার ঘাম শুকাবার পূর্বেই তার উপযুত্ত পারিশ্রমিক পরিশোধ করে দেবে
() মনে রেখ, যে পেট ভরে খায় অথচ তার প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে সে প্রকৃত মুসলমান হতে পারে না
() চাকর চাকরাণীদের প্রতি নিষ্ঠুর হয়ো না তোমরা যা খাবে, তাদরকে তাই থেতে দেবে ; তোমরা যা পরিধান করবে, তাদেরকে তাই (সমমূল্যের)পরিধান করতে দেবে
() কোন অবস্থাতে ইয়াতীমের সম্পদ আত্মস করবে না এমনিভাবে মানবাধিকর সম্পর্কিত বহু বানী তিনি পেশ করে যান

Previous Post
Next Post
Related Posts