শনিবার, ৯ জুলাই, ২০১১

তরুন লেখকদের লেখক পরিচিতি

অনুপমা হকঃ
পেশায় চিকিৎসক। বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকায়। নেশা কবিতা ও সংগীত।
অভিজিৎ মজুমদারঃ
জন্ম উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি শহরে। বড় হয়ে ওঠা বিপ্লবী মায়ের অনুপ্রেরণা ও ছত্রছায়ায়। পেশায় ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক। নিজেকে দায়বদ্ধ মনে করেন পাহাড়, জঙ্গল ও মানুষের প্রতি। নেশা পাহাড়ে চরা। প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত মাউন্টেনিয়ার। ভালোবাসেন সাহিত্যে ও সুরের মূর্ছনায় হারিয়ে যেতে। অসামান্য বন্ধুবৎসল অভিজিৎ আছেন তাই অনেক বন্ধুও।
অমিত মজুমদারঃ
জন্ম বীরভুমের সিউড়িতে। বর্তমানে রসায়নের গবেষক কানপুর আই আই টিতে। ল্যাবের বাইরে সাহিত্য ও সংগীতেই তাঁর প্রানের আরাম। ভালোবাসেন ধ্রপদী ও যন্ত্রসংগীত। সংবেদনশীল অমিতের বিশেষ একটি গুন সহজেই পরকে আপন করে নিতে পারেন।
অশেষ দাসঃ
লেখকের নিজের ভাষায় বয়সের গাছ পাথর নেই। ব্যর্থতার অন্যতম উদাহরণ । অন্যতম শখ আড্ডা মারা। উত্তরবঙ্গীয় এই লেখক আড্ডার ফাঁকফোকরে তবু সিদ্ধহাতে রচনা করে ফেলেন গবেষণাধর্মী ও তথ্যসমৃদ্ধ বিশেষ রচনা পারিপার্শ্বিক নিয়ে। গবেষক, প্রাবন্ধিক অশেষ দাস ‘স্বদেশচর্চা লোক’ ছোট পত্রিকার সহসম্পাদক।
আর্যনীল মুখোপাধ্যায়ঃ
নতুন ধারার কবি-লেখক দের মধ্যে পরিচিত নাম। জন্ম ও শিক্ষা দীক্ষা কোলকাতায়। পেশায় প্রযুক্তিবিদ ও নেশায় ভাষা-শিল্পী। তাঁর নিজের ভাষায়, সাঁতরাতে ভালবাসেন কবিতারই আশেপাশে। কৌরব অনলাইন বাংলা পত্রিকার সম্পাদক। এ পর্যন্ত প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ - হাওয়া মোরগের মন ও খেলার নাম সবুজায়ন। এছাড়া জীবনবোধের অসামান্য এক গদ্যসংকলন - কিনারার রূপক্থা ।
কৌশিক আহমেদঃ
চূয়াত্তরের দুর্ভিক্ষের সময় বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের এক গ্রামে জন্ম। ইংরেজী সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শেষ করে হাঙ্গার প্রোজেক্টে কাজ করতে শুরু করেন ভলান্টিয়ার হিসেবে। পেশা শিক্ষকতা দিয়ে শুরু হলেও বর্তমানে কাজ করেন বাংলাদেশের সরকারী প্রতিষ্ঠানে। তিনি বলেন, প্রথম এক বন্ধুর লেখা কবিতা পড়ে ভীষন অবাক হয়ে যাই। সাধারণ মানুষ ও কবিতা লিখতে পারে! এখন কবিতা লিখি। সবচাইতে আনন্দ পাই কবিতার পাঠক হতে।
জয়িতা গাংগুলীঃ
জন্ম জলপাইগুড়ির বানারহাটে। পড়াশোনা ইংরেজী সাহিত্যে। পেশায় শিক্ষিকা। পেশা ও সংসার সামলেও খোঁজেন নিজেকে কবিতায় ও সাহিত্যে। কলম তুলে নেন নিজের হাতেই।
দেবাশীষ বাগচীঃ
জন্ম শিলিগুড়িতে। পেশায় পশ্চিমবংগ সরকারের আধীকারিক। নেশা সাহিত্য, সুরা, ভ্রমন ও নিত্য বন্ধুত্বে। এ পর্যন্ত প্রকাশিত ছড়ার বই বিল্লীপূরাণ, ঝিলিক নদী রূপসা নগর; বড়দের কবিতার বই- ঘুমোও তুমি আগুন, ভিজছি শুয়ে অন্ধকারে এবং ফিসফিস আবুলিশ। এছাড়া একটি গল্প সংকলন দেবাশীষ বাগচীর ছোটগল্প।
নিঘাত সুলতানা তিথিঃ
পদার্থবিদ্যার ছাত্রী এই তরুনী লেখিকা আছেন সাহিত্যে, অঙ্কণে ও সংগীতের মূর্চ্ছনায়। জন্ম বাংলাদেশের টাঙ্গাইলে। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ছেন।
মু. নূরুল হাসানঃ
বাংলাদেশে বাড়ি। স্বপ্নবাজ মানুষ। কাক ভালোবাসেন, কবিতাও।
বানীপ্রসন্ন মিশ্রঃ
উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক।
বিপুল দাস :
জন্ম শিলিগুড়িতে। পেশা শিক্ষকতা। প্রিয় লেখক দেবেশ রায়, শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়, মহাশ্বেতা দেবী ও সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ। ভালবাসেন লোকসংগীত, শাস্ত্রীয় সংগীত। ডুয়ার্সের অরণ্য হাতছানি দেয় তাঁকে প্রতিনিয়ত। সহস্র প্রতিকূলতার মধ্যে টিঁকে থাকার রহস্য লিখতে প্রেরণা যোগায়।
সব্যসাচী সরকারঃ
জন্ম বীরভুমের জামতারায়। বর্তমানে কানপুর আই আই টিতে রসায়নের অধ্যাপক। এছাড়া দেশে ও বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা আছে। প্রকৃতির সাথে তাঁর নিবিড় সখ্যতা ।  আর আছে এক অনুসন্ধিৎসু বিজ্ঞানী মন। কিশোর বয়সেই নিজের বাড়িতে গড়ে তোলেন নিজস্ব পরীক্ষাগার। রসায়নের পরেও ভালোবাসেন ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রপাতি তৈরী করতে। এখানেই শেষ নয়। নেশা নাটক, সাহিত্য, ধ্রুপদী ও লোকসংগীতের। আর ভালোবাসেন হিমালয়।
সুচেতা মিশ্রঃ
জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা মালদায়। নিবিড় সাহিত্যপ্রেমী।
সুব্রত অগাস্টিন গোমেজঃবাংলাদেশী এই কবিতা-স্রষ্টা কবিতা জগতে নিয়ে এসেছেন এক নতুন জাদুগরী ছটা। সৃজনশীলতার বিচিত্র সমাহার তাঁর কবিতায়। একের পর এক কবিতায় তিনি বুনেছেন আশ্চর্য্য উপলদ্ধি ও অভিজ্ঞতার জগৎ। বড় হয়ে ওঠা ঢাকা শহরে। পড়াশোনা ইংরেজী সাহিত্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কবি হিসেবে আত্মপ্রকাশ আশির দশকে। যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন ছোট পত্রিকা, প্রসূন। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, তনুমধ্যা ও পুলিপোলাও; উপন্যাস কালকেতু ও ফুল্লরা; ও অনুবাদগ্রন্থ চর্যাপদের আধুনিক রূপান্তর অন্তউড়ি এবং টি এস এলিয়ট ও ডব্লিউ বি ইয়েটসের কবিতার ভাষান্তরের পৃথক দুটি সংকলন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার সিডনীতে বসবাসরত।
সুমেরু মুখোপাধ্যায়ঃ
সুমেরু মুখোপাধ্যায়ের শিল্পী সত্ত্বা সহজেই বিচরন করে সাহিত্য, চলচ্চিত্রে ও ছবি আঁকায়। শিক্ষা গণিত, সাংবাদিকতা, জন-সংযোগ ও চলচ্চিত্রের কারিগরীবিদ্যায়। অধ্যাপনা ও সাংবাদিকতায় জীবিকার শুরু। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় এযাবৎ মুদ্রিত হয়েছে একশটিরও বেশী গল্প, প্রবন্ধ ও ফিচার। একাধিক চিত্রনাট্য চলচ্চিত্রায়িত ছোট ও বড় পর্দায়। দীর্ঘ পাঁচ বছর সম্পাদনা করেছেন কোলকাতা থেকে প্রকাশিত একমাত্র শিল্পকলা বিষয়ক পত্রিকা 'নান্দনিক সময়' এর।
রাদ আহমেদঃ
বাংলাদেশের এই উদীয়মান তরুন কবি অন্যধরনের পরীক্ষা কবিতায় প্রথম পদক্ষেপেই   জয় করেছেন পাঠক হৃদয়। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ, ব্রথেল মালিকের কারপার্ক।
রিমি দেঃ
জন্ম শিলিগুড়িতে। সেখানকার রেডিওর অস্থায়ী ঘোষিকা ।
রোহণ কুদ্দুসঃ
আন্তর্জালে বাংলা ভাষার ছোটপত্রিকা সৃষ্টির সম্পাদক। কবিতা ও গদ্যে তাঁর সমান দক্ষতা ইতিমধ্যেই প্রমানিত।
হাসান মোরশেদঃ
লেখকের নিজের কথায়, ইচ্ছে ছিল অন্য কোথাও যাবার। বিপ্লবে বা বৈরাগ্যে। শেষে এসে ঠেকেছি, বিলেতে। বাংলাদেশের ছেলে। ক্ষণ গুনি ফিরে যাবার। গদ্য আঁকড়ে আসলে নিজেকেই লিখি। স্বপ্ন, স্বপ্নের লাশ, রাগ, ক্ষোভ, ভয়, ঘৃণা, ফ্যান্টাসী, হয়তো বা একফালি ভালবাসাও। ওসব ঠিক সাহিত্য হয় কি না অন্যদের ভাবনা। আমিতো আর বিচারক না।
Previous Post
Next Post
Related Posts

0 comments: