জ্ঞান কোষ

নির্বাচিত সংবাদ!

বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭

গুগল ক্রোম ব্রাউজারের সঙ্গে পাল্লা দিতে আবার উঠেপড়ে লেগেছে মজিলা। গতকাল মঙ্গলবার ফায়ারফক্স ব্রাউজারের নতুন সংস্করণ ফায়ারফক্স কোয়ান্টাম উন্মুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যাঁরা ফায়ারফক্স ছেড়ে গুগলের ক্রোম ব্যবহার শুরু করেছেন, তাঁদের আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতেই ব্রাউজারটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে মজিলা।

ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত ব্রাউজারটির ৫৭তম সংস্করণটি আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করে। গত মার্চ মাসে উন্মুক্ত হওয়া ফায়ারফক্স ৫২তম সংস্করণটির চেয়ে ৫৭তম সংস্করণটির গতি দ্বিগুণ বেড়েছে। স্পিডোমিটার ২.০ বেঞ্চমার্ক সফটওয়্যারে গতি পরীক্ষা করে এ ফল পাওয়া গেছে।
এর আগে অনেক দিন গুগল ও মজিলার মধ্যে ব্রাউজারের পারফরমেন্স নিয়ে লড়াই চলেছে। কিন্তু পারফরম্যান্সের বিচারে অনেকেই ফায়ারফক্স ছেড়ে ক্রোম ব্যবহার শুরু করেছেন। ফায়ারফক্সের নতুন সংস্করণটি গুগল ক্রোমকে টেক্কা দেবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের বিশ্লেষক ডেভিড স্মিথ বলেন, মজিলার লক্ষ্য হচ্ছে ওয়েবকে সবার জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক রাখা। ফায়ারফক্স এর উদাহরণ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একাধিক আধুনিক ব্রাউজার ব্যবহারের পরামর্শ দেন ডেভিড।
২০০৪ সালে ফায়ারফক্স ১.০ উন্মুক্ত করে মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্রাউজারের আধিপত্যে হানা দেয় মজিলা। তবে এরপর থেকে মজিলার ভাগ্য বদলাতে শুরু করে। বর্তমানে গুগলের ক্রোম ব্রাউজার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার। ফোন ও ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে মজিলাকে একেবারেই সরিয়ে দিয়েছে গুগল। ক্রোমের সঙ্গে টক্কর দিতে গত এক বছর ধরে ফায়ারফক্স কোয়ান্টাম নিয়ে কাজ করছে মজিলা।
মজিলার ফায়ারফক্স বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্ক মায়ো বলেন, ‘আমরা আমাদের টেনে ওপরে তুলেছি এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্রোমকে ছাড়িয়ে গেছি। এ বছর ফায়ারফক্সের পারফরম্যান্স দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৮ সালে এর চেয়েও দ্বিগুণ গতিতে চলবে ফায়ারফক্স।’
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফায়ারফক্সের গতি বাড়লেও মানুষকে ব্রাউজার বদলাতে রাজি করানো কঠিন হবে। বর্তমানে ব্রাউজার ব্যবহারে এগিয়ে রয়েছে ক্রোম। ৫৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ক্রোম ব্যবহার করছেন। ১৫ শতাংশ ব্যবহার করছেন অ্যাপলের সাফারি ব্রাউজার। ৬ শতাংশ ব্যবহারকারী ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন। এখন ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীদের নতুন সংস্করণটি হালনাগাদ করার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে।
মজিলা কর্তৃপক্ষ কিছুটা আশাবাদী। কারণ ফায়ারফক্সের ডেভেলপার সংস্করণটি গত সেপ্টেম্বরে উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে ব্যবহারকারী দ্বিগুণ হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে ফায়ারফক্স ব্যবহারকারী বেড়ে যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা। বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ব্যবহারকারী ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, ফায়ারফক্স ব্রাউজারে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে মজিলা। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি অঞ্চলের জন্য ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে ইয়াহুর পরিবর্তে অ্যালফাবেটের গুগলকে ঠিক করেছে মজিলা। এতে ভেরাইজন কমিউনিকেশনের ইয়াহুর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল প্রতিষ্ঠানটি। গুগল কর্তৃপক্ষ মজিলার সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, হংকং, তাইওয়ানের ডেস্কটপ ও মোবাইলে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে রাখছে মজিলা।
মজিলার প্রধান ব্যবসা কর্মকর্তা ডেনেলি ডিক্সন বলেন, ‘আমাদের ব্র্যান্ডের জন্য কোনটি ভালো কাজ করবে, কিসে উন্নত ওয়েব সার্চ সেবা দেওয়া যবে প্রভৃতি বিষয়সহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওথ ও ভেরাইজনের সঙ্গে আমাদের সার্চের বাইরে পৃথক বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’
ইয়াহুকে কিনে নেওয়া ভেরাইজনের ওথ ইউনিটের মুখপাত্র চার্লস স্টুয়ার্ট বলেন, ‘মজিলার ভিন্ন পথ বেছে নেওয়াতে আমরা আশ্চর্য হয়েছে। চুক্তির বিষয়গুলো নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম।’
মজিলা কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের নতুন ব্রাউজারটি এখন গুগল ক্রোমের চেয়ে ৩০ শতাংশ হালকা এবং কম্পিউটারে কম শক্তি খরচ করে।
২০১৪ সাল পর্যন্ত ফায়ারফক্সে ডিফল্ট সার্চ হিসেবে ছিল গুগল। এরপর থেকে গুগলকে শুধু ইউরোপে ডিফল্ট সার্চ হিসেবে রাখলেও অন্যান্য অঞ্চলে ইয়াহু, ইয়ানডেস্ক ও বাইদুকে ব্যবহার করে ফায়ারফক্স। ২০১৪ সালে মজিলার সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করেন ইয়াহুর সাবেক প্রধান নির্বাহী মারিসা মেয়ার। এরপর থেকে গুগল ও মজিলার টক্কর দেওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মজিলার ব্যবহার বেড়ে ৬০ শতাংশ হয়েছে। মজিলা, অ্যাপল ও মাইক্রোসফটের ব্রাউজার পরস্পরের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।
২০১৫ সালে ইয়াহু কর্তৃপক্ষ মজিলাকে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার দেয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত মজিলাকে বছরে সমপরিমাণ অর্থ দেওয়ার কথা ছিল। ইয়াহু ও গুগল কর্তৃপক্ষ সার্চ ফলাফল দেখানো, বিজ্ঞাপন বিক্রি ও মূল্যবান ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে। গুগল কর্তৃপক্ষ মজিলাকে কত অর্থ দেবে, সে বিষয়টি এখনো জানা যায়নি। 

তথ্যসূত্র: রয়টার্স প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৭

প্রতীকী ছবি
জন্মতারিখ, ছবি, বন্ধু তালিকা জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত রাখলে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্টই নিরাপদ নয় হ্যাকাররা চাইলেই বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং ব্যবহারকারীদের তথ্য কাজে লাগিয়ে যেকোনো অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে, জানিয়েছে অপরাধ গবেষণাবিষয়ক সংগঠন ক্রাইম রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিস ফাউন্ডেশন (ক্রাফ)

শনিবার রাজধানীর ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসেসাইবার সিকিউরিটি : স্বাধীনতা, গোপনীয়তা, কর্তব্যশীর্ষক সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতামূলক সেমিনারে ক্রাফের সহসভাপতি তানভীর জোহা জানান, অনেকেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের জন্মতারিখ, ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি বা সম্ভাব্য গন্তব্যের বিষয় নিয়ে স্ট্যাটাস দেয়। এসব তথ্যের মাধ্যমে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। সেমিনারে ফেইসবুক স্ট্যাটাস থেকে অপরাধ, সাইবার মামলা, শাস্তি, সাইবার স্পেসে কথা বলার অধিকার প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করেন ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির প্রভাষক আইনজীবী সাইমুম রেজা। উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সভাপতি জেনিফার আলম, ক্রাফের ইউআইইউ প্রতিনিধি সায়মা আফরিন প্রমুখ

রবিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৭

১. নিয়ম করে ঘুমান:
পরীক্ষার আগে কিংবা কাজের চাপে কখনো কখনো আমরা ‘ঘুম’কে অবহেলা করি। অনেক বড় বড় দায়িত্বের ভার কাঁধে থাকার পরও কিন্তু সফল মানুষেরা নিয়ম মেনে ঘুমান। টিভি ব্যক্তিত্ব এলেন ডিজেনারেস যেমন প্রতিদিন আট ঘণ্টা ঘুমান। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস, নারী উদ্যোক্তা আরিয়ানা হাফিংটন ও আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ঘুমান। পেপসির প্রধান নির্বাহী ইন্দ্রা নুয়ি ঘড়ি ধরে ৫ ঘণ্টা ঘুমান নিয়ম মেনে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান তাঁরা। নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে গেলে আমাদের শরীরের লুকানো দেহঘড়িটা কার্যকর থাকে। তাই ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর অভ্যাস করুন। ঘুম কম হলে শরীর ও মনে হতাশা ভর করে, কাজের আগ্রহ কমে যায়। সপ্তাহখানেক চেষ্টা করলেই আপনার ঘুমকে নিয়মে বেঁধে ফেলতে পারবেন।

২. ভোরের আলো দেখুন:
নিয়ম করে ঘুমাতে গিয়ে রাত তিনটায় ঘুমাবেন আর সকাল দশটা-এগারোটায় উঠবেন, সেটা কিন্তু ঠিক হবে না। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক প্রতিদিন ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে ঘুম থেকে ওঠেন। টুইটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও জ্যাক ডর্সির ঘুম ভাঙে ভোর পাঁচটায়। দ্য রক খ্যাত হলিউড অভিনেতা ডোয়াইন জনসন প্রতিদিন ভোর ৪টায় ওঠেন। এই অভ্যাস তৈরির জন্য আগে ঘুমানোর সময় মুঠোফোন দূরে রাখার অভ্যাস করুন। সকালের জন্য প্রতিদিন কিছু নির্দিষ্ট কাজ ঠিক করে নিন, তাহলে প্রতিদিন সকাল-সকাল ঘুম ভাঙবেই। টানা ৩ সপ্তাহ সকালে ওঠার চেষ্টা করতে পারলে আপনার সকালে ওঠার অভ্যাস গড়ে উঠবে।

৩. নিয়মিত ব্যায়াম করুন:
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সপ্তাহে ৬ দিন ৪৫ মিনিট করে ব্যায়াম করেন। যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন তখনো একইভাবে ব্যায়াম করতেন তিনি। আমরা অনেকেই আক্ষেপ করি বলি, কাজের চাপে ব্যায়াম করার সময় পাচ্ছি না! অথচ ভেবে দেখুন, যুক্তরাষ্ট্রের এই সাবেক প্রেসিডেন্ট তাঁর শত কাজের ভিড়ে শরীরচর্চাকেও একটা ‘গুরুত্বপূর্ণ কাজ’ হিসেবেই বিবেচনা করেন। ভার্জিন গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা রিচার্ড ব্র্যানসন প্রতিদিন কাজ শুরুর আগে দৌড়ানো থেকে শুরু করে পাহাড়ে চড়ে এক ঘণ্টা ঘাম ঝরান। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত দুবার করে ২০ মিনিটের জন্য ধ্যান করেন। বয়স ৬০ পেরিয়েছে, এখনো প্রতিদিন অনন্ত ৪৫ মিনিট সময় দেন ব্যায়ামাগারে। আপনিও প্রতিদিন অন্তত ৪০ মিনিট হাঁটুন কিংবা দৌড়ান। বাড়িতেই ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। নিয়মিত ব্যায়ামে শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে।

৪. অনেক বই পড়ুন:
বিখ্যাতজনদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা শত কাজের মধ্যেও নিয়মিত বই পড়েন। মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস বছরে ৫০টি বই পড়েন, প্রতি সপ্তাহে পড়েন অন্তত একটি। ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গও ২০১৫ সাল থেকে সপ্তাহে একটি করে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট প্রতিদিন গড়ে ৬০০ থেকে ১০০০ পৃষ্ঠা পড়ার চেষ্টা করেন। আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত বই পড়ার বাইরে নন-ফিকশন ধরনের বই দিয়ে শুরু করুন। শুরুটা করতে পারেন বারাক ওবামার লেখা ড্রিমস ফ্রম মাই ফাদার কিংবা নেলসন ম্যান্ডেলার জীবনী দিয়ে। প্রথম দিকে অনভ্যাসের কারণে বই পড়তে বিরক্তি লাগতে পারে। শুরুতে প্রতিদিন ৫-৬ পৃষ্ঠা করে পড়ুন। যানজটে বসে থাকার সময়টা বই পড়ে কাজে লাগান।
৫. প্রতিদিন সকালে নাশতা করুন:
ব্যস্ততার কারণে অনেকে সকালে নাশতা খেতে চান না। আপনার সারা দিন কতটা কর্মোদ্দীপ্ত হবে, তা কিন্তু নির্ভর করে সকালের নাশতার ওপর। অপরাহ্ উইনফ্রে প্রতিদিন সকালে ডিম ও টোস্ট খান। মিশেল ওবামা ও বারাক ওবামাও সকালে ডিম দিয়ে নাশতা সারেন। গায়িকা বিয়ন্সের পাতে সকালে থাকে ডিম, সবজি ও লো-ফ্যাট দুধ। অভিনয়শিল্পী এমা ওয়াটসনের টেবিলে রুটি আর ডিম থাকে সকালের নাশতায়।
৬. প্রতিদিনের একটা পরিকল্পনা জরুরি:
বিল গেটস, রিচার্ড ব্র্যানসন আর এলন মাস্ক প্রতি রাতে আগামীকাল কী কী করবেন, তা ঠিক করে নেন। কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে রাখলে তাড়াহুড়া করে কোনো কাজ করতে হয় না। ঘুমানোর আগে পরদিনের পরিকল্পনা এক টুকরো কাগজে লিখে রাখতে পারেন। কয়েক দিন এই নিয়ম মেনে চললে নিজের অগ্রগতি আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।
৭. ফেসবুক ও ই-মেইলের নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার
নারী উদ্যোক্তা ও লেখক আরিয়ানা হাফিংটন প্রতিদিন ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে থেকে ফেসবুক আর ই-মেইল ব্যবহার করেন না। শুধু তা-ই নয়, ঘুম থেকে ওঠার এক ঘণ্টা পরে তিনি ই-মেইল পড়েন। এ ছাড়া সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় তিনি ফেসবুক বা ই-মেইল থেকে দূরে থাকেন। লিংকডইনের সিইও জেফ ওয়েনার ইন্টারনেট বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিনে ২ ঘণ্টার বেশি সময় দেন না। প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠেই ফেসবুকে চোখ রাখবেন না। আবার রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে ফেসবুক আর মুঠোফোন থেকে দূরে থাকুন।
৮. নোট নিন:
সেকালের বিখ্যাত মার্কিন লেখক মার্ক টোয়েন থেকে শুরু করে একালের উদ্যোক্তা মার্ক জাকারবার্গ—সফলদের মধ্যে অনেকেরই একটা জায়গায় মিল। তাঁরা সব সময় কোনো ভাবনা মাথায় এলে কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনো তথ্য পেলে সেটা টুকে রাখেন। ক্লাসে, অফিসের মিটিংয়ে কিংবা নিজের একাকী সময়েও একটা নোটবুক সঙ্গে রাখতে পারেন।
৯. প্রতিদিন নতুন কিছু শিখুন:
মার্ক জাকারবার্গ শত ব্যস্ততার মধ্যেও ম্যান্ডারিন ভাষা শিখেছেন। মার্কিন উদ্যোক্তা শন পার্কার কিংবা অভিনয়শিল্পী অ্যাস্টন কুচারও প্রতিদিন নতুন কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করেন। এই আগ্রহ আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বিস্তৃত করে। আপনি হয়তো সাইকেল চালাতে জানেন না, সময় করে শিখে ফেলছেন না কেন? নতুন কিছু শেখার আনন্দ আপনাকে অন্যান্য কাজেও আগ্রহ জোগাবে। নতুন একটা ভাষা শিখতে পারেন। এই অভ্যাস আপনার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াবে।
১০. মেধাবী ও বুদ্ধিমান বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান:
মার্ক জাকারবার্গের নাকি বিল গেটসের সান্নিধ্য খুব পছন্দ। আবার বিল গেটস নাকি ওয়ারেন বাফেটের সঙ্গ পছন্দ করেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের ভিড়ে কিংবা মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে খুব আগ্রহ নিয়ে সময় ব্যয় করেন এই সফল মানুষেরা। এভাবে তাঁরা নতুন কিছু শিখতে, জানতে চেষ্টা করেন। আপনিও নতুন নতুন বন্ধু তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। বিভিন্ন বিতর্ক উৎসব, প্রতিযোগিতা বা কুইজে অংশ নিয়ে নতুন বন্ধু তৈরি করুন।
সূত্র: প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৭

নিজেকে ফিট রাখতে সব সময়ই সচেষ্ট তিনি। তার জন্য কখনও জিমে গিয়ে ঘাম ঝরাচ্ছেন তিনি, আবার কখনও সাঁতার কেঁটে।
বি টাউনের অন্যতম হট অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ যেমন সুন্দর তেমনি ফিট তিনি। আর এবার সাঁতারের ভিডিও পোস্ট করলেন ক্যাট। ওই ভিডিওতে যেন আরও লাস্যময়ী লাগছে ক্যাটরিনাকে তেমনি সুন্দরও লাগছে।
আর ওই ভিডিও ইন্টারনেটে প্রকাশ পেতেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। তবে সাঁতারের সময় ক্যাটরিনা নাকি আলিয়াকে বেশ মিস করছিলেন। বি টাউনের অন্যতম বেস্টি হিসেবেই পরিচিত ক্যাটরিনা এবং আলিয়া। তাই পুলের জলে ওয়ার্কআউটের সময় বেস্টিকে ক্যাটরিনা মিস করছেন, তাতে আর আশ্চর্য কী?

রবিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৭

অফিস, দোকান বাজার যেখানেই যান না কেন, আপনার ফোন বুক পকেট বা প্যান্টের পকেটে থাকে, তাই তো? আর মহিলাদের ক্ষেত্রে পকেট দেওয়া জামা পরার তেমন প্রচলন নেই বলে, তারা অনেকেই অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল রেখে দেন। এতে কি হচ্ছে বা হতে পারে, তা কি জানা আছে? আসলে মোবাইল কোম্পানিগুলি আপনাদের কখনোই তাদের ক্ষতিকারক দিকগুলি বোঝাতে আসবেন না।

এমনকি, সামান্য জানিয়ে দেওয়ার দায়িত্বও তারা নেবেন না। কারণ, তারা তাদের কোম্পানির ব্যবসা দেখবেন, তার লাভ দেখবে। আপনার শরীর নিয়ে তাদের কোনও মাথা ব্যাথা থাকার কারণ নেই।
মোবাইল ফোনের এরকম বহু ক্ষতিকারক দিক আছে। আসুন সেগুলো কী জেনে নেওয়া যাক।

১. মোবাইল ফোন বন্ধ্যাত্বের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে
বহু সমীক্ষায় দেখা গেছে যে পুরুষদের জন্য মোবাইল ফোন মোটেও ভাল নয়। এর কারণ, মোবাইল ফোন পুরুষদের ক্ষেত্রে বীর্যের পরিমাণ কমিয়ে দিতে পারে। সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে যে, কথা বলার সময় ফোন যদি পুরুষাঙ্গের কাছাকাছি থাকে, তবে তা বীর্য উৎপাদনকারী কোষের মারাত্মকভাবে ক্ষতি করে। এতে পরিমাণ মতো বীর্য তৈরি হতে পারে না।

এতে মূলত ক্ষতিগ্রস্ত বীর্যের কারণে সন্তান দুর্বল এবং শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মাতে পারেন। যে সকল পুরুষ কানে ফোন ব্যবহার বা করে হেড সেট ব্যবহার করেন এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইল ফোন পকেটে থাকে, তাদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা সবথেকে বেশি থাকে। ক্লেভল্যান্ড-এ অবস্থিত সেন্টার ফর রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন-এ মোবাইল ফোনের ওপর একটি সমীক্ষা চালানো হয়। তাতে ৩২ জন পুরুষের ওপর এই সমীক্ষা হয়। তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে বীর্যের নমুনা নিয়ে , তা দিয়ে নানা ধরণের পরীক্ষা-নিরিক্ষা চালানো হয়। এক সময় নমুনাগুলির কাছাকাছি ফোন রেখে দিয়ে তার প্রভাব পরীক্ষা করা হয় এবং দেখা যায় যে, বীর্যগুলি যথারীতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এরই সঙ্গে বীর্য কম তৈরি বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণ হিসাবে দায়ী করা হয়েছে পরিবেশ দূষণ এবং মূত্রসংক্রান্ত প্রজননতন্ত্রের সংক্রমণকে।
২. মোবাইলের বিকিরণ এবং ক্যান্সার
মোবাইল ফোন থেকে কি সত্যিই ক্যান্সার হয়? এই প্রশ্নটি আমাদের মনে বারবার করে উঠে আসে। আসলে মোবাইল ফোনের থেকে সত্যি সত্যিই ক্যান্সারের সম্ভাবনা সম্পর্কিত। মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে নানা ধরণের ক্যান্সার শরীরে বাসা বাঁধতে পারে। এর বড় কারণ হল, মোবাইল ফোনের ক্ষতিকারক বিকিরণ। এই ক্ষতিকারক বিকিরণের কারণে নারী এবং পুরুষ দুইই দারুণভাবে শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হন। ফলে, আশঙ্কা বাড়ে স্তন ক্যান্সার সহ অন্যান্য ক্যান্সারের। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মোবাইল ফোন সহ বিভিন্ন ওয়্যারলেস ডিভাইসকে টু বি রিস্ক-এর আওতায় রেখেছে। এর কারণ এগুলি যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গকে ব্যবহার করে, যা মানুষের মধ্যে ক্যান্সারের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করে। অনেকেই মনে করেন যে, মোবাইল, ক্যান্সার হওয়ার অবশ্যম্ভাবী কারণ হিসাবে কাজ করে। এমনকি, এর ওপর বহু পরীক্ষা-নিরিক্ষা করে বহু কিছু প্রমাণিতও হয়েছে।
তাই কথা বলার সময় হেড ফোন ব্যবহার করুন এবং ফোন কে একটি নির্দিষ্ট দুরত্বে রাখুন। কথা কম বলুন, মেসেজ করুন- যতটা সম্ভব ফোনে কথা কম বলে মেসেজের মাধ্যমে জরুরি কথা বলুন। সিগনাল ভাল থাকলে কথা বলুন। ফোনে যদি নেটওয়ার্কের পরিমাণ কম দেখায়, তাহলে সেই সময় কোনোভাবেই ফোনে কথা বলবেন না। কারণ, ফোনের সিগন্যাল বার কম দেখানো মানেই ফোন নিজের থেকে সিগন্যাল খোঁজার চেষ্টা করছে। এই সময়ে বিকিরণের মাত্রা খুব বেশি থাকে। পকেটে বা বালিশের নিচে ফোন রাখবেন না- যদি ফোন নির্দিষ্ট কিছু সময়ে ব্যবহার না করতে চান, তাহলে ফোন থেকে দূরে থাকুন। এছাড়া, কোনও সময় ফোন বালিশের নীচে নিয়ে শোবেন না। কারণ, ফোন ব্যবহার না করলেও শুধু অন থাকলে, তখনও প্রচুর পরিমাণে বিকিরণ ছড়াতে পারে।

সূত্র: বোল্ডস্কাই
৩. আপনি কি মোবাইল ফোন অন্তর্বাসের ভিতরে রাখেন?
ক্যালিফোর্নিয়ার ব্রেস্টলিঙ্ক নামক একটি সংস্থায় গবেষণা করে দেখা গেছে যে, স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। গবেষণা থেকে জানা গেছে যে, যে সমস্ত পরিবারে পূর্বে কোনও ক্যান্সারের ইতিহাস নেই বা আক্রান্তের কোনও তথ্য নেই, সেই পরিবারেও এখন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত, চল্লিশ বছরের মধ্যে যে সকল মহিলা রয়েছেন, তাদের ক্যান্সার হওয়ার প্রবণতা সবথেকে বেশি। গবেষণা থেকে প্রমাণিত, যে সকল নারী অন্তর্বাসের ভিতরে মোবাইল ফোন রাখেন, তাদের প্রত্যেকের বুকের কোনও না কোনও স্থানে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল এবং এদের সকলের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

৪. তাহলে কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হবে?
মোবাইল ফোন যতটা সম্ভব কম ব্যবহার করুন। একান্তই ব্যবহার করতে হলে, তাকে এমনভাবে রাখুন যাতে শরীরের কাছাকাছি না থাকে। সবথেকে বড় কথা, মোবাইল ফোন পকেটে রাখবেন না, বেল্টের সঙ্গে আটকাবেন না বা অন্তর্বাসের ভিতর রাখবেন না। সেই সঙ্গে ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন অফ করে রাখুন।

৫. কীভাবে আরও সাবধানতা নেওয়া যায়?
মোটামুটি এই পাঁচটি জিনিস মাথায় রাখুন। মোবাইল ব্যবহারে তাতে খানিকটা হলেও বিপদকে এড়াতে পারবেন। কানে হেড সেট ব্যবহার করুন। এতে শরীর থেকে দূরে ফোন থাকতে পারবে। ফোনে কথা বলার সময় আমাদের শরীর এবং মস্তিষ্ক প্রচুর পরিমাণে বিকিরণের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা আমাদের খুবই ক্ষতি করে। তাই কথা বলার সময় হেড ফোন ব্যবহার করুন এবং ফোন কে একটি নির্দিষ্ট দুরত্বে রাখুন। কথা কম বলুন, মেসেজ করুন- যতটা সম্ভব ফোনে কথা কম বলে মেসেজের মাধ্যমে জরুরি কথা বলুন। সিগনাল ভাল থাকলে কথা বলুন। ফোনে যদি নেটওয়ার্কের পরিমাণ কম দেখায়, তাহলে সেই সময় কোনোভাবেই ফোনে কথা বলব

বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৭

বিশ্বের উষ্ণতম অঙ্কের শিক্ষিকা তিনিই। তাঁকে দেখলে অঙ্কে মন বসতে বাধ্য। কঠিন অঙ্কের সমাধান হবে অনায়াসেই। তাঁর ক্লাস নেওয়ার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হইচই পড়ে গিয়েছে।

ভিডিওতে তিনি অঙ্ক শেখাতে শুরু করতেই যুবকদের শরীরে জাগছে বিশ্বউষ্ণায়ন। বেলারুশের এই গণিত শিক্ষিকার নাম ওকসানা নেভেসেলায়া।
ফেসবুক প্রোফাইলে নিজের সম্পর্কে তিনি লিখেছেন ‘যৌন আবেদন ও বুদ্ধিমত্তা হাতে হাত রেখে চলে।’

ইনস্টাগ্রামে তাঁর ক্লাস নেওয়ার ভিডিয়ো পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ২,২৩,০০০ ফলোয়ার তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের অধিকাংশই পুরুষ। তাঁর অমন চাঁচাছোলা ফিগারে বোকা ভোলা হয়ে গিয়েছে বহু পুরুষ।
এক ভিডিওতে কামাল করেই থেমে যাননি ওকসানা। তাঁর পোস্টে ১০,০০০ লাইক পড়ার পরে ভক্তদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন। আপাতত মালয়েশিয়ায় ছুটি কাটাচ্ছেন এই হট গণিত শিক্ষিকা।
ছুটির মেজাজে তাঁর হটনেস আরও বেড়ে গিয়েছে। সেখান থেকে পোস্ট করে চলেছেন বিকিনি পরিহিত ছবি। সেই সব ছবি নতুন করে তাঁর উদ্বেল করে তুলেছে তাঁর ভক্তদের।

বিশ্বের সব থেকে আকর্ষণীয় শিক্ষিকার

 ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন…


ট্রামটির মেঝের উচ্চতা মূল লাইন থেকে মাত্র ৩৫ সেন্টিমিটার হওয়ায় আলাদাভাবে কোনো প্ল্যাটফর্মেরও প্রয়োজন পড়বে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফলে যাত্রীরা সহজেই ট্রামটিতে উঠতে পারবে।
বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেন চালিত হাইব্রিড ইলেকট্রিক ট্রাম চালু হয়েছে চীনে। পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ ব্যবস্থায় এই ট্রামকে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে দেশটি।


চায়না রেলওয়ে রোলিং কর্পোরেশনের তৈরি ট্রামটি উত্তর চীনের একটি প্রদেশে বাণিজ্যিকভাবে চালু হয়েছে। পরিবেশবান্ধব হওয়ার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপাদান নির্গমন করবে না ট্রামটি। শুধুমাত্র পানি নির্গমন ঘটবে ট্রামটি থেকে।
এছাড়া হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখায় ক্ষতিকর নাইট্রোজেন অক্সাইডও তৈরি হবে না এখানে।