শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

হুয়াওয়ের পরিবারে যুক্ত হতে যাচ্ছে মিডিয়াপ্যাড টি৩-১০

 মিডিয়াপ্যাডের নতুন মডেল টি৩-১০ দেশের বাজারে নিয়ে এসেছে স্মাটফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে
পাওয়ার সেভিং প্রযুক্তিসহ প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির ট্যাবটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি
হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের ডিভাইস বিজনেসের ডেপুটি কান্ট্রি ডিরেক্টর জিয়াউদ্দিন চৌধুরী বলেন, গতানুগতিক কাজের বাইরে অন্যান্য বিনোদনমূলক কাজগুলো সহজেই সম্পন্ন করতে মিডিয়াপ্যাড সিরিজের নতুন ট্যাবটি একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল হিসেবে কাজ করবে
. ইঞ্চির এইচডি ডিসপ্লে অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয়-বডি এবং উন্নত ব্যাক ফ্রন্ট ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে
ট্যাবটির অভিনব ফিচার হচ্ছে এর কিডস কর্নারটি। সদ্য স্কুলে ভর্তি হওয়া শিশুরা যেন নিশ্চিন্তে ট্যাবটি ব্যবহার করতে পারে সেক্ষেত্রে ট্যাবটিতে কিডস কর্নার বিল্ট-ইন আকারে দেওয়া  অভিভাবকরা চাইলে পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে শিশুরা কোন কোন অ্যাপ ব্যবহার করবে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে
এছাড়া বাড়তি কি-বোর্ড মাউস যুক্ত করে ল্যাপটপ হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে হুয়াওয়ে মিডিয়াপ্যাড টি৩-১০। যেকোনো কি-বোর্ড ব্যবহার করে সহজে বহনযোগ্য ট্যাবটি দাপ্তরিকসহ যেকোনো কাজে ভারি ল্যাপটপের বদলে ব্যবহার করা যাবে। রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন কোয়াড-কোর প্রসেসর, জিবি   র‌্যাম ১৬ জিবি রম
বিল্ট-ইন হিসেবে ট্যাবটিতে ব্যবহার করা হয়েছে হুয়াওয়ের নিজস্ব হালনাগাদকৃত ইমোশন ইউজার ইন্টারফেন (ইএমইউআই) .১। ট্যাবটিতে অ্যান্ড্রয়েড . (নুগাট) অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করেছে হুয়াওয়ে
মিডিয়াপ্যাড টি৩-১০ আগামি ১০ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্ক এবং বসুন্ধারা সিটি শপিং মলের হুয়াওয়ে এক্সপেরিয়েন্স স্টোরসহ দেশের ৬৪টি জেলার হুয়াওয়ের ব্র্যান্ড শপগুলোতে পাওয়া যাবে
দাম ২০ হাজার ৩০০ টাকা


আসুন জেনে নেই নোট ৮-এর ক্যামেরা সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

গ্যালাক্সি নোট এর মধ্যে সবচেয়ে বৃহৎ পরিবর্তন এসেছে এর পিছনের ক্যামেরাতে যেখানে আপনি পেয়ে যাবেন ডুয়েল "১২ মেগা-পিক্সেল" ক্যামেরা তার মধ্যে ১টি থাকবে ১২ মেগা-পিক্সেল  (এপার্চার f/1.7) "ওয়াইড এঙ্গেল লেন্স" সাথে "ডুয়েল পিক্সেল টেকনোলোজি" অপর একটি থাকবে ১২ মেগা-পিক্সেল (এপার্চার f/2.4) "টেলিফোটো লেন্স" আর আপনাদের সুবিধার্থে বলে রাখি পিছনের উভয় ক্যামেরাতে পেয়ে যাচ্ছেন "অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবালাইজেশন"

2X অপটিক্যাল এবং 10X ডিজিটাল জুমিংয়ের ক্ষমতা সম্পন্ন গ্যালাক্সি নোট এর মাধ্যমে দূরবর্তী ছবি তুললেও ছবির কোয়ালিটিতে তেমন কোনো পার্থক্য পাওয়া যাবে না ছবি সুন্দর এবং স্পষ্ট থাকবে
চিত্রঃ Note 8 Optical Zoomউপরন্তু, "ওয়াইড-এঙ্গেল লেন্সের" দ্রুত স্বয়ংক্রিয় (রেপিড অটো ফোকাস) ফোকাসের সাথে একটি "ডুয়েল পিক্সেল সেন্সর" রয়েছে, তাই আপনি চাইলে কম আলোতেও তীক্ষ্ণ এবং উজ্জ্বল শটগুলি ক্যাপচার করতে পারবেন

গ্যালাক্সি নোট এর ক্যামেরার আরো একটি "ক্রিয়েটিভ কন্ট্রোল" যোগ হয়েছে তা হচ্ছে "লাইভ ফোকাস" এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ব্যবহারকারীকে একটি ছবি গ্রহণের আগে এবং পরে ছবির দৃশ্যের ব্লারের তীব্রতা সমন্বয় করতে দেয়া "ডুয়াল ক্যাপচার" মোডে উভয় ক্যামেরা একযোগে দুটি আলাদা ইমেজ ক্যাপচার করে - যেখানে একটি টেলিফোটো লেন্সের মাধ্যমে ক্লোজ-আপ শট নেয়া হয় এবং অন্য একটি ওয়াইড -এঙ্গেল শট নেয়া হয় যা পুরো ব্যাকগ্রাউন্ডকে দেখায়

চিত্রঃ Galaxy Note 8 Live Focus তবে ফ্রন্ট ক্যামেরায় এই প্রথম নোট সিরিজে ব্যবহিত হয়েছে  মেগা-পিক্সেল (এপার্চার f/1.7) অটো ফোকাস ক্যামেরা যা উজ্জ্বল সেলফি এবং ভিডিও কলিং এর জন্য বেস্ট

মঙ্গলবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

বাংলাদেশেই তৈরী হতে যাচ্ছে মোবাইল সেট

অবশেষে দেশে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপনের জন্য নির্দেশিকা প্রস্তুত করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এ নির্দেশিকা অনুসারে এ বিষয়ে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুই ধরনের তালিকাভুক্তি সনদ দেওয়া হবে। যেসব প্রতিষ্ঠান ‘এ’ ক্যাটাগরির তালিকাভুক্তি সনদ পাবে, তাদের মানসম্মত লে-আউটের মাধ্যমে নিজস্ব একটি টেস্টিং ল্যাব থাকতে হবে। এসব ল্যাবে প্রয়োজনীয় সব টেস্টিং সুবিধাসম্পন্ন বিভিন্ন বিভাগ বা শাখা থাকতে হবে। আর ‘বি’ ক্যাটাগরির তালিকাভুক্তি সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব টেস্টিং ল্যাবের প্রয়োজন হবে না। তবে তাদের ‘এ’ ক্যাটাগরির সনদধারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে এবং সেই চুক্তির মাধ্যমে তাদের মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট উৎপাদন বা সংযোজনের যাবতীয় টেস্ট সম্পন্ন করাতে হবে। এ ছাড়া ‘বি’ ক্যাটাগরির তালিকাভুক্তি সনদপ্রাপ্তরা বিটিআরসির নির্ধারিত টেস্টিং সুবিধা বা যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ নিজস্ব ল্যাব স্থাপন করতে সক্ষম হলে তারা তাদের সনদ ‘এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত করাতে পারবে।
বিটিআরসির এ খসড়া নির্দেশিকা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সর্বশেষ সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এটি প্রশাসনিক অনুমোদন নিয়ে শিগগিরই জারি করা হতে পারে। এ ছাড়া সিদ্ধান্ত হয়েছে, এ বিষয়ে বিটিআরসিতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ল্যাব স্থপনের আগ পর্যন্ত স্থানীয়ভাবে প্রস্তুতকৃত হ্যান্ডসেটের ন্যূনতম ৫ শতাংশ পরিমাণ হ্যান্ডসেট আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো টেস্টিং ল্যাব থেকে কারিগরি ও গুণগত মান যাচাই করে তার সনদ বিটিআরসিতে জমা দিতে হবে।
বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, দেশে বর্তমানে মোবাইল  ফোন হ্যান্ডসেটের বাজার প্রায় আট হাজার কোটি টাকার।
প্রতিবছর আড়াই কোটি থেকে তিন কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি হচ্ছে। অবৈধ পথে আসছে আরো ৫০ লাখ। এর ফলে বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে। অথচ এই হ্যান্ডসেট স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বা সংযোজনের ব্যবস্থা হলে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। তৈরি হবে কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন সুদক্ষ জনবল। বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে। দেশের ক্রেতারা পাবে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যের স্মার্টফোন। একই সঙ্গে বাড়বে ইন্টারনেট গ্রাহক, দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নতি ত্বরান্বিত করবে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে নির্দেশিকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে।
নির্দেশিকায় আরো বলা হয়েছে, দেশে প্রস্তুত হ্যান্ডসেট প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকদের বিক্রয়োত্তর সেবার মান নিশ্চিত করতে  কমপক্ষে ঢাকায় চারটি,  চট্টগ্রামে তিনটি, অন্যান্য বিভাগীয় শহরে দুটি এবং সব জেলা শহরে একটি করে সার্ভিস সেন্টার চালু করতে হবে। এ ছাড়া গ্রাহকদের চাহিদা  বিবেচনা করে প্রযোজনীয়সংখ্যক কালেকশন পয়েন্ট স্থাপন করতে হবে।
জানা যায়, এরই মধ্যে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বাংলাদেশে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট তৈরির জন্য বিটিআরসির কাছে ভেন্ডর লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছে। এ ছাড়া এসবি টেল এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেড (এ প্রতিষ্ঠানের মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট হচ্ছে সিম্ফনি) দেশে হ্যান্ডসেট উৎপাদনের আগ্রহ পোষণ করে এ বিষয়ে একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নে রাজস্ব বোর্ডকে সুপারিশ করতে বিটিআরসিকে লিখিত অনুরোধ জানিয়েছে। গত ৩ আগস্ট মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এসব বিষয়ে বিটিআরসির বৈঠক ও তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। অর্থ মন্ত্রণালয়ও এরই মধ্যে স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদনের জন্য যন্ত্রপাতি আমদানির এসকেডি (সেমি নক ডাউন) পদ্ধতির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এবং সিকেডি (কমপ্লিট নক ডাউন) পদ্ধতির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ আমদানি শুল্ক নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এর আগে উভয় ক্ষেত্রে এ শুল্ক ছিল ৩৭.০৭ শতাংশ।
প্রসঙ্গত, মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বিএমপিআইএর কর্মকর্তারা গত ৩ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছিলেন, মোবাইল ফোনসেট এখনো শতভাগ আমদানিনির্ভর। বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত এটি স্থানীয়ভাবে সংযোজন বা উৎপাদন করছে না। এ বিষয়ে আরো প্রস্তুতি ও সময় দরকার। দরকার স্বচ্ছ নীতিমালা ও রোডম্যাপ। দক্ষ জনবলও দরকার।
প্রসঙ্গত, গত ১ জুন জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী মোবাইল, ল্যাপটপ, আইপ্যাডের স্থানীয় সংযোজন ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ খাতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য উপকরণ আমদানিতে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শুল্ক রেয়াতি সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করেন। অন্যদিকে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের আমদানি শুল্ক ৫ থেকে বাড়িয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে  করের আওতায় আনা হয় ইন্টারনেট ব্যবহারের মোডেম বা ডঙ্গলও।
এ পরিস্থিতিতে বিএমপিআইএর কর্মকর্তারা ওই সংবাদ সম্মেলনে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেটের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর বিরোধিতা করে বলেন, এতে স্মার্টফোনের মূল্য ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে যাবে এবং  বিষয়টি ডিজিটাল বাংলাদেশর স্বপ্ন বাস্তবায়নে বাধার সৃষ্টি করবে। তাঁরা জানান, ভারতে ৭৬ শতাংশ মোবাইল ফোনসেট এরই মধ্যে স্থানীয়ভাবে সংযোজন বা উৎপাদন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি বহুজাতিক  প্রতিষ্ঠানও স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোনসেট উৎপাদনে আগ্রহী। কিন্তু স্বচ্ছ নীতিমালা ও রোডম্যাপ ছাড়া তারা তাদের কাজ শুরু করতে পারছে না।  
এদিকে বিটিআরসির নিজেদের কাছে আবেদন ও দেশে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট তৈরির ক্ষেত্রে বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে এসবি টেল এন্টারপ্রাইজেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিএমপিআইএর সেক্রেটারি জাকারিয়া শাহীদ গত সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন ধরনের একটি শিল্প-কারখানা স্থাপনের ক্ষেত্রে নানা ধরনের ঝুঁকি থাকে। এতে সফলতা আসা পর্যন্ত সরকারকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে হবে। বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এ বিষয়ে শুল্কনীতিও বিনিয়োগবান্ধব হওয়া প্রয়োজন। মোবাইল ফোনে কী ধরনের তরঙ্গ ব্যবহৃত হবে তা-ও সুনির্দিষ্ট করতে হবে। এসব কারনেই আমরা বিটিআরসিকে একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা এবং সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নে রাজস্ব বোর্ডকে সুপারিশ করতে অনুরোধ জানিয়েছি। ’ তিনি বলেন, বর্তমানে মোবাইল ফোন গ্রাহকদের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ স্মার্টফোন ব্যবহার করছে। বাকি ৭০ শতাংশ ব্যবহার করছে ফিচার ফোন। দেশে ফোরজি চালু হলে স্মার্টফোনের চাহিদা আরো বাড়বে। এ চাহিদা দেশের উৎপাদন বা সংযোজন শিল্পের জন্য সহায়ক হবে।

ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীদের সব তথ্যই শনাক্ত করবে স্মার্ট ঘড়ি!

শুধু শারীরিক পরিশ্রম বা হৃত্স্পন্দনের তথ্য নয়, ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীদের প্রতিটি মুহূর্তের তথ্য সংগ্রহ করবে স্মার্ট ঘড়ি। অর্থাৎ সকালে দাঁত মাজার তথ্য থেকে শুরু করে রান্না, বেড়ানোর তথ্যও সংগ্রহ করবে। তথ্যগুলো পর্যালোচনা করে ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন আচরণ সম্পর্কেও জানাবে। এ জন্য স্মার্ট ঘড়ির জন্য নতুন অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন যুক্তরাজ্যের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। তাঁদের দাবি, নতুন এ প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমানের তুলনায় আরো নিখুঁতভাবে মানুষের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে জানা যাবে। ফলে এসব তথ্য স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে ক্রেতাদের আচরণবিষয়ক গবেষণায়ও ব্যবহার করা যাবে।

বিশ্বের দশ নিষিদ্ধ সিনেমা যা আপনি দেখেন নাই

বিশ্বের দশ নিষিদ্ধ সিনেমা যা আপনি দেখেন নাই

১০) ক্লক ওয়ার্ক অরেঞ্জ (১৯৭১)
স্ট্যানলি কুবরিকের এই সিনেমা গ্রেট ব্রিটেনে ২৭ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল। অত্যধিক মারামারি, পাশবিক ধর্ষণের দৃশ্য থাকায় এই সিনেমাকে কিছুতেই গ্রেট ব্রিটেনে দেখানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। মার্কিন মুলুকে অবশ্য বেশ প্রশংসা কোড়ায় এই সিনেমা।
৯) দ্য বার্থ অফ এ নেশন (১৯১৫)
সাইলেন্ট মুভি। কিন্তু কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের আক্রমণে করা হওয়ায় মুক্তির পর নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। ছবির পরিচালকও পরে স্বীকার করে নেন তার ভুল হয়েছিল।
৮) দ্য টিন ড্রাম (১৯৭৯)
অস্কারে বিদেশি সিনেমা বিভাগে সেরা পুরস্কার জেতে এই সিনেমা। সিনেমায় দেখানো হয় ১১ বছরের এক বালক ১৬ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে সেক্স করছে। এই জন্য কানাডা ও ফিলাডেলফিয়াতে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। বলা হয় এই সিনেমা চাইল্ড পর্নগ্রাফি ছাড়া বেশি কিছু নয়। কিন্তু সিনে বিশেষজ্ঞরা এই সিনেমাকে বড় নম্বর দিয়ে বলেছেন, ছবির বিষয়বস্তু ঠিকমত বুঝলে এটা নিষিদ্ধ কোনওভাবেই হওয়া উচিত নয়।
৭) থ্রি ডানড্রেড (২০০৬)
যুদ্ধের ওপর তৈরি হওয়া হলিউডের অন্যতম সেরা এই ছবি নিষিদ্ধ ইরান ও আরবের কিছু দেশে। রাষ্ট্রসংঘের কাছে এই ছবি নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে ইরান বলেছে, থ্রি হানড্রেড তাদের দেশকে অপমান করতে মার্কিনীদের একটা চক্রান্ত।
৬) অল কোয়াইট অন দ্য ওয়েস্টার্ন ফ্রন্ট (১৯৩০)
হিটলার এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। জার্মানি, ও অস্ট্রিয়ায় ১২ বছর ধরে নিষিদ্ধ ছিল এই সিনেমা। এই ছবি দেখলে নাত্‍সি বাহিনীর অত্যাচারের মুখে পড়তে হত। ছবিটি হিটলারের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ওপর তৈরি।
সালো/হানড্রেড টোয়েন্টি ডেজ অফ সোডোম (১৯৭৫)
চার দুষ্কৃতি অপহরণ করে শিশু ও মহিলাদের। তারপর তাদের ওপর চলে এমন অত্যাচার যা দেখে গা শিউড়ে ওঠে। পাওলো পাসোলিনির এই সিনেমা ইরান, সিঙ্গাপুর সহ পাঁচটি দেশে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। শিশুদের ওপর অত্যাচার, ধর্ষণের দৃশ্যগুলি থাকায় বিভিন্ন দেশে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়।
৪) দ্য সিম্পসন মুভি (২০০৭)
গোটা বিশ্ব তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করেছে এই কার্টুন সিনেমা। কিন্তু বার্মায় এক অদ্ভুত কারণে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এই সিনেমাকে। বার্মা সরকারের অভিযোগ এই সিনেমায় হলুদ রঙকে প্রচার করা হয়েছে। হলুদ রঙ বার্মা সংস্কৃতির কাছে নাকি অপমাণকর।
৩) ব্যাক টু দ্য ফিউচার ট্রিলজি (১৯৮৫,১৯৮৯,১৯৯০)
টাইম ট্র্যাভেলের ওপর তৈরি হওয়া মজার ছবি। আনন্দের ছবি। কিন্তু চিনে এই ছবি নিষিদ্ধ। কারণ ছবিতে অনেকসময় ভবিষ্যতে যাওয়া হয়েছে। যা নাকি চিনের সরকারের নিয়ম বিরুদ্ধ। একইসঙ্গে ছবিকে কুসংস্কারে ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ জানানো হয়েছে। তা ছাড়া নাকি ছবিতে দেখানো হয়েছে বেজিংয়ের থেকেও থাকার ভাল জায়গা রয়েছে, যা সরকার বিরোধী।
২) দ্য লাস্ট ট্যাঙ্গো ইন প্যারিস (১৯৭৩)
সাহসী ছবি। ইরোটিক ড্রামা। একাধিকবার নায়িকার ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখানো হয়েছে। ছবিটি ইতালি ও স্পেনে নিষিদ্ধ। সিনেমায় একটি দৃশ্যে দেখানো হচ্ছে নায়ক মার্লোন ব্র্যান্ডো সেক্সের সময় মাখন ব্যবহার করা হচ্ছে। ইতালি ও স্পেনের পক্ষ থেকে বলা হয় খাবার জিনিসকে এভাবেই দেখানোটা আপত্তিকর।
১) ক্যানিবাল হলোকাস্ট (১৯৮০)
বিশ্বের ৪০টি দেশে নিষিদ্ধ। অনেকেই বলেছেন, ছবিটি দেখার পর অসুস্থ বোধ করেছেন। ছবিটি একটা ফেক ডকুমেন্টারির ওপর তৈরি। যেখানে ক্যানিবালিজম, গণহত্যা, ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনকে অতি জঘন্যভাবে দেখানো হয়েছে। ছবির শ্যুটিংয়ে সত্যিকারের পশু হত্যা করা হয়েছে। ছবির পরিচালকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে অভিনেতা, অভিনেত্রীরও নাকি সিনেমার সময় খুন করা হয়। অবশ্য সেটা প্রমাণিত হয়নি। সূত্র: কলকাতা
adult pic এর চিত্র ফলাফল
জেনে নিন, ছেলে সন্তান এবং মেয়ে সন্তান নেয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রীকে যা করতে হবে!

জেনে নিন, ছেলে সন্তান এবং মেয়ে সন্তান নেয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রীকে যা করতে হবে!

( সতর্কতাঃ এই লেখায় নারী পুরুষের যৌনতার অনেক বিষয় খোলামেলা আলোচনা করা হয়েছে , এটা চিকিৎসা বিষয়ক জ্ঞান তাই কোনো ভাবেই এই লেখাকে অশ্লিলতার আওতায় আনা যাবেনা । এবং এই লেখা কঠোর ভাবে বিবাহিতদের জন্য , এ বিষয়ে সকল পাঠক পাঠিকার সহানুভুতি কাম্য )
দম্পতির সন্তান না হলে যেমন বিড়ম্বনা তেমনি কোন কোন ক্ষেত্রে ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান হলেও বিড়ম্বনা । পুরুষের কোষে X ও Y ক্রোমোজোম এব্ং মেয়েদের কোষে X ও X ক্রোমোজোম থাকে । পুরুষের X ও মেয়েদের X মিলে হয় মেয়ে সন্তান (XX ) আর পুরুষের Y ও মেয়েদের X মিলে হয় পুত্র (XY) সন্তান , স্ত্রীর ডিম্ব ( ওভাম ) বেরিয়ে আসার সময় ও জরায়ুর ভিতর শুক্রকিট ( স্পার্ম ) প্রবেশের সময় এই দুটির মধ্যে ছেলে কিংবা মেয়ে সন্তান জন্মের একটি সুন্দর সম্পর্ক আছে । এর উপর ভিত্তি করেই মার্কিন গবেষক ডাঃ ল্যানড্রুম বি শ্যাটলস ও ডাঃ জন রক নিজের ইচ্ছায় ছেলে বা মেয়ে সন্তান জন্মাবার পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন । আপনি যদি ছেলে অথবা মেয়ে সন্তান চান তাহলে এই লেখাটি আর আপনার ইচ্ছা যথেষ্ঠ । এই পদ্ধতিতে সফলতার হার ৯০ % । আপনার স্বপ্ন এবার সত্যি হবে ।
চলুন শুরু করি –
টেকনিকঃ একজন পুরুষ যখন একজন মেয়ের সাথে সেক্স করে , তখন পুরুষের চরম অবস্থায় বির্যের সাথে লক্ষ লক্ষ শুক্রকিট মেয়ের জরায়ুতে নির্গত হয় ! এখান থেকে যে কোনো একটি শুক্রকিট মেয়ের ফ্যালোপিয়ান টিউবে অবস্তিত ডিম্বের সাথে নিষিক্ত হয় ! মেয়েদের যেহেতু একই রকম (XX) ক্রোমোজোম থাকে তাই সন্তান মেয়ে বা ছেলে হওয়ায় তাদের কোনো হাত নেই , এটা নির্ভর করে পুরুষের উপর , কারন মেয়ের X এর সাথে পুরুষের X মিললে মেয়ে বাচ্চা ও মেয়ের X এর সাথে পুরুষের Y মিললে ছেলে বাচ্চা হবে !
এখন আমাদের এমন টেকনিক অবলম্ভন করতে হবে যাতে আমরা ছেলে সন্তান চাইলে পুরুষের একটি Y গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হয় আর মেয়ে সন্তান চাইলে পুরুষের একটি X গিয়ে মেয়ের X এর সাথে মিলিত হয় ।
বিজ্ঞানিরা গবেষনা করে দেখেছে যে জরায়ুর পরিবেশ এসিডিক হলে পুরুষের X শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হয়ে মেয়ে সন্তান আর জরায়ুর পরিবেশ ক্ষারীয় হলে পুরুষের Y শ্রুক্রকিট মেয়ের ডিম্বের সাথে আগে মিলিত হয়ে ছেলে সন্তান হয় !!

সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

পেটের চর্বি কমাবেন কী করে? ফলো করুন এই ৪ সহজ উপায়

পেটে জমা ফ্যাট নিয়ে জেরবার অনেকেই। অনেক কসরত করে দেহের অন্যান্য অংশের চর্বি ঝড়ছে বটে কিন্তু দেখা ‌যাচ্ছে পেট থেকে নামছে না জমাটবাঁধা ফ্যাট।

দেহের চর্বি দ্রুত ঝড়িয়ে ফেলার তেমন কোনও সহজ রাস্তা নেই। ‌এর জন্য যেসব পদ্ধতি রয়েছে বলে দাবি করা হয় তা বহুক্ষেত্রে শরীরের ক্ষতিই করে। কোনও ঝুঁকিতে না গিয়ে এই চারটি পদ্ধতি ফলো করে দেখুন কী হয়।

খাওয়ার সময়ে মনঃসং‌যোগ

খাওয়ার সময়ে ফোন বা ল্যাপটপে আটকে না থেকে খাবারে মন দিন। এতে কাজ হবে। বলছেন পর্তুগিজ গবেষকরা। বলা হচ্ছে এতে খাওয়া হয় অনেক ধীরে। দেখা গেছে টিভির সামনে বসে খেলে ওজন বেড়ে ‌যায়।

খেতে হবে ফাইবার‌যুক্ত খাবার

ফাইবার‌যুক্ত খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে বা ওজন কমে। একটি গবেষণায় দেখা ‌যাচ্ছে, প্রতি দশ গ্রাম ফাইবার‌যুক্ত খাবারের জন্য ফ্যাট কমে ৩.৭ শতাংশ।

স্ট্রেস কমাতে হবে

স্ট্রেস থাকলে দেহে কর্টিজল ক্ষরণ বাড়ে। এটিকে বলা হয় স্ট্রেস হরমন। এই হরমন দেহে বেশি থাকলে পেটে চর্বি জমে বেশি। কর্টিজল ক্ষরণ হলে চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। আর ওই জাতীয় খাবার খেলে ওজনও বাড়ে।

মিষ্টি পানীয় এড়িয়ে চলুন

এই ধরনের পানীয় বেশি খেলে দেহে ফ্যাট জমা হয় বেশি। এতে লিভারেও চর্বি জমার সম্ভাবনা তৈরি হয়। আর পেট ও নিম্নাঙ্গে চর্বি তো জমেই। ফলে এসব এড়িয়ে চলাই ভালো। হতে পারে এতেই কমবে আপনার পেটের চর্বি।

শনিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

‘যেকোনো সময় মেয়েরা প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়ে, আমারও ভয় ছিল’

হৃতিক-কঙ্গনার লড়াই দিন কয়েক আগেও হেডলাইনে ছিল। আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল তাদের ঝগড়া। ফের সেই ইস্যু নিয়ে মুখ খুললেন কঙ্গনা রানাওয়াত। এবার আরও আক্রমণাত্মক মেজাজে তিনি। সম্প্রতি নিউজ এইটিনে এক সাক্ষাত্কারে সরাসরি হৃতিককে ক্ষমা চাওয়ার কথা বললেন তিনি।

কঙ্গনার দাবি, তাদের সম্পর্কে যা ঘটেছিল, সে বিষয়ে তার আরো অনেক কিছু বলা বাকি। হৃত্বিকের সঙ্গে ঝামেলার সময় ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই তাকে বলেন, ক্ষমা না চাইলে কঙ্গনাকে জেলের ভিতরেও দিন কাটাতে হতে পারে। কঙ্গনা বলেন, ‘আমি ভয় পেয়েছিলাম। কত কিছু ঘটছে আমাদের চারপাশে। ওই মালয়ালাম অভিনেত্রীর সঙ্গে কী হল…। ওই অভিনেত্রীকে ধর্ষণ করে সেই ভিডিও ভাইরাল পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছে। কারণ ওই অভিনেত্রী অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রীর কাছে তার কীর্তিকলাপ সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েছিলেন। যদিও সেটা আমার ঘটনার পরে ঘটেছিল। তবে কিছু তো বলা যায় না…। মেয়েরা যেকোনো সময় প্রেগন্যান্ট হয়ে পড়ে, আমারও ভয় ছিল।’

এমনকী, হৃতিকের বিরুদ্ধে তার ই-মেইল হ্যাক করারও অভিযোগ এনেছেন নায়িকা। কঙ্গনা বলেন, ‘হৃতিক আমার ই-মেইলের পাসওয়ার্ড জানত। ও সেটা থেকে নিজেই প্রচুর ইমেল পাঠিয়েছিল। পরে সেগুলোই আমি ওকে পাঠিয়েছি বলে প্রকাশ্যে নিয়ে আসে। সে সময় ওর বাবাকে গোটা ব্যাপারটা জানিয়ে আমি সাহায্য চেয়েছিলাম। উনি সাহায্য করবেন বলেছিলেন। কিন্তু উনি কথা রাখেননি।’

ওই সাক্ষাত্কারে কঙ্গনা স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, তিনি কোনো দিন কোনো অবস্থাতেই হৃতিকের কাছে ক্ষমা চাইবেন না। বরং হৃতিকেরই তার কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। কঙ্গনা বলেন, ‘আমি তো ওর মুখোমুখি হতে চাইছি। ও আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছে।’

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়, সে সময় হৃতিক ও তার বাবা রাকেশ রোশন কঙ্গনার বিরুদ্ধে অনেক কিছু দাবি করলেও সে সব কিছু তারা প্রমাণ করতে পারেননি। কিন্তু এর ফলে কঙ্গনার পেশাদার ও ব্যক্তিগত জীবন ধাক্কা খেয়েছিল বলে দাবি করেন অভিনেত্রী।

ক্রিকেটার সাকিবের বাড়িতে কোরবানি হচ্ছে ৪টি গরু ও ২টি ছাগল

স্পোর্টস ডেস্ক: এ বছর ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের গ্রামের বাড়ি মাগুতে চারটি গরু ও দুটি ছাগল কোরবানি দেওয়া হবে বলে।  এত্য জানিয়েছেন সাবিকের বাবা।

সাকিবের বাবা মাসরুর রেজা গণমাধ্যমকে বলেন, “জামাইবাড়ি থেকে এসেছে আরও দুটি গরু এবং এবার আমি নিজে দুটি গরু ও দুটি ছাগল কিনেছি। ” কোরবানির জন্য জামাইবাড়িতে তিনিও দুটি গরু পাঠিয়েছেন বলে জানান।

প্রতি ঈদেই সাকিব বাড়ি আসলেও এ বছর চট্টগ্রামে টেস্ট থাকায় সেটা অনিশ্চিত হয়ে।

মাসরুর রেজা বলেন, “ঈদে তার সন্তানরা কাছে থাকুক সব বাবা-মা চান।  তবে দেশ হচ্ছে সবার আগে।  দেশের জন্য কিছু করতে পারাটা বড় গর্বের।

খেলার কারণে এখনও তার আসা নিশ্চিত নয়।  তবে ঈদের দিন আজ সকালে হেলিকপ্টার নিয়ে মাগুরা আসতে পারে তিনি।  আসলেও দুপুরে আবার ফিরে যাবে ক্যাম্পে।  এবার না আসতে পারলেও পরের ঈদে হয়ত আসবে। ”

সাকিবের বড় চাচা মনোয়ার রেজা বলেন, “সাকিবের বাবা এবার স্থানীয় হাট থেকে কোরবানির জন্য এই দুটি গরু ও দুটি ছাগল কিনেছেন। ”

সাকিব না আসলে এবার তার বাবা মাসরুর রেজার তত্ত্বাবধানে কোরবানি ও মাংস বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।
২ সেপ্টেম্বর ২০১৭/এমটিনিউজ২৪/হাবিব/এইচআর

রাখাইনে উল্লাসনৃত্য

ফেসবুকে একটি ছবি। একটি বালিকার মৃতদেহ। পানিতে ডুবে মারা গেছে। ভাসছে। দু’হাত প্রসারিত। বলা হচ্ছে, সে রোহিঙ্গা। মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নৃশংসতার শিকার। ফেসবুক খুললেই সেনাবাহিনীর নৃশংস উল্লাসনৃত্যের দৃশ্য। পুরো নগ্ন করে যুবতীর দেহ নিয়ে উল্লাস করছে তারা। প্রহার করছে। লাথি মারছে। হাত পা কেটে নিচ্ছে। গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে। সেই মাথা হাতে নিয়ে তান্ডবনৃত্য করছে। কোনো এক বোনকে ঘিরে দরেছে হায়েনার দল। তার চোখমুখ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। তিনি বাঁচার জন্য কাকুতি জানাচ্ছেন। উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। সঙ্গে সঙ্গে লাথি দিয়ে তাকে মাটিতে ফেলে দেয়া হচ্ছে। চারদিকে তাকে ঘিরে আছে কয়েক শত মানুষ। সবাই সেই উল্লাস দেখছে। প্রহার করা হচ্ছে সেই বোনকে। রক্তাক্ত যুবতী বোনটি আবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। না, তাকে সেই সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। এবার তার গায়ে ঢেলে দেয়া হয় কেরোসিন বা কোনো জ্বালানি তরল। ম্যাচের কাঠি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। যুবতী চিৎকার করেন। উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। পারেন না। দাউ দাউ জ্বলতে থাকে আগুন তার শরীরে। তিনি গড়াগড়ি খেয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করেন। হাত-পা ছোড়েন। কিন্তু না। পশুর দল তাকে বাঁচতে দেয় না। আবার তার দেহে জ্বালানি তরল ঢেলে দেয়া হয়। সারা শরীর এবার আগুনের বলয়ে পরিণত হয়। আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়ে যায় তার দেহ। পা দুটি টান টান হয়ে যায়। বাম হাতটি উপর দিকে উঠে যায়। নিস্তব্ধ হয়ে তিনি উপহাস করতে থাকেন পৃথিবীকে, পৃথিবীর মানুষকে। আরেকটি ভিডিও। এক যুবক অথবা টিনেজারের। পিছনে হাত নিয়ে বেঁধে বসিয়ে রাখা হয়েছে তাকে। তার চারপাশে ঘুরছে সেনারা, তাদের লালিত উগ্রপন্থিরা। ওই টিনেজারের সঙ্গে তাদেরকে কথা বলতে দেখা যায়। মনে হতে পারে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়া হবে অথবা তাদের জিম্মায় রাখা হবে। কিন্তু এর পরের দৃশ্যটি ভয়াবহ। কোনো মানুষের পক্ষে তা সহ্য করা সম্ভব নয়। পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র হাতে এগিয়ে আসে একজন। কিশোরের মাথা পিছন দিকে টেনে ধরে এক হাতে। এতে কিশোরের গলা টান টান হয়। অমনি অন্য হাতে সেই গলায় চালায় ধারালো ছুরি। মুহূর্তেই ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হয়। ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। রক্তের এক হোলি উৎসব যেন! কর্তিত মস্তক উঁচু করে দেখানো হয়। তারপর! তারপর সেই কর্তিত মাথা নিথর দেহের ওপর ফেলে দেয়া হয়। আরও একটি ভিডিও। কয়েকজন যুবককে অর্ধনগ্ন করে শুইয়ে রাখা হয়েছে। একটি খোলা মেঝেতে। তাদের হাত পিছনে নিয়ে বাঁধা। দৃশ্যত সেনাবাহিনীর সদস্যরা চাবুক হাতে প্রহার করছে তাদের। একের পর এক। কারো মাফ নেই। চাবুকের আকাতে কুঁকড়ে উঠছেন যুবকরা। কারো মনে, প্রাণে একটু দয়া হচ্ছে না। আরো একটি ভিডিও। এক যুবককে দেখা যায় একটি ডোবার পানিতে। শুধু একটি জাঙ্গিয়ার মতো পরনে। যুবকটি জীবিত। তিনি হাত নড়াচড়া করছেন। তার গলায় রশি বাঁধা। তা ধরে উপর থেকে টেনে নিচ্ছে একজন। এভাবে টানাতে মারা যান ওই যুবক। তারপরও তাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় রাস্তার ওপর দিয়ে। দু’জন যুবককে দেখা যায়। তাদেরকে প্রহার করা হয়। প্রহারে প্রহারে রক্তাক্ত হয়ে যায় তারা। অস্ত্র হাতে এগিয়ে যায় সেনা সদস্য। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কব্জি থেকে কেটে ফেলে হাত। এখাবে দু’হাতই কেটে ফেলা হয়। দু’পা কেটে ফেলা হয়। ছাটাতে থাকেন যুবক। তারপরও মুক্তি নেই। এবার আরো ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। তার গলা কেটে মাথা আলাদা করা হয়। চুল ধরে তা উঁচু করে দেখানো হয়। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখানো হয়। এরপর তারই শরীরের ওপর রেখে দেয়া হয় তা। একজন যুবতী। পুরো নগ্ন। তাকে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। আরেকজন যুবতী। তার ওপরের পোশাক কেড়ে নেয়া হয়েছে। শুধু অন্তর্বাস বাকি। তার ওপর অকথ্য নির্যাতন করা হচ্ছে। এমনিতরো অসংখ্য ভিডিও, ছবি ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুক সহ সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। এগুলো মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর চালানো সেদেশের সেনাবাহিনী ও বৌদ্ধদের নির্যাতনের প্রমাণ। এসব ভিডিও বা ছবি কবে কখন তোলা হয়েছে তা নিশ্চিত করে কেউ বলতে না পারলেও এটা পরিস্কার, রাখাইনে রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর চালানো হচ্ছে অকথ্য নির্যাতন। শান্তির দূত (?) অং সান সুচির সরকার স্বীকার না করলেও এমন নির্যাতন হচ্ছে- নিঃসঙ্কোচিত্তে বলে দেয়া যায়। অং সান সুচি এ জন্য তার জীবনে অর্জিত সবটুকু হারিয়ে ফেলেছেন। তাকে গণতন্ত্রের, শান্তির দূত হিসেবে আখ্যায়িত করা হলেও তিনি সেই অবস্থানে এখন আর নেই। তিনিও বিশ্বের অন্য অনেকের মতো ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে গেছেন। তাই সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে, বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলতে পারছেন না। তিনি জানেন, কথা বললেই, সেনাবাহিনী বা বৌদ্ধদের এসব নির্যাতনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেই তাকে ক্ষমতা হারাতে হবে। আবারও গৃহবন্দিত্ব বরণ করতে হতে পারে। তাই এসি রুমে বসে, প্রহরী পরিবেষ্টিত সুচি এখন মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখেন না। তার সামনে যুবতীকে নগ্ন করে তার ইজ্জত হরণ করলেও তার কিছু এসে যায় না। কারণ, তিনি ক্ষমতা পেয়ে গিয়